.

.

শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

Supernatural worship (অদৃশ্য হওয়া), Invisible Man


এখন হয়তো আর কাউকে প্রুফশিট প্রদান করতে হবে না, কারন বর্তমান স্যোসাল মিডিয়ার কল্যানে ও বিভিন্ন পত্রিকায় বিষয়টি বেশ আলোড়িত। তান্ত্রিক বা আধ্যাত্মিক কোনও অলৈাকিক কাজের প্রমান বা স্বাক্ষি থাকে না কিন্তু অনেক সময় আমাদের সকলের চোখের সামনেই তা ঘটে চলে আমরা আমাদের অনুভব ও পরিবেশের বৈপিরিত্ব দেখেই উপলব্ধি করি। ঘটনাটি এমন আমাদের কাছে বেশ কিছুদিন যাবৎ কয়েকজন অদৃশ্য হওয়ার তদবীর চাচ্ছিলো কিন্তু তদবীর টি পরিক্ষিত না হওয়ার অত্যন্ত স্বল্প দক্ষিণায় অভিজ্ঞ গুরুদের দ্বারা কয়েকজন ক্লাইন্টকে তদবীরের অনুমতি দেয়া হয়, পরিক্ষিত না হয়ওয়ায় ক্লাইন্টদের বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত ও গ্রেট পর্যালোচনা না করেই কাজ শুরু করা হয়, যাদের প্রশিক্ষণের ৭৫ দিনের মাথায় ২ জন ক্লাইন্টের সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায় একজন আমাদের তার সফলতার বিষয় অবহিত করেন। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি বাকি ২জন ক্লাইন্টও সফল, তবে আমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন, তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টাকালিন জানা যায় তারা তাদের অমানবিক দুষ্টবুদ্ধির প্রবল চাপে সমাজে নানাবিধ অসামাজিক অপকর্মের সাথে জরিয়ে পরেছে, বর্তমানে আমাদের পক্ষহতে তাদের নিজ আয়ত্বে নিয়ে ব্যবস্থা দেয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত। হয়তো বিষয়টি দেশেই নয় দেশের বাইরেও সমান ভাবে প্রচার পেয়েছে তবে এ জন্য কনোভাবে আমরা দায়ি নই, কারন আমাদের কাজ প্রশিক্ষণ প্রদান করা প্রশিক্ষিত ছাত্ররা যদি ভুল রাস্তায় পা বারায় তবে কি ভাবে শিক্ষক দায় গ্রহন করবে। তবে ভবিষ্যতে আর কাউকে এভাবে প্রশিক্ষণের আওতায় নেয়া হবে না। প্রতিটি ছাত্রের লাগাম অবশ্যই আমাদের হাতেই রাখা হবে। আমাদের সকল সেবা ব্যক্তি, সমাজ, জাতী তথা সারা বিশ্বের মানব কল্যানে, কনো ভাবেই মানব অনিষ্টকারক কিছু হতে দেয়া হবে না।। অদৃশ্যতন্ত্র একটি প্রাচিন প্রশিদ্ধ তন্ত্র, যা মানুষ তার নিজের ও সমাজের মঙ্গলহেতু ব্যবহার করতে পারে। সকল সাধনার ক্ষেত্রেই সাবধানতা ও জীবনের সংশ্বয় থাকবেই, তবে যিনি জয়ি তিনিতো অক্ষয়। আপনারা যারা ইতিপূর্বে এই সাধনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তারা যোগাযোগ করতে পারেন তবে অবশ্যই মানব কল্যানের নিমিত্তে। আমরা অবশ্যই আপনাকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করবো।

সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০১৬

অবিবাহীত মেয়েদের জন্য ও কন্যা দায়গ্রস্ত পিতাদের জন্য তদবীর


পৃথিবীর যতগুলো দুক্ষজনক বিষয় আছে তার মধ্যে একটি বড় দুক্ষ হচ্ছে কন্যা দায়গ্রস্ত পিতা/মাতাদের, একটি মেয়ে যদি বয়স হওয়ার পরেও বিয়ে না হয়, বা কোন কারনে বিয়ে দেওয়া না যায় তবে এর চাইতে বড় কষ্ট একজন পিতা/মাতার আর কিছুই হয় না। ঠিক তেমনি সেই মেয়েটির বেলাতেও একই ঘটনা, প্রতিটি মেয়ের’ই বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই একটি স্বপ্ন থাকে সে একদিন কনে সাজবে অন্যের ঘরের ঘরনি হবে, হবে তার নিজের একটি আলাদা সুখি পরিবার, তার স্বপ্নবিলাসের রাজপূত্রের হাত ধরে সে তার জীবন সাগর পারি দিবে। তার সেই স্বপ্ন এক নিমিশেই চুরমার হয়ে যায় যদি কখনো একটি বিয়ে ঠিক হয়েও ভেঙ্গে যায়। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের ছোট বড় সকলের চোখেই সে যেন চোখের বালি হয়ে পড়ে, যে পরিবারে সে অতি আদর যত্নে বেরে উঠে সকলের নয়ন মনি হয়ে থাকে সেই মেয়েটি একটি সময় সকলের বক্ষশুল হয়ে পরে যদি সময়মত তার বিয়ে না হয়। তবে আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আর নয় এই ক্রন্দন, এবার আপনার সমস্যার সমাধান হবেই হবে। তবে আপনার যা লাগবে তা হচ্ছে জোড়ালো আত্ববিশ্বাষ ও সফল হওয়ার প্রবল ইচ্ছা। যে সকল মেয়েদের বিয়ের বয়স হওয়ার পরেও বিয়ে হচ্ছে না, তাদের পিতা/মাতার হাজার চেষ্টাতেও মেয়ের পাত্র জোগার করতে অপারগ হয়েছে, বিয়ে বার বার ঠিক হয়ে ভেঙ্গে যাচ্ছে, যেমন পাত্র খুজছেন তেমন মনপূত পাত্র চোখে পরছে না, কেউ আপনার বিয়ে বন্ধ করে রেখেছে, কোনও শত্রু আপনার নামে কুৎসা রটাচ্ছে যে কারনে আপনার বিয়ে হচ্ছেনা, আপনার বিয়ে হয়ে অকারনেই ভেঙ্গে গেছে এমন হাজারো সমস্যার যদি কোনটাতেই আপনি জরিত হয়ে থাকেন তবে আপনার সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের একমাত্র স্বনামধন্য মন্ত্রগুরু এ্যসোসিয়েশন এবার আপনার সহায়তা করবে। মাত্র ২১-৯০ দিনের মধ্যেই যে কোনও ধরনের বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আপনার যোগ্য পাত্রের সাথে বিয়ে দেওয়ার অঙ্গিকার বদ্ধ।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০১৬

