.

.

আমাদের সফলতা

চলতি বছরের শুরুতেই সরকারী ডিফেন্স-এ আমাদের ক্লাইন্ট বিভিন্ন পরিক্ষা ও চাকুরী বিষয়ক তদবীরগুলোতে সাফল্য অবিশ্বরনীয়-
চাকুরী, ইন্টারভিউ ও পরিক্ষা

বিষয় মোট ক্লাইন্ট সফলতা পেন্ডিং অসফল

চাকুরী ১২৩ জন ১১৯
ইন্টারঃ ৮৭ জন ৮০
পরীক্ষা ৫৪ জন ৫৩

সোমবার, ১ মে, ২০১৭

পরীক্ষা সফলতার জন্য তদবীর


বিভিন্ন পরিক্ষা ও সরকারী (বিশেষ করে পূলিশ কনেষ্টবল, কারা রক্ষী, এ এস আই, এস আই, ব্যাংক, সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়ে) সফল নিয়গের পর এবার’ই প্রথম আমাদের বি সি এস পরিক্ষায় সফলতার জন্য বিশেষ তদবীর পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিওয়া হয়েছে।

আপনি নিজের যোগ্যতার উপর বিশ্বস্থ্য কিন্তু কিছুতেই সফল হতে পারছেন না, ঘুষ বাজারে অন্যদের সাথে পাল্লা দিয়ে দৌড়াতে পারছেন না, আপনাকে বার বার সফলতার দ্বারে এসে মুখ থুবরে পরতে হচ্ছে, বিভিন্ন চাকুরীদাতা দালালদের ক্ষপ্পরে পরে হতাষ। তাহলে আর নয়, এবার মুখ তুলে তাকান, সফলতা আপনার আসবেই।

মনে রাখবেন তান্ত্রিকতায় আপনি লেখাপড়া না করে কখনোই সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখবেন না, আমাদের কাজ আপনার মেধা শক্তির উন্নয়ন, স্মৃতি শক্তির বিকাশ, গ্রহদোষ নিবারন, বিভিন্ন কারনে ভাগ্য বিরম্বনার হাত হতে রক্ষা, অটুট বিশ্বাষ ও আত্নশক্তির বিস্ফরন ঘটানোই আমাদের মুল লক্ষ্য, সফলতা আপনার জন্য প্রহর গুনছে। আপনি সফল হবেন, হতেই হবে। আমরা সেই সফলতার সিড়িতেই আপনাকে তুলে দিবো।

শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০১৭

Tratok is the great option of success in life

Tratok is the great option of success in life


Tratok is the great option of success in life

By standing At 20th   century science has invent a great and totally scientific method on tratok, jean and other miracles power for those people who belief on miracles with giving a excellent gladful l offer  that is also challenging till this time .Here we teach those person  who are mentally healed and curious  about any one out of  three term that’s are “trataka, pursuit off jean, pursuit of pori “  with a exclusive offer to pay the amount after finishing the full course and also after fulfill your satisfactions. great saints of whole world is our inspiration of this challenging post . we know that after publishing our this spiritual side on internet wall many fake ID , false page ,android apps , fake blog side cheating with many innocent people by giving them fake trust and they falling in the trap as a result they becoming proletariat .and those fake source are strongly  amplified around our trustful agency .
But if you will trust on us you have no chance to teach because of this exclusive offer off post payment .it means you will pay your course fee after completing the course and after showing you that result. And this is the world first challenging offer to you that are raising your hidden ghostlier power and increase you’re the weird power. We will fulfill your thirst of ghostlier term of this jean, pari and trataka world. We teach our learner very carefully and with promise to prepare himself for any kind of success
Heretofore we show that any power, pursuit , one’s self-improvement, better life self-respect, physical satisfaction, family problem solve, mental improvement, allure, destroy enemy, etc  and many other problem can be solve by this powerful miracle . No one can transfer this power to other, cannot give proxy of it there every men have to give his own pursuit. Many unconscious person thought or says sometime that jean is sale or flavored things but it is a great silliness the greatest hagiolatry says and some scientific documentaries shows that jean pari is actually like roaming thing around us in short it is nothing but like alience .That sometime telecasts in national geography channel  , and history TV channel. Without delay our incoming generation will develop so easy term of pursuit. We get to know from many other students of this stage the feelings, type, capacity, thoughts everything is different from one another. This spirit, courage and curiosity of whole world of those students are giving inspiration to publish our todays challenging post. We are trying to keep our apprentice free from all type of tolerance and helping to keep their mind fresh so that they can fully concentrate on any kind of pursuit. We hope that all curious person of our society won’t be cheated anyhow.

