It is very glad to inform that all of our services are no longer confined to the Bengali people. Our service fulfills the needs of the beginners, raising the confidence of all religions, people, and nations irrespective of nationality in different countries of the world. That's why we started providing services in English version along with Bengal as well as for all. Besides, we have increased the quality of services and other facilities. We hope that we can play an appropriate role in fulfilling your dreams.
Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

.

.

Cured from Diseases (রোগ মুক্তি)

We will soon be giving our Ayurvedic treatment of various new / old disorders on this page, we are still unable to provide technical problems. Here are all the grateful for taking these solutions from Facebook, we just started this post on this post.

(আমরা অচিরেই আমাদের এই পেজটিতে নানা রকম নতুন/পুরাতন অসুখের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা দিব, আমাদের কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য এখনও দিতে পারছি না। এখানে এই সমাধানগুলো ফেসবুক থেকে নেয়া এর জন্য সমস্ত কৃতজ্ঞতা প্রাপ্তি এই পোষ্ট কারির আমরা শুধু এটা সাময়িক প্রচার করলাম।।)
ধন্যবাদ

ব্রণ সমস্যায় ৭ টি জাদুকরী সমাধান !

ব্রণ সমস্যা নেই এমন মানুষ বিরল। মুখ ভর্তি ব্রণের যন্ত্রণায় অনেকেই বিপদে আছেন। কতো ওষুধ খেয়েছেন, এটা ওটা মুখে মেখেছেন কিন্তু কোনো কিছুতেই কোনও লাভ হচ্ছে না। ব্রণ তো কমেই নাই বরং বিচ্ছিরি দাগ ও গর্ত হয়ে গেছে। খুব সহজেই ব্রণের উপদ্রব অনেকটাই কমিয়ে ফেলতে পারবেন ঘরোয়া ৭টি উপায়ে। তাহলে জেনে নেয়া যাক ব্রণ সমস্যা দূর করার যাদুকরী পদ্ধতিগুলো।

*সকাল বেলায় মধু দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন

মধুর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বককে ব্রণ মুক্ত করে। তাছাড়া মধু ত্বকের আদ্রর্তা ধরে রাখে এবং ত্বককে অতিরিক্ত তেল থেকে মুক্ত করে।

প্রথমে হাত ভিজিয়ে নিন। এবার হাতের তালুতে আধা চা চামচ মধু নিয়ে নিন। তারপর হাতের তালু ঘষে মধু গরম করে নিন। এরপর পুরো মুখে মধু ম্যাসাজ করে নিন ২ মিনিট ধরে। ঠান্ডা পানি দিয়ে পুরো মুখ ধুয়ে নিন কয়েকবার করে।

*রাতে জলপাই তেল ম্যাসাজ করুন

আপনার ত্বক তৈলাক্ত কিংবা শুষ্ক যাই হোক না কেনো প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে জলপাই তেল দিয়ে পরিষ্কার করলে ত্বক মসৃণ হয় এবং ধীরে ধীরে ব্রণের উপদ্রব কমে যায়।

প্রথমে হাতের তালুতে জলপাই তেল নিয়ে দুই হাতে ঘষে তেল কিছুটা গরম করে নিন। এবার এই তেলটা পুরো মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন নিচের থেকে উপরের দিকে। এভাবে প্রায় ২ মিনিট ধরে মুখ ম্যাসাজ করুন। এভাবে ম্যাসাজ করলে ত্বক থেকে মেকআপ এবং ময়লা উঠে আসবে ভালো করে। এরপর কুসুম গরম পানিতে টাওয়েল ভিজিয়ে মুখের অতিরিক্ত তেল মুছে নিন ভালো করে। এভাবে প্রতিদিন রাতে মুখ পরিষ্কার করে নিলে ব্রণ ওঠা ধীরে ধীরে কমে যাবে।