অবিস্মরণীয় অফার - ‘ত্রাটক, জীন, পরী’ সাধনা পরবর্তী পেমেন্ট (After success in pursuit of payment)


অবিস্মরণীয় সুযোগ              অবিস্মরণীয় সুযোগ              অবিস্মরণীয় সুযোগ

উনবিংশ শতাব্দিতে বিজ্ঞানের চরম শিখরে দারিয়ে, সর্ম্পূন বিজ্ঞান ভিত্তিক উপায়ে “ত্রাটক, জীন, পরী” শক্তি সাধনায় আগ্রহী বিশ্বের সকল তান্ত্রিকগনদের জন্য চরম আনন্দঘন অফার, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বপ্রথম চ্যলেঞ্জিং অফার। “ত্রাটক”, “জীন সাধনা”, “পরী সাধনা” এই তিনটি সাধনার যে কোনটি করতে আগ্রহী সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্ত বয়ষ্ক সকল সাধকদের আমরা সাধনা প্রশিক্ষণ ও সাধনা সফলতার পরেই কেবল মাত্র সাধনার দক্ষিণা প্রদান করার সুযোগ দিচ্ছি।
আমরা জানি, আমাদের ওয়েব সাইড অনলাইন জগতে আত্বপ্রকাশ করার পর থেকেই আমাদের সাইডের আদলে বিভিন্ন ব্লগ, স্যোসাল মিডিয়া পেইজ, এ্যন্ড্রোয়েড এ্যাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফেইক সাইড ব্যঙ্গাচিরমত অনলাইনে কিলবিল করি বেরাচ্ছে, যাদের কাছ থেকে এ যাবৎ অসংখ্য সাধারন জনগন বিভিন্ন ভাবে প্রতারিত ও সর্বশান্ত হয়ে তান্ত্রিকতার উপর থেকে সর্ম্পূন বা আংশিক ভাবে আগ্রহ ও বিশ্বাষ হারা হয়েছেন। যদিও আমরা আমাদের ওয়েবে ও ফেসবুক পেইজে অধিকাংশ ফেইক সাইডের নাম ও আইডি প্রায়শই আপডেট ও পোষ্ট করছি।।
ইতিপূর্বের বেশ কিছু পোষ্টে আমরা জানিয়েছি যে কোন শক্তি সাধনা ব্যক্তি তার নিজ আত্বউন্নয়ন, অবস্থার পরিবর্তন, আর্থিক স্বচ্ছলতা, মানষিক প্রশান্তি, শারীরিক চাহিদা, স্বপ্ন পূরন, দুর্ভাগ্য নাশন, শত্রু নিধন, তান্ত্রিকতার উন্নয়ন সহ যে কোন নিজ র্স্বাথ হাসিলের জন্য ব্যবহার করতে পারে। এই ধরনের কোন শক্তি সাধনা কোন ভাবেই একজন অন্য জনকে রের্ফাড করতে পারে না, কেউ কারো জন্য প্রক্সি দিতে পারে না, এখানে প্রতিটি ব্যক্তিকে অবশ্যই নিজেই সাধনা করতে হয়, অনেকে এ ধরনের কিছু কথা প্রচার বা আশ্বাষ দিয়ে থাকে জীন বিক্রি করা বা দান করার কথা যার চাইতে মূর্খামী ও ভন্ডামী জগতে আর হয় না। আমাদের অনেক বিশ্বখ্যাত তান্ত্রিকগনের মতে সেই সাথে কিছু সাইন্টিফিক ডকুমেন্টারীতে এটি অনেকেরেই মত যে জীন, পরী আসলে আমাদের আসে পাসে বিচরন রত এ্যালিয়্যান ছাড়া অন্য কিছু নয়। যা ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ও হিষ্ট্রি টিভি মিডিয়া চ্যানেলগুলোতে মাঝে মধ্যেই প্রচার করা হয়ে থাকে। আমরা বা আমাদের উত্তরশুরীরা হয়তো অদুর ভবিষ্যতে এটি সাধনা করার বা আয়ত্ব করার অরো সহজতর পদ্ধতী আবিষ্কার করে ফেলবে।
আমরা আমাদের অসংখ্য “ত্রাটক”, “জীন”, “পরী” সাধক শিশ্যদের অনুভুতি সর্ম্পকে যতদুর যেনেছি তাদের প্রত্যেকেরই শক্তির অনুভুতি, প্রকাশ, ব্যবহার, কাছে ডাকার ধরন সর্ম্পূন্য আলাদা ও ভিন্নধর্মী। সারা বিশ্বের অগনীত সাধকদের সফল র্স্বাথকতার সাহস আমাদের আজকের এই চ্যালেঞ্জিং পোষ্টের অনুপ্রেরনা প্রদান করেছে।।


আমরা এখন হতে আমাদের সাধকদের নিকট হতে যে নির্দিষ্ট দক্ষিণা গ্রহন করা হয়ে থাকে তা আমরা আমাদের সাধক শিশ্যদের নিকট হতে সাধনা পরবর্তী গ্রহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে করে একজন সাধক নিশ্চিন্তে নির্বিঘ্নে সর্ম্পূন কনসালট্রেটের মাধ্যমে সাধনা সমাপ্ত করে সফল হতে পারে।। আশা করছি এতে করে আমাদের সমাজে সাধনায় আগ্রহী ব্যক্তিগন আর কোন ভাবে বিফল ও প্রতারিত হওয়ার সুযোগ পাবে না।। 

সোমবার, ১৬ মে, ২০১৬

তন্ত্র মন্ত্র বিদ্যা (Tantra Mantra Vidya)