ত্রাটক (Third Eye)

জীবনের চলার পথে আমাদের সকলেরই রয়েছে হাজারো স্বপ্নপূরনের লক্ষ্য, কিছু আসা, কিছু চাওয়া ইত্যাদি কারন মানুষের জীবনের শুরুই হয় বিভিন্ন চাহীদা দিয়ে। আমরা কেউ’ই সকল চাহীদা পূরনে সমর্থ নই। আমাদের চাওয়ারও কোন শেষ নেই।। তবে সমাজে কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের আকাঙ্খার চাইতে পাওয়াটা অনেক বেশি আবার কেউ কেউ না চাইতেই অনেক কিছু পেয়ে যায় আবার কারও হয়তো অধিকাংশ চাওয়াই পূর্ন হয়ে যায়, কিন্তু এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগন্য। আমরা অনেকেই হয়তো বিশ্বাষ করবো না যে এই বিংশ শতাব্দিতেও আমাদের চারপাসে প্রতি ১০ জন সফল মানুষের বিষয়ে যদি ভালো ভাবে খোজ খবর নেওয়া হয় তবে আমরা জানতে পারবো তাদের ৭-৮ জনই কোন না কোন পীরের মুরীদ, কোন তান্ত্রিক গুরুর শিশ্য, কোন সুফির খাদেম, কোন দেবতার সাধক বা কোন শক্তির আর্শিবাদ প্রাপ্ত। যা সাধারনত অত্যন্ত গোপন বিষয়।
আমরা আজ যে বিষয়ের উপর আলকপাত করবো তা হলো “ত্রাটক” !!! আসলে এই “ত্রাটক” বিষয়টি কি, আমরা এখানে ত্রাটক বলতে এমন এক সাধনাকে বোঝাচ্ছি যা মানুষের তৃত্বিয় নেত্রের সাথে জরিত, যা মানুষের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের সাথে সংপৃক্ত। আধুনা বিজ্ঞানের যুগে আমরা সকলেই হয়তো মেডিটেশন, যোগ ব্যয়াম ইত্যাদি সর্ম্পকে বেশ ভালোই জানি, এই “ত্রাটক” হচ্ছে এই গুলোরেই গুরু সমতূল্য। কারন এই একটি মাত্র সাধনা দ্বারা ব্যক্তি তার অসম্পূর্ণ স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রুপদিতে পারে। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, কেউ বড় হয়ে জন্মায় না, প্রতিটি মানুষ তার কর্ম সেই সাথে কর্মের সূযোগ্য সুবিধা সমৃদ্ধ সুযোগের মাধ্যমেই উপরে উঠে বড় হয়।

ত্রাটক সাধনা ( Third Eye Radiation)

ত্রাটক সাধনা ( Third Eye Radiation)