*গোলাপ জলের টোনার

প্রতিদিন মুখ ভালো করে ধুয়ে নেয়ার পরে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করার জন্য টোনার ব্যবহার করা জরুরী। কারণ লোমকূপ খোলা থাকলে ময়লা ঢুকে ব্রণের উপদ্রব বৃদ্ধি করে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গোলাপ জল বেশ কার্যকারী টোনার হিসেবে কাজ করে।

পানিতে গোলাপ জল মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে বরফ বানিয়ে নিন। সকালে বাইরে যাওয়ার আগে অথবা বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার পর এই বরফ দিয়ে পুরো মুখ ঘষে নিন। ত্বক দীর্ঘ সময় ধরে তেল মুক্ত থাকবে এবং লোমকূপগুলো বন্ধ হবে। বরফ হিসেবে ব্যবহার করতে না চাইলে তুলায় গোলাপ জল লাগিয়ে মুখটা মুছে নিলেও টোনারের কাজ হবে।

*স্ক্র্যাবার হিসেবে বেকিং সোডা

আমাদের ত্বকে মরা চামড়া ও ব্ল্যাক হেডস জমে। এগুলোর জন্য ব্রণ হয় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা হারায়। তাই ত্বককে মাঝে মাঝে স্ক্র্যাবিং করতে হয়। এক্ষেত্রে বেকিং সোডা বেশ ভালো স্ক্র্যাবার।

প্রথমে বেকিং সোডা ও সামান্য পানি মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি সারা মুখে, ঘাড়ে ও গলায় ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। এক মিনিট ম্যাসাজ করার পরে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে ব্রণের উপদ্রব কমে যাবে, ব্রণের দাগ কমবে এবং ব্ল্যাক হেডস দূর হবে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য-

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য শসা রস করে তার সঙ্গে মধু, লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। তুলার প্যাড দিয়ে মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন ৩০ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এই প্যাক নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বক উজ্জল হবে এবং দাগ কমে আসবে।


***প্রাকৃতিক উপায়ে যেভাবে মশার হাত থেকে রক্ষা পাবেন।

প্লেটের মধ্যে একটি বা ২টি লেবুকে সমান ২ভাগে কেটে নিন,
তারপর কিছু লবঙ্গ এর মধ্যে গেঁথে দিয়ে যেখানে মশার উপদ্রব
বেশি সেখানে রেখে দিন।

লবঙ্গ প্রাকৃতিক রেপেলেন্ট হিসেবে কাজ করে মশাকে আপনার কাছ থেকে দূরে রাখবে।**

চা তো আমরা সবাই পছন্দ করি। আর প্রতিদিন চা খেয়ে টি ব্যাগগুলো আমরা ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেই। কিন্তু এই ফেলনা টি ব্যাগেরই আছে নানান ব্যবহার। রূপচর্চা থেকে শুরু করে বাগান করাতেও ব্যবহার করা যায় পুরানো টি ব্যাগ। আসুন তাহলে এক নজরে জেনে নেয়া যাক পুরোনো টি ব্যাগের ব্যবহার গুলো।

১)রোদে পোড়া ভাব কমাতে
প্রতিদিন কড়া রোদ থেকে এসে টি ব্যাগ ভেজানো পানি দিয়ে গোসল করে নিন। টি ব্যাগ রোদে পোড়া ভাব কমায় এবং ত্বকের জ্বালা পোড়া কমাতে সাহায্য করে।

২)রক্তপাত বন্ধ করতে
হঠাৎ কোনো কারণে কোথাও কেটে রক্ত পড়া শুরু হলে পুরোনো টি-ব্যাগ কাজে লাগাতে পারেন । টি-ব্যাগটাকে সামান্য ভিজিয়ে কাটা স্থানে ধরলে দ্রুত রক্তপাত বন্ধ হবে।

৩)গাছের সার
টি ব্যাগের কাগজ খুলে চা পাতা বের করে নিন। এবার এই চা পাতাগুলো গাছের টবের মাটির সাথে মিশিয়ে দিন ভালো করে। চা পাতা গাছের জন্য ভালো সার। বিশেষ করে চা পাতা দিলে ফুল গাছ ভালো হয়।

