It is very glad to inform that all of our services are no longer confined to the Bengali people. Our service fulfills the needs of the beginners, raising the confidence of all religions, people, and nations irrespective of nationality in different countries of the world. That's why we started providing services in English version along with Bengal as well as for all. Besides, we have increased the quality of services and other facilities. We hope that we can play an appropriate role in fulfilling your dreams.
Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

.

.

General Information (সাধারন তথ্য)

সাধারন তথ্য

আপনি যদি দোয়া তাবিজ মন্ত্র তন্ত্র টোনা টোটকা শিখতে চান তবে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন । বর্তমান সময়ের উপযোগী বিজ্ঞান ভিত্তিক আদি ও আসল কোয়ান্টাম/ত্রাটক/দোয়া/তাবিজ/তন্ত্র/মন্ত্র/টোনা/টোটকা/ঝাড়া সমস্ত কিছুই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। অনেকের ধারনা মতে এ সকল তান্ত্রিক বিধি এখন কাজ করে না ! আমরা বলছি অবশ্যই কাজ করে এবং সঠিক ভাবে ব্যবহারে 100% কাজ করে, বিফলতার হার 00% হতে পারে, আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, শিক্ষুন এবং ব্যবহারীক জীবনে কাজে লাগান আপনি বদলাবেন, বদলাবে আপনার চারপাশ, আপনি হবেন অন্য লাখো মানুষের মধ্যে একজন অনন্য মানুষ -
************<<<=>>>************
আপনাদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমরা সদা তৎপর, আপনার যে কোন সমস্যায় আমাদের সাথে যোগাযোগের সময় বা প্রশিক্ষণের জন্য আমাদের কাছে আপনার প্রয়োজন জানিয়ে একটি মেইল পাঠান সংগে সংগে আপনার কাছে একটি মেইল যাবে যেখানে আপনার নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্ম স্থান, জন্ম তারিখ, পেশা ও আপনার সমস্যা বিস্তারিত বাংলাতে লিখে এবং সেই সাথে ডান বা বাম হাতের তালুর ( আঙ্গুল গুলো এক সাথে করে) একটি ছবি সহ আমাদের ঠিকানায় পুনরায় মেইল করুন। আমাদের সক্রিয় সদস্যবৃন্দ সেই সকল ইনফরমেশন দেখে প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষন করার পরেই আপনাকে আপনার সমস্যার সমাধান দেওয়া সম্ভব কি না বা সমস্যা সর্ম্পকিত যাবতীয় উপাত্ত, বা আপনি প্রশিক্ষণ গ্রহনের যৌগ্য পাত্র কিনা তা আপনাকে ফিরতী মেইলের মাধ্যমে যানিয়ে দিবে। এই কার্যক্রমে র্সবমোট ৩ থেকে ২৪ ঘন্টা সময় লাগতে পারে।
************<<<=>>>************
আমাদের কাছে যারা ত্রাটক, তন্ত্র, মন্ত্র, দোওয়া, তাবিজ, টোনা, টোটকা, কবিরাজী শিখতে আগ্রহী তাদের জন্য সার্বিক ব্যবস্থা রয়েছে সেই সাথে যে সকল তান্ত্রিক তাদের জ্ঞ্যান ভান্ডার আরও সমৃদ্ধ করতে ইচ্ছুক তেনাদের জন্য আমাদের ওয়েবে পর্যায়ক্রমে  বিভিন্ন আপডেট দেওয়া হবে। আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে ও অনলাইনে প্রতিনিয়ত ছাত্রদের প্রশিক্ষন দিচ্ছি। বেশ কয়েক বছর যাবৎ আমাদের এই প্রকৃয়া চলমান রয়েছে। আমাদের কাছে প্রশিক্ষণের জন্য আপনাকে মোবাইল ও ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে। আমাদের প্রশিক্ষণ চলবে মোবাইল ও ই-মেইলের মাধ্যমে। আপনাদের কাছে কোন প্রকার ইকুইপমেন্ট পাঠানোর প্রয়োজন বোধ করলে তা আমরা কুরিয়ার বা ডাক যোগে পাঠিয়ে থাকি। ।
************<<<=>>>************