বিশ্বের সকল বাংলা ভাষা ভাষী ভাই বোনদের

অকুন্ঠ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জ্ঞ্যপন করছি।

পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এখন একটি বিষয় খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আর তা হলো মেডিটেশন বা ধ্যান, আমাদের বাংলাদেশেও এমন বেশকিছু প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে মেডিটেশন বা ধ্যান, যোগ ব্যায়াম শেখানো হয়ে থাকে। বর্তমানে মিডিয়ার যুগে আমরা যদি একটু খানি চোখ কান খোলা রাখি তবে প্রায়শই চোখে পরবে বিশেষ করে ডিস্কোভারী বা ন্যাশনাল জিওগ্রাফীতেও কিছু কিছু দেশের ধ্যান সাধনা বা সে দেশে যে নামেই বলা হোক না কেন-তা এতোটাই উন্নতি সাধন করেছে যে মানুষের পক্ষে অসম্ভব বলে হয়তো পৃথিবীতে কিছু আর থাকবে না। আমাদের দেশের বেশকিছু মেডিটেশন গুরুজনেরা যে সকল ধ্যান যোগ প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন তা আমাদের জন্য যথেষ্ট। একজন মানুষের তার নিজের চলমান জীবন মান উন্নয়ন করতে যা যা প্রয়োজন, তা খুব ভালো ভাবেই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। কিন্তু একটি বিষয়- আর তা হলো আমরা যতটুকু যানি বা যানছি তা কি যথেষ্ট বা এর বাইরে কি কিছু নেই, আসলেই কিছু নেই, এই বাংলাদেশের মানুষের প্রবৃত্তি যে পর্যায়ের তাতে এর বাইরে আর কিছু থাকতেও নেই। আমি কোন লেখক নই বা সুন্দর করে লেখায় অবস্থ্য নই তারপরেও যা মনে আসছে লিখে যাচ্ছি, আসলে কোয়ন্টাম বা ত্রাটক বা ধ্যান যাহাই বলেন না কেন এটার গভিরতা এতোটাই যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না, প্রাচিন গ্রন্ধগুলোতে কিছু কিছু উদ্ধৃতি পাওয়া যায় যেমন হিন্দু শাস্ত্রে আছে যখন কোন কারনে দেবাদি দেব মহাদেব মহেশ্বর কোন সমস্যার সম্মুক্ষিন হতেন তখন তিনি তপস্যায় বসতেন অর্থাৎ ধ্যানে বসতেন। এখানে তিনি যদি ভগবান হয়ে থাকেন তবে তিনি কার তপস্যা বা ধ্যান করেন ? আমাদের সকলের প্রিয় রাসুল হযরতে নূর আহম্মদে মুস্তফা মুহাম্মদে মুস্তফা (সাঃ) তেনার জীবনি থেকেও একি কথা শোনা যায় তিনি হেরা গুহার পর্বতে গিয়ে ধ্যান করছিলেন, তো তিনি যদি ধ্যান করে সত্যের সন্ধান পান তবে কেন তার উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য ধ্যান করা সুন্নত বা ফরজ করে গেলেন না সেটা আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক্যে বোধগম্য নয়। আবার প্রাচীন অহিংস ধর্ম বুদ্ধ ধর্মের মুলেই রয়েছে ধ্যান যোগ, স্বয়ং বুদ্ধ দির্ঘ্যকাল ধ্যান সাধনার দ্বারা অমৃত সত্যের সন্ধান লাভ করেন এভাবে আমরা পৃথিবীর যত মহামানবের ইতিহাস পাব সেখানে কোন না কোন ভাবে এই ধ্যান আছেই এবং তা সবকিছুর মুলেই গেথে রয়েছে। আসলে আমরা আজ বাংলাদেশিরা মেডিটেশন বলে যা শিখছি সেটা ধ্যান নয় এটাকে একটি ধ্যনের একটি কনা বলা যেতে পারে, তবে হ্যা এই ধ্যানের মাধ্যমে বাস্তবিকই একজন অতি সাধারন মানুষ হয়ে উঠতে পারে অতিমানব বা মহামানব।। আমাদের এই সাইডটি মুলত এই ধ্যান প্রশিক্ষণ বিষয়ের উপর এবং আমরা এটার নাম রেখেছি ত্রাটক মহাবিদ্দ্যা বা ত্রাটক সাধনা সুতারাং আমরা এটাকে মেডিটেশন বা ধ্যান বলবো না ত্রাটক বলবো।
এই ত্রাটকের রয়েছে দু-মুখি তলোয়ারের মতই কর্ম ক্ষমতা আর তাই যদি ত্রাটক শিক্ষণ এমন কোন ব্যক্তির হাতে গিয়ে পড়ে তবে হয় সে নিজে ধ্বংস হবে নতুবা সে সমাজ কে ধ্বংস করে ছেড়ে দিবে আর মূলত সেই কারনে বাংলাদেশের মেডিটেশনের শ্রদ্ধেয় গুরুজনেরা তাদের শিক্ষণে এমন একটি বাউন্ডারী প্রদান করে তালিম দিয়ে থাকেন যাতে করে সে শিষ্য কোনদিনও সেই বাউন্ডারী ভেদ করে বের হতে না পারে, এতে করে সবচাইতে বড় সুবিধা হলো সে যত খারাপ বা ভালো প্রকৃতির’ই হোক না কেন তাকে যেটা তালিম দেওয়া হয়েছে সে তার বাইরে শত চেষ্টাতেও যেতে পারবেনা। ফলে সে শুধু নিজের জন্য যতটুকু করার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়েছে ততটুকুই করতে পারবে। ভালো না এটা কি ? অবশ্যই ভালো !!!