৪)চোখের ক্লান্তি দূর করতে
টি ব্যাগ চোখের ক্লান্তি দূর করে দেয় নিমিষেই। একটি ব্যবহৃত টি ব্যাগ নিন। এবার চোখ বন্ধ করে চোখের উপর টি ব্যাগটি অন্তত ১৫ মিনিট রাখুন। টি ব্যাগ ব্যবহার করলে চোখের ক্লান্তি ও কালি কমে, লালচে ভাব এবং ফোলা ভাব থাকলে সেটা কমে যায়।

৫)চুলের যত্নে
ব্যবহৃত টি ব্যাগ এক মগ পানিতে ফুটিয়ে লিকার বানিয়ে নিন। চুল শ্যাম্পু করার পর এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এই লিকার চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করবে। তাছাড়াও চায়ের লিকার চুলকে খুশকিমুক্ত করে।

৬)মাড়ির রক্ত পড়া কমাতে
অনেকেরই মাড়ি দিয়ে রক্ত পরার সমস্যা আছে। মাড়ি থেকে একবার রক্ত পড়া শুরু হলে সহজে থামতে চায় না। এক্ষেত্রে ব্যবহৃত টি ব্যাগ একটু ভিজিয়ে নিয়ে রক্ত পরার স্থানে ধরে রাখুন। কিছুক্ষনের মধ্যেই মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যাবে।

৭)ইঞ্জেকশনের সুইয়ের ব্যাথা কমাতে
ছোট বাচ্চাদেরকে অথবা বড়দেরকে ইঞ্জেকশন দেয়া হলে সিরিঞ্জের সুইয়ের ব্যাথা সহজে যেতে চায় না। সুইয়ের ব্যথা কমাতে একটি টি ব্যাগ ধরে রাখুন ব্যথার যায়গায়। চায়ের ট্যানিক এসিড কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যথা কমিয়ে দিবে।

8)পায়ের দূর্গন্ধ দূর করতে
অনেকেরই পায়ে প্রচন্ড দূর্গন্ধ হয়। পায়ের দূর্গন্ধ কমাতে প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে হালকা গরম পানিতে টি ব্যাগ ভিজিয়ে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পায়ের গন্ধ চলে যাবে।

৯)ঘর পরিষ্কারে
ঘরের মেঝে পরিষ্কার করতে টি ব্যাগের জুড়ি নেই। গরম পানিতে পুরানো টি ব্যাগ দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এবার এই লিকার ঘর মোছার পানিতে মিশিয়ে নিন। এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন ভালো করে। ঘরের মেঝে ঝকঝকে হবে এবং আঠালো ভাব দূর হবে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চাহিদা যেন দিন দিন বাড়ছেই। কিছুতেই যেন খরচের রাশ টেনে ধরেই রাখা যাচ্ছে না। আয়ের তুলনায় ব্যয়ের সামঞ্জস্য ধরে রাখতে না পারার কারণে মাস শেষে শুধু কষ্টেসৃষ্টে চলাই নয় বরং সেই সাথে যুক্ত হয় ঋণ করার প্রবণতাও! আর সেই ঋণ শুধতে গিয়ে পরের মাসে আরো খানিকটা অর্থনৈতিক আর মানসিক চাপ। কিন্তু একটু চেষ্টা করলেই কিন্তু আপনি আপনার প্রতি মাসের খরচ যেমন কমিয়ে আনতে পারেন, তেমনি পারেন সেই টাকা থেকে কিছুটা আপনার ভবিষ্যতের জন্যে সঞ্চয় করতেও!
আপনারই জন্যে রইল দারুণ কাজের কিছু টিপসঃ

১)ঋণ শোধ করুনঃ

মাসের শুরুতে বেতন পেয়েই সবার আগে আপনার ঋণ শোধ করতে চেষ্টা করুন। পুরোটা না পারলেও যতটা সম্ভব করুন। ঋণ শোধ না করে সঞ্চয়ের পথে বা ভুলেও বাড়াতে যাবেন না।