আজ আপনাদের কে এশিয়া মহাদেশের ঐতিহ্যবাহী কিছু তন্ত্র,মন্ত্র, দোওয়া তাবিজ সর্ম্পকে অবগত করবো, এবং যার অনেকাংশে আমার জীবনে পরীক্ষিত। পূর্বযুগে আমাদের পূর্বশুরীরা অনেক সাধনা ও পরিশ্রম সময় ব্যায় করে যে সকল কাজ সমাধান করতেন আজও আমরা সাধারনত সেগুলো গল্পের মত শুনে থাকি  কিন্তু কোন দোওয়া বা মন্ত্র যানা থাকলেও তা কাজে লাগাতে পারি না । এর জন্য দোওয়া বা মন্ত্রের কোন দোষ নেই আসলে আমাদের কাজের কমতি থাকার কারনেই আমরা সফল হতে পারি না। আমি 100% নিশ্চয়তা দিতে পারি যদি আপনি সঠিক ভরে আমার একটি মন্ত্রও পরিক্ষা করেন তবে একবারও অসফল হবেন না।
পোষ্টে আমার কিছু মন্ত্র পর্যায়ক্রমে তুলে ধরলাম দেখুন চেষ্টা করে করতে পারেন কিনা। আজ আমাদের পেটের+ভাতের জন্য সময় দিতে গিয়ে আমরা এগুলোর জন্য কোন সময় ব্যায় করতে পারি না নতুবা এগুলো এক সময় কিছু লোকের অপ্রতিরোধ্য অস্ত্র হিসাবে কাজ করতো যা আজও সম্ভব। কারন পৃথিবীতে এমন কোন কাজের নাম নাই যা কিনা মন্ত্রের মাধ্যমে তার কিছুটা হলেও সাহায্য করা সম্ভব নয়। কিন্তু আসল দরকার সময় + শ্রম + সঠিক ভাবে পরিচালনা, আমার জানা মতে আমি দির্ঘ্য 15 বছরে দেখেছি সাধারনত সাবর তন্ত্র, উড্ডিশ তন্ত্র, উল্লক তন্ত্র, কোকা পন্ডিত, চামুন্ডা মন্ত্র, হারজে সোলাইমানী, নকশে সোলাইমানী, নকশে খিজির, তিলেশমী সোলাইমানী, মিশরীয় কারামত, লোক তন্ত্র, সাওতালী তন্ত্র, আজওয়াবে কেরামত, রুহানী আমানত, অথর্ব বেদ সহ আরও হাজারো লাক্ষ ছোট বড় নানা রকম পুস্তিকায় কোটি কোটি তন্ত্র মন্ত্রের সমাহার পাওয়া যায় এর মধ্যে আবার কতকগুলো আছে যা নিছক ব্যবসার জন্য আজগুবি বই ছাপিয়ে বিক্রি করে যা হোক আমরা লোক মুখে, বিভিন্ন কবিরাজ গুনিক, ওঝা তাদের কাছ থেকে চলমান ও কর্মক্ষম কিছু মন্ত্র আজ দেখবো এর বেশির ভাগই দেখা যায় অপভ্রংশ মন্ত্র যা আমাদের উচ্চারনে কিছুটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হতে পারে তবুও এগুলো এভাবেই উচ্চারন করে পড়তে হবে সমস্ত তন্ত্র ও মন্ত্রের মধ্যে অপভ্রংশ মন্ত্রই একমাত্র কম পরিশ্রমে তাৎক্ষনিক ফল প্রদান করে থাকে এবং টোটকার সাথে এর অনেকাংশে মিলও রয়েছে। সাধারনত আমরা কম পরিশ্রমে অধিক ফলন পেতে আগ্রহী আর এমনিতেই আমরা আমাদের নৈতিকতা ও চরিত্রিক ত্রুটির কারনে যদি কোন সাধনা বা মন্ত্র চৈতন্য করতে যাই তবে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিফলে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে তাই বর্তমানে আমাদের কাছে একটি পথেই আমার ব্যাক্তিগত ভাবে সহজ মনে হয় তা হলো টোটকা এবং কিছু অপভ্রংশ মন্ত্র, আমাদের পূর্বশুরীরা নানা রকম টোটকা করে অনেক সহজেই যেমন মানুষের অনেক উপকার করতে পারতো তেমনি ক্ষতিও করতে পারতো বর্তমানে টোটকার কোন বিকল্প আছে বলে আমার মনে হয় না- কারন আমরা দোওয়া তাবিজ লিখতে আমাদের যে সকল শর্ত পালন করতে হয় তা আমাদের খুব কম লোকের পক্ষেই সম্ভব আবার মন্ত্র পড়তে হলে দরকার তার চৈতন্য ঘটানো যেটা আরও কঠিন মনে হয় আমার কাছে আবার হিন্দু মন্ত্রগুলো কোন মুসলিম পড়তে গেলে সেটার ভাষাগত পরিবর্তন আনতে হয় আবার উচ্চারন করাটাও মুসলমানদের জন্য বেশ কঠিন ঠিক তেমনী কোন হিন্দু যদি তারই কোন মন্ত্র উচ্চারন করতে যায় তবে তাকে মানতে হবে নানা রকম বিধি নিশেধ তাকে তার জাত/শ্রেনী অনুসারে মন্ত্র উচ্চারন নির্দিস্ট করতে হবে নতুবা একটি মন্ত্র যেখানে তিন/সাত বার পাঠ করে কাজ করে সেখানে সারা জীবন তেলাওয়াত করেও কোন ফল পাওয়ার আকাঙ্খা করা বৃথা।।
আর টোটকা সর্ম্পকে বিস্তারিত জানতে বা শিখতে অবশ্যই আমাদের সাথে থাকতে হবে। আমার জানামতে টোনা টোটকার এতবড় সম্ভার আর কোন ঠিকানায় পাওয়া যাবে না আর আপনাদের কাছেও অনুরোধ যদি আপনার কালেকশনে এমন কোন মন্ত্র বা টোনা টোটকা থেকে থাকে তবে তা অবশ্যই আমাদের সাথে শেয়ার করে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জানার দরজা খুলে দিবেন।
সাধারনত প্রেম/প্রিতি-ভালোবাসা, কারও ক্ষতি সাধন, নানা রকম আজব অসুখের জন্য এগুলোর কাছে আমাদের ধরনা ধরতে হয় এবং সে সকল সমস্যা সমাধানও হয়ে যায়। কি ভাবে হয় কেন হয় এর ব্যাখ্যা আমার জানা নাই। কিন্তু হয় সেটা সত্যি।
আর বর্তমানে কোয়ান্টাম মেথড বা কোয়ান্টাম/ যোগ সাধনা এগুলোরই একটি উন্নত ভার্ষন ছাড়া আর কিছুই নয়।
আর এ সকল কিছুর মূলে রয়েছে “ত্রাটক সিদ্ধি” যা সকল তন্ত্র/মন্ত্র/দোওয়া/তাবিজের উর্দ্ধে এবং প্রবল ক্ষমতা সম্পন্ন। তবে এ বিষয়ে আরো পরে আলোচনা করবো