কিন্তু আমরা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগোতে কি কখনও পারবো, আমরা কি তাহলে মসজিদ মন্দিরে সেন্ডেল চুরির ভয়ে সেখানে যাওয়া বন্ধ করবো নাকি স্যন্ডেল পায়ে দেওয়া’ই ছেড়ে দিবো। বলুন ?
ত্রাটক এমন এক ধ্যান সাধনা যা দ্বারা ব্যক্তি তার আত্ত্বশক্তিকে বিকাশিত করতে পারে, People may bring out his inner power to awaken her true ability. একজন মানুষ ত্রাটক শক্তি বিকাসিত করার ফলে তার জীবন যাত্রার মান যেমন পাল্টাতে পারে তেমনি তার অতিমানবীয় গুনাবলিও অর্জন করতে পারে, প্রতিটি মানুষের মাঝে আছে অবিনশ্বর অসীম ক্ষমতাধর আরও একটি মানুষ, যে নিজের সার্বিক সুরক্ষা সে নিজেই করতে পারে, নিজের বিচার, নিজের অর্জন নিজেই করতে পারে। যে স্রষ্টা বা প্রকৃতি এই অসামান্য জীব সৃষ্টি করেছে তাকে কল্পনা করার মত অচিন্তনীয় মেধা দিয়েছে সেই প্রকৃতি আরও কতই না ক্ষমতা তার ভিতর সাজিয়ে রেখেছে তা আমরা ততদিন না বুঝতে পারবো যতদিন এই পথে চলবো। আমরা আজ মোবাইল, রিমোট কন্ট্রোল, উড়জাহাজ, জল জাহাজ, বিদ্যুৎ, কতকিছুই না আবিষ্কার করেছি আর সেগুলো দেখে অবিভুত হয়ে যাচ্ছি কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছি কি যে শক্তি আমাদের সৃষ্টি করেছে সেই মহামহিম স্রষ্টাআমাদের মাঝে কোন শক্তি প্রের্থিত করে পাঠিয়েছে, আমরা কি পারি না মোবাইল ছাড়া কারও সাথে কমিউনিকেশন করতে, রিমোট ছাড়া কোন ইলেক্ট্রিক যন্ত্র বা বস্তুর মুভমেন্ট করাতে, জাহাজ ছাড়া পানি বা বাতাসে ভাষতে, আগুনের মাঝে অবলিলায় ঢুকে যেতে, অন্ধকারের মাঝে কোন কিছু দেখতে ???
আসলেই কি সম্ভব নয় ? আসলেই কি আমরা পারিন না আমাদের সম্মুখ্যে আসা কোন শত্রুর মোকাবেলা করতে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই করতে ? কেউ কিকখনও তা পারে নি ? নাকি আমরাই শুধু পারি না ? ? ?
ত্রাটক সাধনার শুরুতেই আমরা এমন কিছু করে দেখাব যা আপনি কখনও কল্পনাও করেন নি, কখনও ভাবেন ও নি। আমরা প্রত্যেকের মাঝেই লুকায়িত শক্তিকে আমরা শুধু সাধনার মাধ্যমে খুজে আনবো। আপনারা অনেকেই লক্ষ করে থাকবেন আমাদের অবচেতন মন অনেক সময়’ই অনেক কিছু ব্যক্ত করে ফেলে যা আমরা কাকতালীয় ঘটনা ভেবে উড়িয়ে দেই কিন্তু আসলে কি তা কাকতালীয় ? যেমন অনেক সময় বাইরে থাকা কালিন মনে হয় আজ অফিসে বা বাসায় অমুক ব্যক্তি এসেছে বা অমুক কাজটি হয়ে গেছে-ঘটনার স্পটে গিয়ে দেখা গেল ঠিকই তাই। কিছু কিছু স্বপ্ন হুবহু প্রতিফলিত হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলে প্রতিটি মানুষের দুর্ঘটনার কয়েক সেকেন্ড আগে সে বুঝতে পারে এবং কিছুটা সময়ও সে পায় সেটা থেকে বাচার, কিন্তু হতবিহ্বল ব্যক্তিরাই দুর্ঘটনার স্বিকার হয়।
আমরা জানবো কি ভাবে ঘটনা ঘটার আগেই তা জানতে হবে, কি ভাবে অন্যের অগচরে কোন প্রকার কমিউনিকেশন ছাড়াই কোন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করা যাবে, কি ভাবে আমার ইচ্ছেমত আমি কারও মুভমেন্ট কন্ট্রোল করতে পারবো, কি ভাবে আমি কারও অজান্তেই তাকে বাধ্য করতে পারবো, কি ভাবে আমার সামনে আগত দুর্ঘটনার পূর্বেই আমি সর্তক্য হবো। এমনি শতশত বিষয় আমরা প্রশিক্ষণ দিব এবং আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব মানুষের মাঝে বিরাজও মান আর একজন মানুষের সাথে। জিনি আপনার হয়ে আপনার সমস্ত কাজগুলো সুশৃঙ্খল ভাবে সমাপন করবে, আপনার অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে এক অনাবিল আনন্দময় জীবনে পরিনত করবে। আপনার হতাষাময় জীবনে বয়ে আনেবে সুখের হিমেল বাতাস। আপনি হবেন মানুষের মাঝে এক অনন্য মানুষ।। হয়তো মানুষ না হয়ে মহামানবে পরিনত হবেন।।>>


শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

চাকুরী বিষয়ক তদবীর

বিশ্বের যে কোন সরকারী বেসরকারী চাকুরী, বিদেশ গমন, ভিসা প্রসেসিং ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমাদের তদবীরগুলো অত্যন্ত ফলপ্রসু। বর্তমান বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ডিফেন্স, পাবলীক, প্রাইভেট কম্পানী, ব্যাংক ইত্যাদি বেশ কিছু চাকুরীর নিয়গ চলছে, যেনাদের যোগ্যতা থাকা সত্বেও চাকুরীর হচ্ছেনা, প্রতিটি স্থানে প্রতারিত হচ্ছেন উর্দ্ধতন কেউ পরিচিত নেই, ঘুষ বানিজ্যে আপনার হাত নেই সেই সকল ভাগ্য বিরম্বিত ভাই বোনদের কল্যানে আমাদের এই চাকুরী তদবীর অত্যন্ত মুখ্য ভুমিকা পালন করে আসছে। আপনার বয়স থেমে নেই হবে হচ্ছে করে শতভাগ নিশ্চিত চাকুরী আপনি পাচ্ছেন না, আপনার পরিবারের একমাত্র আশার প্রদিপ আপনি সেখানে আপনি নিজেই হাজারো হতাষা ও দুশ্চিন্তায় ভরাক্রান্ত। ভেবে দেখুন জীবন আপনার, চয়েস আপনার, বাচার তাগিদ আপনার আমরা শুধু আপনাকে একটু এগিয়ে দেয়ার প্রয়াস করবো মাত্র। হয়তো এতেই আপনার জীবনের স্থবীর চাকা ঘুরতে আরাম্ভ করবে। আপনি নতুন আলোর মুখ দেখতে পাবেন। পরিবারের সকলের মুখে হাসি ফুটাতে পারবেন। 

রবিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০১৭

Women Conquest (নারী বশীকরণ)


রাম ধনু লক্ষন বালু

চুমুক মোর কাজে।

বানে মাথা খাইলাম

পাঁচ আত্তা খাইলাম

পাঁচ পরাণ খাইলাম

তোর লাগিয়া পাগল হইলাম

শুধু ডানে আর বামে

করিলাম নজর বন্দী

আমারে ছারিয়া যদি অন্য দিকে চাষ ফিরে

দোহাই আল্লাহর মোহাম্মদের মাথা খাস।।



বিধিঃ তান্ত্রিক নিয়মে যে কোন পূর্ণিমা রাত্রে মন্ত্রটি মুখস্ত করতে হবে। এবার যাকে বশ করা দরকার তার চোখের দিকে চেয়ে উপরক্ত মন্ত্রটি অন্তত ৭ বার মনে মনে উচ্চারন করতে হবে। তাহলে মেয়েটি বস হবে। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যেন মেয়েটি মন্ত্র জপ করার সময় অবশ্যই আপনার দিকে একবার হলেও তাকায়, নতুবা কাজ হবে না।।

নারী ভুলানী সাবর মন্ত্র



ধুল ধুল ধুলিয়া

এই ধুল পরি দিনু পমিক লাগিয়া

হাত জলুক পা জলুক

জলুক মাথার বিষ

মোক না দেখিলেতোর 

কলিজা পুড়ি হইবে শেষ।।


বিধিঃ উপরক্ত মন্ত্রটি একটি সাবর মন্ত্র, উক্ত মন্ত্র অবশ্যই তান্ত্রিক আচারে কোন পূনির্মা যুক্ত পূষ্যনক্ষত্রে মুখস্ত করতে হবে। শাবর মন্ত্রের একটি বিশেষ বৈশিষ্ঠ রয়েছে, যা তাকে যুগ যুগ ধরে মানব সমাজে টিকিয়ে রেখেছে সেটি হচ্ছে এর একছত্র প্রঞ্জল্যতা শাবর মন্ত্র স্বয়ং সিদ্ধ। এবার যাকে বশ করতে চান, সে যখন খালি পায়ে কোথাও হেটে যায় তখন তার পা লক্ষ করুন, এবং তার ডান পায়ের নিচের মাটি তুলে নিয়ে আসুন এবং উপরক্ত মন্ত্রটি ১১ বার উচ্চারন করে মন্ত্রপূত করুন, এবং সুযোগ বুঝে তার মাথায় ছিটিয়ে দিন, দেখুন কয়েকদিনের মধ্যে সেই মেয়ে একান্তই আপনার হয়ে যাবে।। 
বিঃ দ্রঃ মন্ত্রের যেখানে পমিক লেখা আছে সেখানে আপনার কাঙ্খীত মেয়ের নাম উচ্চারন করুন।।