২)প্রতিদিন কিছু না কিছু জমানঃ

প্রতিদিনই চেষ্টা করুন কিছু না কিছু টাকা জমাতে। হতে পারে সেটা ১০-১০০ টাকা। যাই হোক না কেন জমান। এবং সেটার কথা ভুলে যান। ভুলেও সেটায় হাত দেবেন না।

৩)সন্তানকে সঞ্চয় করতে শেখানঃ

সন্তানকে ছোট্ট একটা ব্যাঙ্ক কিনে দিন। মাটির বা প্লাস্টিকের। খুব রঙ্গিন বা আকর্ষনীয় পুতুল আকারের ব্যাঙ্ক কিনতে পাওয়া যায়। সেগুলোর একটা কিনুন ও তাকে টাকা জমাতে সাহায্য করুন।

৪)কিছু কেনার আগে ভাবুনঃ

আমাদের অনেকেরই অভ্যাস হল রাস্তায় যেতে যেতে কোন দোকানে কিছু পছন্দ হলে হুট করে কিনে ফেলা। এটা করার ফলে বেশীরভাগ সময়েই আমরা অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে ঘর বোঝাই করে ফেলি। জিনিস পছন্দ হয়ে গেলেই হুট করে কিনে না ফেলে একটু ভেবে নিন। দরকার হলে ১/২ দিন পরে কিনুন।

৫)শপিং এ যাবার আগে লিস্ট করুনঃ

শপিং এ যাবার আগে লিস্ট করুন। জামা কাপড় কেনার আগে দেখে নিন আপনার কি কি আছে এবং কি কি আসলেই কেনা প্রয়োজন।

৬)লক্ষ্য ঠিক করুনঃ

ভবিষ্যতে আপনার বিগ বাজেটের কি কি কিনতে হবে সেটার একটা তালিকা করে সময়সীমাও নির্ধারণ করুন। যেমন, ৫ বছর পর ফ্ল্যাট, ১ বছর পর টিভি আর এক মাস পর ওভেন। এভাবে ঠিক করে কত টাকা করে জমালে এই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব, সেটি খেয়াল রাখুন ও সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিন।

৭)বাজেট করুনঃ

একটি বাজেট করুণ এক বছরের। পরিবারের সবাইকে নিয়ে বসুন। সবার মতামত নিন। এতে পরবর্তীতে জটিলতা তৈরী হবে না। প্রয়োজনীয় চাহিদার পাশাপাশি অবশ্যই রাখবেন সঞ্চয়ের খাত আর সেই সাথে জরুরী প্রয়োজনের জন্যে আলাদা একটা বরাদ্দ রাখুন। বছর শেষে ওই টাকাটা বেঁচে গেলে সেটি পাঠিয়ে দিন সেভিংসে।

8)খরচের হিসেব রাখুনঃ

প্রতিদিন কোথায় কত খরচ হল তার হিসেব একটা খাতায় লিখে রাখুন। মাস শেষে সেটি নিয়ে বসুন। এবার দেখুন কোন কোন খাতে খরচ বেশী হয়েছে এবং সেগুলো একটু চেষ্টা করলেই কমানো সম্ভব কিনা!

৯)বাইরে খাওয়ার প্রবণতা কমানঃ

শহর জীবনে বাইরে খাওয়ার প্রবণতা আমাদের অনেকের মাঝেই লক্ষ্য করা যায়। এলাকায় নতুন রেস্তোরাঁ চালু হয়েছে বলেই যে সেখানে সবাই মিলে খেতে যেতে হবে এমন প্রবণতা কমিয়ে আনা দরকার। প্রতি সপ্তাহে বাইরে খাবার অভ্যাসটা কমিয়ে মাসে একবারে নিয়ে আসুন। মাস শেষে আপনি নিজেই অবাক হয়ে যাবেন দেখে, কি পরিমান টাকা আপনি বাঁচাতে পেরেছেন!