প্রাসঙ্গিক কিছু আলোচনা

তন্ত্র বিদ্যা, মন্ত্র বিদ্যা বা সাধনা এমন কিছু বিষয় যা মানুষের সুপ্ত শক্তিকে যাগ্রত করে, তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে সজাগ করে। আমাদের সমাজে এমন অনেক ব্যক্তি আছে যারা হয়তো লোক চক্ষুর আড়ালে প্রতিনিয়ত কোন না কোন কিছুর সাধনা করে আসছে, যেমন মুসলিম শাস্ত্র অনুসারে অনেক পীরের মুরিদান গন অজিফা নিয়ে থাকে এবং সেই অজিফার বদৌলতে সে জীবনে অনেক সফলতাও লাভ করে থাকে, সাধারনত তন্ত্র, মন্ত্র ইত্যাদি তান্ত্রিক গনের কাজ, এটা সাধারন মানুষের জন্য কোন ভাবেই নয়, সাধারন মানুষ যদি কোন সমস্যায় পরে তবেই তারা তান্ত্রিকের দ্বারস্থ হয়, তখন তান্ত্রিক গণ এই তন্ত্র বা মন্ত্র শক্তির প্রভাবে তার উপকার সাধনের চেষ্ঠা করে থাকে তবে বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজে কিছু অসাধু ব্যক্তি এটিকে এক ধরনের লোক ঠকানো ব্যবসায় পরিনত করেছে, তাদের নিজেস্ব কিছু দালালের মাধ্যমে সমাজে কিছু উদ্ভট কথা ছরিয়ে তারপর সাধারন জনগনকে কাছে ভেরায় এবং তাদের কে প্রতারিত করে থাকে। কথাটা এ কারনেই বলছি যে বর্তমানে তন্ত্র, মন্ত্র ইত্যাদিতে কাজ করারমত বা ফল প্রদান করার মত শতকরা ৩ জন ব্যক্তিও খুজে পাওয়া যাবে না। অনেকেই আবার নিজেকে জীন হুজুর বলে দাবি করে থাকে জীন দ্বারা কাজ করা হয়, জীন চালান করা হয়, আমরা আমাদের কাজের স্বার্থেই এমন অনেক ভুয়ো লোকের সন্ধান যানি যারা স্রেফ মানুষকে ভেলকি বাজি দেখানোর মত কিছু কারসাজি ছাড়া কিছুই করে না। একটি কথা সকলের যানা উচিৎ প্রথমত তন্ত্র মন্ত্র বিদ্যা কাজে লাগিয়ে কিছু পেতে হলে তার অনেক নিয়মাবলি মানতে হয়, অনেক কষ্ট ও ত্যাগের বিনিময় এই বিদ্যা আয়ত্বে আসে, মন চাইলো আর কিছু চটি বই কিনে যদি তন্ত্র বিদ্যায় পারদর্শী হওয়া যেত তবে জগতে আর কিছুই করার প্রয়োজন হতো না। তেমনি জীন সাধক আমাদের সমাজে রয়েছে এটি সত্য তবে আসলে এটি একটি শক্তি সাধনা, কোন জীন সাধক তার জীনকে অন্যের কাজে ব্যবহার করতে পারবে না। তার শক্তি তার ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ব্যবহার করতে পারবে। নিজেই শুধু উপকৃত হতে পারবে। যারা এ ধারনের আজগুবি কথা সমাজে ছড়ায় তারা নিজ স্বার্থ উদ্ধার ছাড়া কিছুই করে না। জীন হুজুরের যদি জীন চালান করার ক্ষমতাই থাকতো সব কিছু জানার ক্ষমতাই থাকতো তবে সে হয় শেখ হাসিনা নতুবা বারাক ওবামার পি এ হিসেবে জব করতো। মনে রাখবেন নিজ জীবনে উন্নতী নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্যই কেবল সাধনা বিধি কাজে লাগানো সম্ভব অন্যের ক্ষতি বা উপকার করা সম্ভব নয়। তবে টোটকার মাধ্যমে অনেকে মানুষের নানা বিধ ক্ষতি সাধন করে থাকে আমরা ভাবি তার পিছনে কালি লাগিয়েছে বা জীন লাগিয়েছে, এটা ভুল। সম্পূর্ণ ভুল। আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছি জীন সাধনা বা কালি সাধনা বা পরী সাধনা করার বাসনা নিয়ে কিছু ভন্ডদের কবলে পরে সবকিছু হারাই, অনেকে নাকি জীন বিক্রিও করে বলে আমরা শুনেছি আসলে এর শতভাগ বানোয়াট গাল গল্প। বিংশ সতাব্দিতে এই সকল বিষয় নিয়ে এখন অনেক গবেশনা চলছে এর রহস্য উদ্ধারের চেষ্টা চলছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির মত চ্যানেলে প্রায়শই এই বিষয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান রাত্রি কালিন প্রচার হয়ে থাকে। আপনারা নিজেরা দেখেই হয়তো অনেক কিছু বুঝতে পারবেন। যারা সাধনা করতে আগ্রহী তাদের বলবো আপনারা বর্তমান সময় উপযোগী সাধনাগুলো করুন এতে শতভাগ ফল পাবেন কিন্তু যদি আদি সাধনাগুলো করেন তবে অবশ্যই আপনাকে সেই ধরনের প্রিপারেশন নিতে হবে, অনেকে কিছু গল্প ছরিয়েছে যে জীন সাধনা নাকি ১ কিংবা ৩ কিংবা ৭ দিনেই সম্ভভ। আমরা সারা বিশ্বের ( ইন্ডিয়া, পাকিস্থান, মায়ানমার, ভুটান, ত্রিপুরা, চায়না, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, ফ্রান্স, আমেরিকা ইত্যাদি) অনেক দেশের স্বনাম ধন্য তান্ত্রিকদের সাহায্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি, কোথাও এই ধরনের আজগুবি কথা শোনা যায় নি যে জীন সাধনা এতো স্বল্প সময়ে সম্ভব, জীন সাধনার জন্য এক চিল্লা (৪১ দিন )থেকে তিন চিল্লা পর্যন্ত লাগতে পারে, আর এই সাধনা শতভাগ সফল না হওয়া পর্যন্ত কোনরুপ ফল পাওয়ার আশা পরিপূর্ণ বৃথা। তেমনি ভাবে পরী সাধনা, অপ্সরা সাধনা ৭ থেকে ২১ দিন বা আরো বেশি লাগতে পারে এ ক্ষেত্রেও সাধনা পরিপূর্ণ সফল হতে হবে। এমনি ভাবে যগতের প্রায় শহস্রাধিক প্রচলিত সাধনা রয়েছে যার সর্বনিন্ম সাধনা কাল ৭ দিন।।
আমরা নিজেরা সাধারনত সর্বসাধারনদের “ত্রাটক” সাধনা করতে উদ্বুদ্ধ করে থাকি কারন, এই একটি মাত্র কাষ্টমাইজ সাধনা যা ব্যক্তির সার্বিক মনো কামনা পূর্ণ করতে সক্ষম সেই সাথে এটি পরিপূর্ণ বিজ্ঞান ভিত্তিক এবং এটা থেকে ফল পাওয়ার জন্য সাধককে সাধনা পরিপূর্ণ সফল হওয়া অব্দি প্রতিক্ষা করতে হয় না, “ত্রাটক” সাধনা শুরু করার প্রথম সপ্তাহ হতেই সাধক তার ব্যক্তি জীবন উৎকর্ষের জন্য এই বিদ্যা তার কাজে লাগাতে পারে। একজন ব্যক্তি তার নানা বিধ সমস্যা ও তার সার্বিক জীবনের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার জন্য “ত্রাটক” এর বিকল্প কিছু হতেই পারে না।।
আপনি যখন যেখানেই আপনার কাজের জন্য কোন ধারনের তান্ত্রিকের স্বরনাপন্ন্য হন না কেন অবশ্যই পূর্বে তার সর্ম্পক্যে খুব ভালো ভাবে যেনে শুনে তারপর তাকে কাজ দেওয়াটাই উত্তম। 
আমরা কোন ভাবেই যেন আমাদের স্বপ্ন পুরুন করার অভিপ্রায় নিয়ে অন্ধ্যের মত কোন ভন্ডের কাছে প্রতারিত না হই।। ভালো থাকবেন সকলেই।।

বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৬

নজর দোষ (Evil Eye)


আনন্দময় জীবনের খোজে, স্বপ্ন পূরনের অঙ্গিকার নিয়ে, ঝামেলা ও দুশ্চিন্তা ময় জীবন থেকে একটু দুরে আপনাকে বিচরন করাবো, স্বপ্নীল অনুভুতিতে ভরে উঠবে আপনার হৃদয় ময়। আপনাদের মনো দৈহিক, পারিবারিক, সামাজিক সমস্যা গুলোর সমাধান দিতে আমরা নিরলোস কাজ করে যাচ্ছি, আমরা আজ যে বিষয়টি নিয়ে পোষ্ট করছি তা ইদানিং সময়ে আমাদের কাছে আসা সর্বাধিক ক্লাইন্টের সমস্যার মধ্যে একটি বড় সমস্যা অনেকে আমাদের কাছে যানতে চাইছে, তাদের দুর্ভাগের অবসান ঘটানো সম্ভব কি না, আসলে মানুষের জীবনে একটি নাটকিয় ঘটনাপ্রদ একটি বিষয়, এখানে কখন সু-সময় কখন বা দুঃসময় চলতেই থাকে তবে কিছু কিছু মানুষের দুর্দিন যেন তাদের পিছ ছারতেই চায় না, নিখুত ভাবে একটি ভালো কাজ করলেও দেখা যায় তার ফলাফল সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে ধরা দেয়, আপনি হয়তো খুব ভালো পরিক্ষা দিলেন রেজাল্ট দেখে আপনার নিজেরই চক্ষু চরক গাছ, আপনার সাথে র্দিঘ্যদিনের সর্ম্পক্য রয়েছে একটি ছেলে বা মেয়ের হটাৎ কোন কারন ছাড়াই সে আপনাকে ফেলে অন্যের টানে চলে গেল, আপনার সুখের সংসারে হটাৎ করে কালো মেঘের ঘনঘটা দেখা দিয়েছে, এমন হাজারো সমস্যা যা আপনাকে গিলে খাচ্ছে এসবের পিছনে অনেক কারন থাকতে পারে তবে সব চাইতে যে বিষয়গুলো গুরুত্বর্পূন সেগুলো হচ্ছে-প্রথমত  নজর দোষ, দ্বিতীয়ত গ্রহদোষ, তৃতিয়ত কর্মফল। আসলে এসব আমরা যদি একটু বুঝে শুনে চলি তাহলে এই সমস্যাগুলোরে অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব আবার প্রতিকার করাও সম্ভব। অনেকে তন্ত্রবিদ্যার উপর বিশ্বাষ বা আস্থাই রাখে না। কিন্তু এটা এখন বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত যে মানুষের চোখের চাহুনির একটি বিশাল প্রভাব পড়ে মানুষের জীবনে, পার্শ্ববর্তি দেশ ভারত চিন হতে শুরু করে পশ্চিমা দেশগুলোতেও এখন এই নজর দোষ ও এ থেকে মুক্তির বিভিন্ন তদবীর বা উপায় বের করা হয়েছে। এরপর আসছি গ্রহদোষ নিয়ে আমরা জানি আমাদের পৃথিবী নামক গ্রহটিকে ঘিরে আরো অশংখ্য গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র ঘুরে বেরাচ্ছে, আর এ সবের প্রতক্ষ্য ও পরক্ষ প্রভাব আমাদের পৃথিবীতে ব্যপক ভাবে রয়েছে যা আমাদের জীবনের সাথেও সর্ম্পূনরুপে জরিত। আমরা প্রাচীন কাল থেকেই তান্ত্রিক জগত বা জ্যোতিষ শাস্ত্রে এই গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাব সর্ম্পক্যে জেনে আসছি, একটি মানুষকে রাস্তার ভিক্ষুক থেকে সর্ব্বাধিনায়ক, আবার সন্মানের চরম সিমা থেকে রাস্তার ভিক্ষুক বানাতে যার অবদান অপরিসিম। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় আমাদের কিছু দৈনন্দিন জীবনের ছোট খাটো কাজের ভুল যা আমাদের অজান্তে অবহেলায় হয়ে যায় বা ঘটে যায়, যার খেশারত আমাদের দিতে হয় পরবর্তীতে করায় গন্ডায় অনেক, আমাদের জীবনে এমন অনেক বিষয় আছে যা আমরা প্রতিনিয়ত করেই চলছি আবার প্রতিনিয়ত তার ফল ভোগ করছি এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তর একটি পোষ্ট পরবর্তীতে আপনাদের সামনে তুলে ধরার ইচ্ছা পোষন করছি। আজ আমরা আপনাকে সাধারন নজর দোষ কাটানোর জন্য কি করবেন কোথায় যাবেন তা বলবো। এই প্রকৃয়া আজ হতে নয় অনাদী কাল হতেই চলে আসছে যেমন ছোট বেলায় অনেকে দেখেছেন ছোট্ট বাচ্চার কপালে কাজলের কালো বড় টিপ দেওয়া বা শরীরের কোথাও কাজলের ফোটা দেওয়া, কিছু কিছু গ্রাম গঞ্জে দেখা যায় অনেক ফলবান বৃক্ষে গরুর দাতের পাটি ঝুলছে, কোন বাস ট্রাক বা ছোট যান বাহনের পিছনে ছেড়া জুতা বেধে দেওয়া আছে, অনেকেই দেখেছেন বাচ্চাদের পেট খারাপ হলে শুকনো মরিচ পুরতো আগের নানি দাদি রা, আবার মাটির হাড়ীতে পাটের দড়ী দিয়ে আগুন লাগিয়ে পানিতে ডুবিয়ে রাখতো এমনি হাজারো নিয়মা বলি অঞ্চল ভেদে ভিন্ন ভিন্ন বিষয় চোখে পরতো যা এখন প্রায় আমাদের দাদি নানিদের সাথেই হারিয়ে গেছে কিন্তু তৎকালিন সমস্যাগুলো এখনো রয়েছে আমাদের মাঝে। আপনারা যদি কখনো কোন উদ্ভট কোন সমস্যায় বা এমন কোন অসুখে পরেন যা সাধারন কিন্তু সাধারন চিকিৎসায় দুরিভুত হচ্ছে না তবে ধরে নেওয়া যায় যে হয়তো নজর দোষের কবলে পরেছেন, এমনি বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে উপরে উল্লেক্ষিত বিষয়গুলো দ্রষ্টব্য। আপনাদের এ ধরনের সমস্যার জন্য আমাদের টোটকা পেইজটাতে বেশ কিছু টোটকা প্রদান করা আছে যা আপনি খুব সহজেই বাড়ীতেই করতে পারবেন এবং সমস্যা থেকে দুরে থাকতে পারবেন নতুবা আমাদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমেও আপনার সমস্যার সমাধান নিতে পারেন।। ভালো থাকবেন সকলেই।।

শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

ত্রাটক; Psychic Power; অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা ইত্যাদির সত্যতা কতটুকু ??? (পর্ব 2)


আমাদের সকলের মাঝেই রয়েছে আত্ত্ব অলৌকিক সুপার ন্যচেরাল কিছু পাওয়ার যা আমরা সাধারন ভাবে বুঝতে না পারলেও জীবনের কোন না কোন সময় তা ঠিকই উপলব্ধি করতে পারি, বিশেষ করে আমরা যখন অবচেতন হৃদয়ে বা অন্যমনষ্ক ভাবে থাকি তখনি অনাকাঙ্খীত ভাবেই অনেক সময় আমাদের সাথে কিছু ঘটে যায় যা আমরা সেই মুহুর্তে তো আশ্চার্য্য জনিত হই কিন্তু পরক্ষনেই তা বেমালুম ভুলে যাই। আমাদের “ত্রাটক” সাধনার উদ্দেশ্য হচ্ছে সেটাই যা আমাদের অভ্যন্তরে লুকায়িত শক্তিকে আমাদের প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করার অবস্থায় নিয়ে আসবে। আমরা যদি এটা ভুলে যাই যে আমাদের এই মানব জন্ম নেওয়া কোন সাধারন ব্যপার তবে আমরা ভুল করবো, আমাদের এই পৃথিবীর মুখ দেখতে লক্ষকোটি জিবনকে (ভ্রুন) ডিঙ্গিয়ে তারপর আমরা আজ আমরাতে পরিনত হয়েছি। আমরা যারা স্রষ্টাকে বিশ্বাষ করি তারা একটু গভির ভাবে ভাবলেই বুঝতে পারবো এই মানুষ্যরুপ যিনি দিয়েছেন যিনি আমাদের এই ব্রহ্মান্ড জয় করার মেধা দিয়েছেন তিনি কি আমাদের মাঝে কোন শক্তিই দিয়ে পাঠায়নি।। অবশ্যই দিয়েছে- অনাদি কাল হতে আমাদের যান্ত্রিক যুগের পূর্বেও আমরা আমাদের এই আধ্যাতিক শক্তির ব্যবহারে নানা বিধ অসাধ্য অকল্পনীয় কর্ম সাধনের কথা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে শুনে আসছি। এটা কোন গাল গল্প নয়, কোন লোক গাথাও নয়। আমরা স্যাটেলাইট যুগে বাস করি আমরা এখন পৃথিবীর আনাচে কানাচের খবর মুর্হুতেই জানতে পাই, আজও আমরা দেখি তিব্বতের সাধুদের কথা, ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন জাতীর কথা আফ্রিকা ইউরোপের বিভিন্ন টাবুর প্রকৃয়া ও তার ব্যবহারের কথা। এসব কিছু তো আর মিথ্যা নয়। তবে হ্যা ম্যাজিক মানুষকে বিষ্মিত করার জন্য দেখানো হয়- সাধনা নয়। সাধনা মানুষের লুকায়িত শক্তি যা তার নিজ প্রয়োজন পূর্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধনা আর ম্যজিক এক বিষয় নয়। আপনি সাধনা দ্বারা আত্ব অলৌকিক শক্তি অর্জন করে তা জন সম্মূখ্যে শক্তি প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনি তা নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন কিছু উদাহরন দেয়া যাক- বর্তমানে ইসলামী তন্ত্রে বহুল ভাবে ব্যবহৃত “পরী সাধনা” ইহা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাধনা কিন্তু এর দ্বারা সাধক কি প্রাপ্ত হন? পরী সাধনা করলে কি সে কোহে কাফের পরীকে বিয়ে করতে পারে ? তাকে দিয়ে অজশ্র সম্পদ হাসিল করতে পারে? তা কিন্তু নয়। পরী সাধনা দ্বারা আপনার ভৌতিক নারী চাহিদা পূর্ন হতে পারে, আপনার অনেক অজানা বিষয় জানতে পারেন, আপনি ভবিষ্যতের কিছু ইঙ্গিত পেতে পারেন এই মাত্র। নারী চাহিদা পূরনের ক্ষেত্রেও আমাদের অনেক সাধকের মাঝে কিছু ভিন্নতা রয়েছে যেমন কেউ ঘুমন্ত অবস্থায় স্বপ্নঘোরে তার সাখ্যাৎ পেয়ে থাকে, কেউ জাগ্রত অবস্থায় কোন নারীকে অনাকাঙ্খীত ভাবে পেয়ে থাকে, আবার কেউ কাঙ্খীত নারীকেও পেয়ে থাকে তবে তা সম্পূর্ন ভাবেই জগতের অন্য সকলের চোখের আড়ালেই রয়ে যায়। তবে এ বিষয় সাধক কখনো কাউকে বলতে পারে, না কেউ তা দেখতে পায়। তবে এখানে একটি বিষয় “স্বপ্ন সেটা যা আপনাকে ঘুমাতে দেয় না, স্বপ্ন সেটা নয় যা আপনি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখেন”। অনেকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে যানা যায় যে কেউ কেউ পরী সাধনার দ্বারা তাদের রাজ্যেই বিচরন করে এবং সে তাকে এ জগতেই নিয়ে এসে রাখে, এবং তা এতোটাই জীবন্ত যে প্রতিদিনের স্বাভাবিক সকল মানুষের মতই সে তার কাছে বাস্তব। তবে সবার ক্ষেত্রে একই নয়।একজন সাধকের বানীতে যানা যায় যে সাধনার পর থেকে তার আহ্বান ছাড়াই জাগ্রত অবস্থায় তার রুমে প্রতিদিন একটি অপরুপ নারীর আগমন ঘটতো এবং সন্ধ্যা হতে সকাল পর্যন্ত তার যাবতীয় সংসারে সকল কর্ম করে সে বিদায় নিত। মেয়েটিকে সে চিনতো তার আসে পাসের’ই কেউ কিন্তু কোন বাড়ী বা কতদুরে থাকে সেটা সে কখনই দিনের বেলায় খুজে পাই নি। এমন অনেকের অনেক রকম অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই সাথে যে সকল সাধক এই বিষয় তার কোন কাছের লোকের কাছেও ব্যক্ত করেছে গুরু ছাড়া সে চিরতরে তাকে হারিয়েওছে।। এমনি ভাবে প্রতিটি সাধনার গোপনিয়তাই তার শক্তি ও সার্থকতা। বিজ্ঞানে এমন হাজারো অতিপ্রাকৃত বিষয় রয়েছে যা প্রমান সাধ্য নয়, এবং কখনই তা প্রমান করা সম্ভবপর হবেও না, যেমন অনেক সাধক গন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বিচরন করে, তার প্রয়োজন পূরন করতে সে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চোখের পলকেই ঘুরে আসে কিন্তু তা প্রমান করা না তো সাধকের পক্ষে না তো বিজ্ঞানের পক্ষে সম্ভব, হিপনোটাইজের মাধ্যমে এক ব্যক্তি অন্য আরেকজন ব্যক্তিকে সম্পূর্ণরুপে অপ্রকৃতিস্থ করতে পারে কিন্তু সেটা কোন ধরনের রেডিয়েন্স ব্যবহার হচ্ছে তা বিজ্ঞানের জ্ঞ্যানের বাইরে। ট্যলিপ্যাথির মাধ্যমে এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির সাথে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে বিজ্ঞান এটা চর্চা করছে দির্ঘদিন যাবৎ কিন্তু সেটা কোন শক্তি বলে ঘটে থাকে এবং কোন রেডিয়েশনে তা বিজ্ঞানের জ্ঞ্যানের বাইরে রয়েছে। অটো সাজেশনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে ১ বছর পরের কমান্ড প্রদান করা সম্ভব যা নির্দিষ্ট সময় তার অবচেতন মনেই তা করে ফেলে কিন্তু সেটা কি ভাবে ঘটে তা প্রমান সম্ভব নয়। তেমনি “ত্রাটক” সাধনা দ্বারা আমরা আমাদের মাঝে লুকায়িত সেই শক্তিকে ব্যবহার করার উপযোগি করে থাকি যা একজন সাধরন মানুষকে সুপার ন্যাচেরাল হিউম্যানে রুপান্তরিত করে থাকে। তবে এর মানে এই নয় সে জন সম্মুখ্যে হাত উপরে তুলে সুপার ম্যানের মত উড়ে যাবে। তবে এমন কিছু সে করতে পারবে যা সে নিজেও কখনো স্বপ্নযোগে বা কল্পনাতে ভাবতে পারেনি। “ত্রাটক” সাধনার একজন মানুষ যে কোন ধরনের অসাধ্যকেই সাধন করতে পারবে তার প্রাকটিস ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত চর্চায়। সে তার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তার জীবনকে উপভোগ করতে পারবে, তার সমস্ত চাওয়াকে পাওয়াতে রুপান্তরিত করতে পারবে। চলবে………..