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬

বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৬

চাকুরী ইন্টারভিউ ও যেকনো পরিক্ষায় সাফল্য লাভের তদবীর


অত্যন্ত খুশির সংবাদ

বিগত দিনগুলোতে আমাদের অনেক প্রবাসী ভাইয়েরা তাদের চাকুরী ও ইন্টারভিউ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, সেই সাথে আমাদের দেশের অনেক স্টুডেন্ট ও চাকুরী প্রার্থী ভাই বোনেরা আমাদের কাছে এ বিষয় তদবীর চেয়েছিলেন কিন্তু আমাদের কাছে এই তদবীরের ব্যবস্থা না থাকায় সকলেই বেশ হতাষ হয়ে ফেরত গেছেন। এর জন্য প্রতিষ্ঠানের রেপুটেশনের দিকে নজর রেখেই আমরা অনেক পর্যবেক্ষণ ও সময় নিয়ে বিশ্বসেরা তদবীর কারকগনের সাথে আলোচনা ও পর্যালোচনা সাপেক্ষে বহুল ভাবে পরিক্ষিত এই বিষয়ের শ্রেষ্ট কয়েকজন তদবীর কারক গুরু মহদয় গনকে আমাদের সার্ভিস প্রদানে অনুমতি ও সাহায্য গ্রহনে প্রতিশ্রুতি নিয়েছি, এখন হতে আপনারা যে কোন ধরনের ইন্টারভিউ, পরীক্ষা, সরকারী/ বেসরকারী চাকুরীর জন্য পৃথিবীর যে কোনও তান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের চাইতে শ্রেষ্ঠ সেবা পাবেন বলেই আমরা আশা প্রকাশ করছি। ইতি মধ্যেই এই তদবীরের সকল প্রকার পরিক্ষা নিরিক্ষা ও তদবীরের সকল বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে। আপনারা সাদরে আমন্ত্রীত।

শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

Supernatural worship (অদৃশ্য হওয়া), Invisible Man


এখন হয়তো আর কাউকে প্রুফশিট প্রদান করতে হবে না, কারন বর্তমান স্যোসাল মিডিয়ার কল্যানে ও বিভিন্ন পত্রিকায় বিষয়টি বেশ আলোড়িত। তান্ত্রিক বা আধ্যাত্মিক কোনও অলৈাকিক কাজের প্রমান বা স্বাক্ষি থাকে না কিন্তু অনেক সময় আমাদের সকলের চোখের সামনেই তা ঘটে চলে আমরা আমাদের অনুভব ও পরিবেশের বৈপিরিত্ব দেখেই উপলব্ধি করি। ঘটনাটি এমন আমাদের কাছে বেশ কিছুদিন যাবৎ কয়েকজন অদৃশ্য হওয়ার তদবীর চাচ্ছিলো কিন্তু তদবীর টি পরিক্ষিত না হওয়ার অত্যন্ত স্বল্প দক্ষিণায় অভিজ্ঞ গুরুদের দ্বারা কয়েকজন ক্লাইন্টকে তদবীরের অনুমতি দেয়া হয়, পরিক্ষিত না হয়ওয়ায় ক্লাইন্টদের বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত ও গ্রেট পর্যালোচনা না করেই কাজ শুরু করা হয়, যাদের প্রশিক্ষণের ৭৫ দিনের মাথায় ২ জন ক্লাইন্টের সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায় একজন আমাদের তার সফলতার বিষয় অবহিত করেন। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি বাকি ২জন ক্লাইন্টও সফল, তবে আমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন, তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টাকালিন জানা যায় তারা তাদের অমানবিক দুষ্টবুদ্ধির প্রবল চাপে সমাজে নানাবিধ অসামাজিক অপকর্মের সাথে জরিয়ে পরেছে, বর্তমানে আমাদের পক্ষহতে তাদের নিজ আয়ত্বে নিয়ে ব্যবস্থা দেয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত। হয়তো বিষয়টি দেশেই নয় দেশের বাইরেও সমান ভাবে প্রচার পেয়েছে তবে এ জন্য কনোভাবে আমরা দায়ি নই, কারন আমাদের কাজ প্রশিক্ষণ প্রদান করা প্রশিক্ষিত ছাত্ররা যদি ভুল রাস্তায় পা বারায় তবে কি ভাবে শিক্ষক দায় গ্রহন করবে। তবে ভবিষ্যতে আর কাউকে এভাবে প্রশিক্ষণের আওতায় নেয়া হবে না। প্রতিটি ছাত্রের লাগাম অবশ্যই আমাদের হাতেই রাখা হবে। আমাদের সকল সেবা ব্যক্তি, সমাজ, জাতী তথা সারা বিশ্বের মানব কল্যানে, কনো ভাবেই মানব অনিষ্টকারক কিছু হতে দেয়া হবে না।। অদৃশ্যতন্ত্র একটি প্রাচিন প্রশিদ্ধ তন্ত্র, যা মানুষ তার নিজের ও সমাজের মঙ্গলহেতু ব্যবহার করতে পারে। সকল সাধনার ক্ষেত্রেই সাবধানতা ও জীবনের সংশ্বয় থাকবেই, তবে যিনি জয়ি তিনিতো অক্ষয়। আপনারা যারা ইতিপূর্বে এই সাধনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তারা যোগাযোগ করতে পারেন তবে অবশ্যই মানব কল্যানের নিমিত্তে। আমরা অবশ্যই আপনাকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করবো।

সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০১৬

অবিবাহীত মেয়েদের জন্য ও কন্যা দায়গ্রস্ত পিতাদের জন্য তদবীর


পৃথিবীর যতগুলো দুক্ষজনক বিষয় আছে তার মধ্যে একটি বড় দুক্ষ হচ্ছে কন্যা দায়গ্রস্ত পিতা/মাতাদের, একটি মেয়ে যদি বয়স হওয়ার পরেও বিয়ে না হয়, বা কোন কারনে বিয়ে দেওয়া না যায় তবে এর চাইতে বড় কষ্ট একজন পিতা/মাতার আর কিছুই হয় না। ঠিক তেমনি সেই মেয়েটির বেলাতেও একই ঘটনা, প্রতিটি মেয়ের’ই বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই একটি স্বপ্ন থাকে সে একদিন কনে সাজবে অন্যের ঘরের ঘরনি হবে, হবে তার নিজের একটি আলাদা সুখি পরিবার, তার স্বপ্নবিলাসের রাজপূত্রের হাত ধরে সে তার জীবন সাগর পারি দিবে। তার সেই স্বপ্ন এক নিমিশেই চুরমার হয়ে যায় যদি কখনো একটি বিয়ে ঠিক হয়েও ভেঙ্গে যায়। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের ছোট বড় সকলের চোখেই সে যেন চোখের বালি হয়ে পড়ে, যে পরিবারে সে অতি আদর যত্নে বেরে উঠে সকলের নয়ন মনি হয়ে থাকে সেই মেয়েটি একটি সময় সকলের বক্ষশুল হয়ে পরে যদি সময়মত তার বিয়ে না হয়। তবে আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আর নয় এই ক্রন্দন, এবার আপনার সমস্যার সমাধান হবেই হবে। তবে আপনার যা লাগবে তা হচ্ছে জোড়ালো আত্ববিশ্বাষ ও সফল হওয়ার প্রবল ইচ্ছা। যে সকল মেয়েদের বিয়ের বয়স হওয়ার পরেও বিয়ে হচ্ছে না, তাদের পিতা/মাতার হাজার চেষ্টাতেও মেয়ের পাত্র জোগার করতে অপারগ হয়েছে, বিয়ে বার বার ঠিক হয়ে ভেঙ্গে যাচ্ছে, যেমন পাত্র খুজছেন তেমন মনপূত পাত্র চোখে পরছে না, কেউ আপনার বিয়ে বন্ধ করে রেখেছে, কোনও শত্রু আপনার নামে কুৎসা রটাচ্ছে যে কারনে আপনার বিয়ে হচ্ছেনা, আপনার বিয়ে হয়ে অকারনেই ভেঙ্গে গেছে এমন হাজারো সমস্যার যদি কোনটাতেই আপনি জরিত হয়ে থাকেন তবে আপনার সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের একমাত্র স্বনামধন্য মন্ত্রগুরু এ্যসোসিয়েশন এবার আপনার সহায়তা করবে। মাত্র ২১-৯০ দিনের মধ্যেই যে কোনও ধরনের বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আপনার যোগ্য পাত্রের সাথে বিয়ে দেওয়ার অঙ্গিকার বদ্ধ।