১০)ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমানঃ

ক্রেডিট কার্ডটা যতটা সম্ভব বাসায়ই ভুল করে রেখে শপিং এ যান। ক্যাশ ব্যবহার করুন। এতে চাইলেও আপনি যথেচ্ছ টাকা খরচ করতে পারবেন না। দেখবেন এভাবে আপনার অনেক টাকা বেঁচে গেছে।

১১)ব্র্যান্ডিং প্রবণতা ত্যাগ করুনঃ

বন্ধু বান্ধবের পাল্লায় পড়ে অযথা ব্র্যান্ডিং প্রবণতায় ভুগবেন না। আপনাকে ভালো মানায় এমন পোষাক বা এক্সেসরিজ ব্যবহার করুন। এভাবেও কিন্তু আপনি ট্রেন্ডি হয়ে উঠতে পারেন। অযথা দাম দিয়ে ব্র্যান্ড এর পোষাক সব সময় পরার চেয়ে কিছু ব্র্যান্ডেড পোষাক কিনে রাখুন বিশেষ উপলক্ষ্যে পরার জন্যে। এতে আপনার অর্থ ও স্ট্যাটাস দুটোই রক্ষা পাবে।

১২)সেভিংস স্কীম খুলুনঃ

ব্যাঙ্কে সেভিংস স্কীম অবশ্যি খুলে ফেলুন। মাসিক হারে যযতটুকুই সম্ভব যেটা আপনি কোন রকম চাপ না নিয়ে জমাতে পারবেন এরকম হারে ৩-১০ বছর মেয়াদী সেভিংস একাউন্ট খুলুন। এতে আপনি কয়েক বছর পরে ভালো অংকের একটা টাকা জমিয়ে ফেলতে পারবেন।

১৩)ইন্স্যুরেন্স করুনঃ

একটা ভালো কোম্পানীতে ইন্সুরেন্স করে রাখুন। এতে কোন অনাকাঙ্কখিত দুর্ঘটনায় আপনার অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবেলা করতে পারবেন সহজেই। আর সেই সাথে টাকাটা তো জমলই!

১৪)ছাড়ের সময় পণ্য কিনুনঃ

অলংকার বা অন্যান্য পণ্যের দামে বছরের বিশেষ কিছু সময়ে ছাড় দেয়া হয়। চেষ্টা করুন সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে পণ্যাটি কেনার। এতে আপনার বেশ কিছু টাকা বেঁচে যাবে।

১৫)ঘরের পানি, গ্যাস ও বিদ্যুত অপচয় রোধ করুনঃ

দরকার না হলে ঘরের পানির ট্যাপ, চুলা ও ইলেক্ট্রনিক জিনিসপত্রের লাইন অফ করে রাখুন। বিল কম আসবে। ইলেকট্রিসিটি না থাকলে মোমের বদলে চার্জার লাইট ব্যবহার করুন। মোমের গলে যাওয়া অংশগুলো জমিয়ে রাখতে পারেন। গলিয়ে মাঝখানে সুতো দিয়ে আবার মোম বানাতে পারবেন।

প্রথমবারের চেষ্টায় খরচ আশানুরূপ কমাতে না পারলে হাল ছেড়ে দেবেন না যেন! খরচ কমানো খুব কঠিন কিছু নয়। আপনার একটু সদিচ্ছা আর সতর্কতাই যথেষ্ট!






ত্বক ভালো রাখতে নানান রকমের প্রসাধনী পাওয়া যায় বাজারে। এর মধ্যে কোনোটা রঙ ফর্সা করার জন্য আবার কোনোটা ত্বক সজীব রাখার জন্য। কিন্তু প্রসাধনীর চেয়েও ত্বকের জন্য বেশি জরুরী হলো ভেতর থেকে পুষ্টি লাভ। ত্বক যদি ভেতর থেকে পুষ্টি না পায় তাহলে অনেক রকম প্রসাধনী ব্যবহার করার পরেও ত্বককে নির্জীব দেখাবে। আসুন জেনে নেয়া যাক এমন কিছু খাবারের কথা যেগুলো ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টির যোগান দেয়।