লটারী ও জুয়ার তদবীর-lottery or gambling


সাধারন ভাবে আমরা সকলেই জানি যে কোন তন্ত্র, মন্ত্র, কবচ, জীন, পরী ইত্যাদি দিয়ে লটারীতে জয়লাভ করা সম্ভব নয়, আমরা বতর্মান সময় টিভি মিডিয়ায় ও ইন্টারনেট জগতেও বেশ কিছু আকষর্নীয় বিজ্ঞাপন দেখতে পাই লটারী পাইয়ে দেওয়া জীন হুজুর, পীর বাবা, ফকির বাবা ইত্যাদি। বাস্তবতা এটাই যে এরা সকলেই নিজেদেরই একটি লটারীর মাধ্যমে আপনাদের কষ্টে অর্জিত অর্থ্য আত্ত্বসাত করছে। যেমন একটি বিষয় ভেবে দেখুন আপনার সামনে যদি একটি টার্গেট থাকে আর নিক্ষেপ যোগ্য ঢিল বা ক্ষেপক অনেক থাকে তবে অনেকগুলো ঢিল ছুড়লে টার্গেটে একটি লাগাটা স্বাভাবিক ঠিক তেমনি এসব বিজ্ঞাপন দেখে হাজার হাজার ভাগ্যবিরম্বিত সাধারন মানুষ যখন তাদের স্বরনাপন্ন হয় তখন তাদের মাধ্যে একজন ভাগ্যবান লটারী প্রাপ্ত হওয়া অসম্ভব নয়, আর এই হাজারে দু একজন তখন তাদের বিজ্ঞাপনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকে তবে বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত অধিকাংশ নাম ঠিকানা ছবি সর্ম্পূনই ভুয়া।। তাই সবর্সাধারনকে এই সকল প্রতারকদের থেকে সাবধান থাকার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।।
তান্ত্রিকতায় বা তদবীরে লটারীতে জয়লাভ সম্ভব নয়। যেটা সম্ভব তা হচ্ছে একজন মানুষের বিভিন্ন কারনে ভাগ্যবিরম্বনা ঘটে থাকে যেমন গ্রহদোষ, নজর দোষ, কাল দোষ, মানুষিক বিক্ষিপ্ততা ইত্যাদি থেকে মুক্তি দেওয়া, আপনার জীবনে হয়তো অনেক সুযোগ রয়েছে কিন্তু এ ধরনের কোন দুষ্টির কারনে আপনি প্রতিনিয়ত সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে আপনি সেই দুষ্টি দুর করতে পারেন তদবীরের মাধ্যমে সে ক্ষেত্রে আপনার লটারী ভাগ্য প্রসন্ন হতে পারে বা আপনার আর্থিক সমস্যার লাঘব হতে পারে। অনেক সময় তদবীরের মাধ্যমে এবং নিউমারোলজী যোত্যিষের মাধ্যমে আপনার জীবনের লাকি নাম্বার বের করে সেটি আপনার জন্য একটি সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তবে এর মানে এই নয় যে আপনি সংগে সংগে একটি লটারী বা জুয়াতে বসলেন আর জয়লাভ করলেন, আপনি বিজয়ী হবেন তবে সেটা সময় সাপেক্ষ সেই সাথে আপনার মানষিক কন্সালট্রেশণ যথেষ্টে পরিমান থাকার পরেই, আপনি যদি স্বপ্নেশ্বরী দেবীর সাধনা করেন বা ত্রাটক সাধক হয়ে থাকেন তবে আপনি আপনার সামনের যে কোন অগ্রগামী শুভ বা অশুভ বিষয়কে উপলব্ধি করতে পারবেন সেই সাথে তার প্রতিবিধান করাও আপনার পক্ষে সম্ভব হবে। আপনি যদি আপনার লটারীভাগ্য বা যে কোন ধরনের জুয়া খেলায় জয়লাভ করতে চান তবে তার জন্য অবশ্যই আমাদের সাহায্য গ্রহন করতে পারেন। তবে এটি অবশ্যই সময় সাপেক্ষ, ব্যায়বহুল ও স্থায়ী প্রতিকার।।www.montroguru.com