 আমরা যদি দৈনন্দীন জীবনে যে কোন কাজের আগে সময় ও কাজের শুভাশুভ লক্ষন দেখে তারপর কাজে অগ্রসর হই তবে তাতে অসফল হওয়ার সম্ভবনা 1-5%। আর প্রকৃতির এক অমঘ নিয়ম যে কোন শুভ বা অশুভ কাজের আগে অবশ্যই তা কোন না কোন ভাবে আমাদের জানিয়ে দেয় কিন্তু আমরা যারা বোঝার চেষ্টা করি তারা বুঝি কিন্তু যারা যানিনা তারা তো অন্ধকারেই। অনেকেই তো আবার হাস্যকর ভাবে তা বিশ্বাষী করতে চায় না এর সত্যতা যা হোক আপনাদের সামনে আমি কিছু আমাদের ভবিতব্য যানার নিয়ম দিলাম বিশ্বাষ হলে একটি বার পরীক্ষা করে দেখুন- তবে একটি কথা মনে রাখবেন ব্যক্তি ভেদে অবশ্যই ফলাফলের তারতম্য হবে। সেটাকে নিজের জ্ঞ্যনে বিশ্লেষন করতে হবে অথবা চাইলে কোন সমস্যার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

জাকি নামা-
ছায়েত নামা-
সান্ধ্য কালিন মোরগ ডাকার ফলাফল-
কড়ি চালান-


আমি এ সর্ম্পকে বিষদ কিছু লিখে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে চাই পর্যায়ক্রমে অবশ্যই আপনারা সাথে থাকবেন।

একটি কথা মনে রাখবেন মন্ত্র/দোওয়া/তন্ত্র যা কিছুই হোক না কেন বই পড়ে শুনে মুখুস্ত করে ৭ বারের যায়গায় ৭,০০,০০০ বার পড়লেও কোন ফল পাবেন না যতক্ষন না আপনি গুরুর অনুমতি এবং তান্ত্রিক আচার সর্ম্পকে না জানবেন। যে আপনাকে শিক্ষা দেবে সেই আপনার গুরু!!!

আপনাদের সবাইকে আমার সাথে কিছুক্ষণ থাকার জন্য অশেষ ধন্যবাদ