১)ফল-মূল

নিয়মিত ফলমূল খেলে ত্বক ভালো থাকে। বিশেষ করে ভিটামিন সি যুক্ত ফল ফলাদি ত্বকের সজীবতার জন্য জরুরী। পেয়ারা, আনারস, পেঁপে, নানান রকম বেরি জাতীয় ফল ইত্যাদি ফল ত্বককে ভালো রাখে এবং সহজে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

২)ব্রোকলী

ব্রোকলীতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ই এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। ভিটামিন সি ও ই ত্বকে গভীর থেকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন ই সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মির ক্ষতি থেকে ত্বককে কিছুটা হলেও রক্ষা করে।

৩)বাদাম

বাদাম ভিটামিন ই এর একটি অন্যতম উৎস। সালাদে, রান্নায় অথবা স্নাক্স হিসাবে বাদাম খেতে পারেন প্রতিদিন। নিয়মিত খাবারের তালিকায় বাদাম রাখলে এর ভিটামিন ই ত্বককে আরো সজীব ও মোহনীয় করে তুলবে।

৪)গাজর

প্রতিদিন একটি করে গাজর আপনার ত্বকে রাখবে সজীব ও উজ্জ্বল। গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে যা শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ তে পরিণত হয়। গাজর ত্বকের টিস্যু গুলোকে মেরামত করে এবং ক্ষতিকর সূর্য রশ্মির থেকে ত্বকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। কাঁচা অথবা রান্না করে দুভাবেই গাজর খেতে পারেন প্রতিদিন।

৫)পানি

প্রতিদিন অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার পানি বা পানি যুক্ত খাদ্য খাওয়া উচিত। পানি শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান ঘামের মাধ্যমে বের করে দেয়। পর্যাপ্ত পানি পেলে ত্বকের কোষে পানি পৌঁছায় এবং ত্বক সজীব দেখায়। পরিমিত পানি খেলে ব্রণের উপদ্রবও কমে।

৬)কুমড়ার বীজ

অনেকেই হয়তো জানেন না যে কুমড়া রান্না করার আগে আমরা যেই বীজগুলো ফেলে দেই সেগুলো অত্যন্ত উপকারী এবং ত্বকের জন্য ভালো। মিষ্টি কুমড়ার বীজে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক ত্বকের কোষ গুলোকে সজীব করে এবং ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায়। তাই নিয়মিত কুমড়ার বীজ খেতে পারলে ত্বক থাকবে সজীব ও প্রাণবন্ত। কুমড়ার বীজ কড়াইয়ে হালকা ভাজি করে খোসা ছাড়িয়ে খেতে পারেন।

৭)মাছ

ওমেগা ৩ ফ্যাট সমৃদ্ধ মাছ ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই মাছ ত্বকের কোষ সজীব রাখে এবং ত্বককে ক্যান্সারের থেকে রক্ষা করে। তবে অতিরিক্ত তেল দিয়ে ভাজা মাছ না নেয়ে সেদ্ধ, গ্রিল করা অথবা সেঁকা তেলে ভাজা মাছ খাওয়ার চেষ্টা করুন।

ত্বকের বাহ্যিক সৌন্দর্য নির্ভর করে ভেতরের সুস্থতার উপর। ত্বক ভেতর থেকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল না হলে প্রচুর প্রসাধনী ব্যবহার করেও সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা যায় না। তাই যেই খাবার গুলো ত্বকের বন্ধু সেগুলো নিয়মিত খান এবং প্রচুর পানি পান করুন। তাহলে আপনার ত্বক কোনো রকমের প্রসাধন ছাড়াই হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবন্যময়।

চা তৈরির পর আমরা কি করি। অবশ্যই চা পাতাটা ফেলে দেই। কিন্তু জানেন কি, এই ফেলনা চা পাতা লাগতে পারে আপনার অনেক উপকারে। এই চা পাতা ব্যবহার করতে পারবেন আপনার শখের গাছ গুলোর জন্য প্রাকৃতিক সার হিসাবে।