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

বশিকরণ (Boshikaran)


আমরা আমাদের প্রিয়জনের মনোযোগ আর্কষন করার জন্য যা করে থাকি তাকেই বশিকরন বলে ধরে নেই আসলে কিন্তু বশিকরন অনেক ভাবেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে যেমন অল্প কথায় যে কোন প্রানীকে তার নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে আপনার প্রতি আর্কষন করাকেই বশিকরণ বা আর্কষন বিদ্যা বলা যেতে পারে, এটা হতে পারে পূরুষ বা মহিলা, আবার আপনার অফিসের কর্মকর্তা বা কর্মচারী, আপনার সন্তান বা পিতা মাতা, আপনার স্ত্রী বা প্রেমীকা সে যেই হোক না কেন যখন আমরা লক্ষ করি- কেউ যদি আমাদের প্রতি অনিহা প্রকাশ করে বা এক সময় খুব ভালো সর্ম্পক্য ছিল কিন্তু এখন আর তেমন ভালো আচরন করছে না এড়িয়ে চলছে, অন্য কাউকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এমনটি দেখলেই আমরা বশিকরন করার প্রয়োজন অনুভব করি। সেটাও তখন যখন আমরা স্বাভাবীক ভাবে সেটা করার রাস্তা খুজে না পাই বা সেটা সম্ভব না হয়ে উঠে। 
আজ আপনাদের দেব এমন একটি তান্ত্রীক পদ্ধতী যা বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বের অধিকাংশ্য স্বনাম ধণ্য তান্ত্রিকগন বশিকরনের কাজে ব্যবহার করে। 
প্রয়োজনীয় সরঞ্জামঃ 
১। ৬টি মোমবাতী, সবুজ, নীল, লাল, হলুদ, গোলাপী (দুটি)।
২। পঞ্চঁ কৌনিক তান্ত্রিকাসন।
৩। একটি দিয়া-শালাই।
৪। নির্জন গৃহ।
৫। শরীরের জন্য এক রঙ্গা বস্ত্র।
সময়ঃ 
শুক্ল পক্ষের রবি কিংবা বৃহস্পতি বার বা পূর্ণ চন্দ্রিমার রাত্রী ১০ টার পর হতে।
বিধিঃ
তান্ত্রিক আচার পূর্বের ৫-৭ দিন মেনে চলতে হবে, গুরুর অনুমতি অবশ্যক।
করনীয়ঃ
সর্বপ্রথম আসন পেতে আপনি দক্ষিণ কোণে বসবেন, উত্তরে সবুজ মোমবাতি, হলুদ মোমবাতি পূর্ব কোনে এবং পশ্চিম প্রান্তে নীল মোমবাতি রাখুন, দিয়াশালাই দিয়ে সকল মোমবাতি গুলো জালিয়ে দিন, আপনার দুই হাতে গোলাপী মোমবাতিগুলো ধরে রাখবেন আর লাল মোমবাতি আপনার সম্মুখ্যে থাকবে।
মন্ত্রঃ 
প্রেমিকার নাম সহ এই মন্ত্রটি উচ্চারন করতে হবে,  ততক্ষন পর্যন্ত যতক্ষণ মোমবাতি জলতে থাকবে, মন্ত্র উচ্চারন এমন হতে হবে যেন আপনি নিজ কানে তা শুনতে পান এবং তাতে নিজের কনসালট্রেশন ও আপনার প্রেমিকার প্রতিচ্ছবি হৃদয়ে থাকতে হবে।
আলতো অবস্থায় চক্ষু বন্ধ থাকবে। 
ডিউরেশনঃ
সাধারনত এক বৈঠকের তদবীরেই উদ্দেশ্য সাধন হয়ে থাকে তবে প্রয়োজন বোধে ও শক্ত হৃদয়ের জাতকদের জন্য পর পর তিনটি আসন দিতে হতে পারে।

মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০১৬

সুখবর- সুখবর- সুখবর

আমাদের মুসলিম ক্লাইন্টদের সুবিধার্থে পাকিস্থানের স্বনামধন্য তদবীর কারক কর্তৃক এজাজত ও নানা বিধ সমস্যার ওজিফা প্রদান করা হচ্ছে, যা আপনার পরিবারের সুখ সমৃদ্ধির জন্য আপনার সংসারে শান্তি আনায়নের জন্য, অযথা হয়রানী, ঝগড়া/ঝাটি, দাঙ্গা/হাঙ্গামা, মামলা/মোকদ্দোমা ইত্যাদি না প্রকার অশান্তি জনক অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে, আপনার সন্তানের সুখের জন্য, আপনার সন্তানের সু-স্বাস্থের জন্য, তাদের লেখাপড়ায় মনোযোগিতা বাড়ানোর জন্য, বদ অভ্যাস, অসৎ সংগ্য থেকে দুরে রাখার জন্য, আপনার চাকুরীতে উপরস্ত অধ্বনস্থদের চক্ষুশুল থেকে মুক্তি পেতে, আপনার ব্যবসা বানিজ্যের অবনতী ঠেকাতে, কোন বদ লোকের নজর দোষ থেকে নিজেকে নিজের স্থাবর আস্থাবর সকল কিছুর হেফাজতের করতে, আপনার মনের মানুষের নিকট ভালোবাসা পেতে আপনার মনের মানুষের মনে আপনার প্রতি জেগে উঠা বিতৃষ্ণা দুর করতে, আপনার শারীরিক কোন অনাকাঙ্খীত সমস্যা দুরীকরনে এমন হাজারো লাখো সমস্যার সমাধান রয়েছে মহান রাব্বুল আলামীনের গুন বাচক নাম ও তার পেয়ারে নবী নুরে মুহাম্মদ আহম্মদে মুস্তফার পবিত্র নাম মুবারকের মাঝে সেই সাথে পবিত্র কোরানুল কারিমের বিভিন্ন লুকায়িত আয়াতে সেফার মাধ্যমেও আপনার আকাঙ্খা পূর্তি হতে পারে। যে বিষয়গুলো হয়তো আপনিও জানেন কিন্তু ছিলছিলা না থাকার দরুন কোন বুর্জুগানে দ্বিনের এজাজত না থাকার দরুন যা আপনার কোন কাজে আসে না, আজ তার প্রতিকারে ব্যবহার করতে  আপনাদের সমস্যা ও বিবরণ আমাদের মেইল করে এই সুবর্ন সুযোগের অংশিদার হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।


ধন্যবাদ

মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৫

ত্রাটক; Psychic Power; অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা ইত্যাদির সত্যতা কতটুকু ???

আমরা ত্রাটক; Psychic Power; অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা ইত্যাদির বিষয় ধারাবাহিক ভাবে আলোচলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি-
আশা করছি আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন, আসলে আমরা কি জানি এ বিষয়ে আর বর্তমান বিজ্ঞান কি বলে পূর্বযুগের যে গল্প কাহিনী আমরা প্রতিনিয়ত শুনে আসছি বা বর্তমানেও কিছু কিছু দেখি আসলে কি তার কোন সত্যতা রয়েছে নাকি সবকিছুই ধাপ্পাবাজি !!!

আমরা যারা বর্তমানে নিজেকে শিক্ষিত বলে দাবি করি তাদের মাঝে অধিকাংশ্যই তন্ত্র মন্ত্র অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা, সাইকিক পাওয়ার ইত্যাদিকে মোটেও পাত্তা দেই না এবং এ বিষয়গুলো ভুয়া বলেই উড়িয়ে দেই, কিন্তু বর্তমানে স্যটেলাইটের যুগে পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া প্রতিটি খবর আমাদের নখদর্পনে, আমরা আজ যানতে পারি কখন কোথায় কি ভাবে কি ঘটছে কেন ঘটছে তার পূঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। আমরা যারা নিয়মিত ভাবে ডিসকোভারী, ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেলগুলো রাতের দিকে দেখি তবে অনেক অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা তন্ত্র মন্ত্রের প্রকপ ও তার প্রভাব সর্ম্পক্যে জানতে পারি সেই সাথে এ্যলিয়ন প্রেতাত্ত্বা বা অশরীরি সর্ম্পকেও বিস্তারিত জানতে পারি। আসলে যে এ বিষয়গুলো নিছক ছেলে খেলা বা চোখের ভুল নয় বা গাল গল্প নয় তা প্রমানের জন্য এখানে সম্পূর্ণ ডকুমেন্টরি মাঝে মাঝে দেখানো হয়। পশ্চিমা বিশ্বের ভুডো বা টাবু সর্ম্পকেও বিস্তারিত তথ্য এখানে নিয়মিত দেখানো হয়। আসলে এসব কি ? আমাদের এবারের প্রয়াস এই মিরাকল বিষয়ের উপর থেকে কিছু পর্দা তুলে সর্বসাধরনের জ্ঞ্যাত করানো। সত্য চিরন্তন মিথ্যার দৌর খনস্থায়ী কোন মিথ্যাই এক নাগারে অধিক দিন স্থায়ী হতে পারে না, তাহলে তান্ত্রিক উপাচার কি ভাবে মিথ্যা হতে পারি যা যুগ যুগ ধরে সমাজে তার স্ব-মহীমায় টিকে আছে। একথা সত্য কিছু অসাধু সমাজের কিট কুলাঙ্গার তাদের নিচমানুষিকতার জন্য যারা তান্ত্রিকতার নামে সাধারন জনগনের সাথে প্রতারনা করে তাদের মনে বিভ্রান্তি ও অনাস্থা অবিশ্বাষের বীজ বপন করেছে। তবে আমাদের এটাও মানতে হবে কয়লার মাঝেই হিরকের অবস্থান, এমন হাজারো তান্ত্রিক সিদ্ধ পুরুষ সাধুজন এখনো রয়েছে যাদের নিরলস সেবা সাধনা দ্বারা সাধারন মানুষ আজও উপকৃত হয়ে আসছে। আজও মানুষের হৃদয়ের মনি কোঠায় স্থান করে আছে।
সকল সাধক কিন্তু সমাজের জন্য সুভকর নয় কিছু সাধক রয়েছে যারা নিজ স্বার্থ সিদ্ধির জন্য অন্যের ক্ষতি সাধন করে, অন্যের জীবনকে ধ্বংস করে যে কারনেেই আমাদের সমাজে তান্ত্রিকতার কদর কমে গেছে এবং লোক চক্ষুর আড়ালে সকল কর্মকান্ড করে থাকে।
তান্ত্রিকতার গোপনিয়তাই শক্তি, আজও কোন সিদ্ধ পুরুষ তার শক্তি জনসম্মুখ্যে প্রকাশ করে না, তবে আমাদের দূরদৃষ্টি সেসকল গুনিজনদের কাজ সিদ্ধ পুরুষদের মহিমা ঠিকই দেখতে পায়। এখনো সমাজের প্রতিটি পরতে পরতে তার নমুনা দেখতে পাই। ডিসকোভারী/ন্যাশনাল জিওগ্রাফী চ্যনেলগুলোতেও দেখতে পাই কয়েকদিন আগেও একটি সম্পূর্ণ দুরারোগ্য ব্যধি যা বিজ্ঞানের যুক্তিতে কোন ভাবেই উপসম হবার নয় তা থেকে একজন নারী একজন সিদ্ধ পূরুষের স্বার্নিদ্ধে এসে অকল্পনীয় ভাবে সেরে উঠেছে সম্পূর্ণ রুপে রোগ মুক্ত হয়েছে যা বিস্তারিত ভাবেই দেখানো হলো, এমনি হাজারো ঘটনা আমাদের সমাজেই আমারা প্রতিনিয়ত অবলোকন করছি।। অথচ আমরাই জনসম্মূখ্যে বলে বেরাই এই সকল কিছু ভুয়া মিথ্যা। কিন্তু কেন ? চলবে.....