চা ছেঁকে নেয়ার পর পাতা গুলো ভালো করে ঠাণ্ডা করে নিন। দুধ-চিনি দেয়া থাকলে ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর দিয়ে দিন আপনার শখের গাছ গুলোর গোঁড়ায়। চা পাতার চাইতে ভালো প্রাকৃতিক সার আর হতেই পারে না। কিছুদিনেই দেখবেন গাছ গুলো ঝলমল করে উঠছে।

হেঁচকি একটি অস্বস্তিকর সমস্যা। অনেক সময় হেঁচকি একবার শুরু হলে অনবরত চলতেই থাকে, বন্ধ হতে চায় না। তখন আপনার নিজের যেমন কষ্ট হয় আশে পাশের মানুষের জন্যও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এই হেঁচকি। হেঁচকি থেকে সহজেই পরিত্রাণের কিছু উপায় আছে। আসুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে হেঁচকি ওঠা শুরু হলে তা বন্ধ করবেন।

মিষ্টি খাবার:- নার্ভ ওভারলোডের কারণে অনেক সময় হেঁচকি শুরু হয়। এক্ষেত্রে দেখা গেছে যে মিষ্টি খাবার খেলে হেঁচকি ওঠা কমে যায়। হেঁচকি উঠলে এক চামচ চিনি মুখ নিয়ে রেখে দিন বেশ কিছুক্ষণ। একটু পরে দেখবেন হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে গেছে।

ঠান্ডা পানি:- এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি অল্প অল্প চুমুকে অনেক ঢোকে খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গড়গড়া করলেও হেঁচকির সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

জিভ বের করা:- শুনতে অদ্ভুত শোনালেও সত্যি যে হেঁচকির সমস্যায় জিভ বের করে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। হেঁচকি ওঠা শুরু হলে আপনার জিভটিকে যতটুকু সম্ভব বাইরে বের করে রাখুন। অন্তত ১৫ সেকেন্ড বাইরে রাখার পর ও বন্ধ না হলে আরো কিছুক্ষণ রাখুন। হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয় যাবে আপনা আপনিই।

দম বন্ধ করে রাখা

দম আটকে রাখf:- হেঁচকি উঠা শুরু করলে দম আটকে রাখলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। হাতের আঙ্গুল দিয়ে নাম চেপে ধরুন এবং মুখ বন্ধ করে রাখুন। এভাবে যতক্ষণ থাকা সম্ভব হয় ততক্ষণ থাকুন। হেঁচকি বন্ধ হয়ে গেলে দম ছেড়ে দিন।

অ্যান্টাসিড:- মিনারেল নার্ভের ইরিটেশন কমায় ও নার্ভকে শান্ত করে। তাই ম্যাগনেসিয়াম যুক্ত অ্যান্টাসিডের একটি বা দুটি ট্যাবলেট খেলে হেঁচকি ওঠা কমে যায় অনেকেরই।

ধীরে খান

দ্রুত না খাওয়া:- যারা দ্রুত খায় তারা সাধাণরত খাবার ঠিক মতো চিবিয়ে খায় না। খাবার না চিবিয়ে দ্রুত খেলে খাবারের ফাঁকে বাতাস ঢুকে খাদ্যনালীতে আটকে যেতে পারে। এর ফলাফল হলো বিরক্তিকর হেঁচকি। তাই তাড়াহুড়া করে না খেয়ে ধীরে ধীরে চাবিয়ে খান। এতে হেঁচকি ওঠার প্রবণতা কমে যাবে অনেকটাই।

ঝাল খাবার এড়ানো:- গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ঝাল খাবার খাওয়ার কারণে খাদ্যনালীতে ও পাকস্থলীতে জ্বালা-পোড়া হয়। এর ফলে হেঁচকি উঠার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই নিয়মিত হেঁচকি ওঠার সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত ঝাল খাবার এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ব্যায়াম:- হেঁচকি ওঠা বন্ধ করার একটি ব্যায়াম আছে। মেঝেতে শুয়ে হাঁটু ভাঁজ করে পেটের ওপর নিয়ে আসতে হবে। এই অবস্থায় হাঁটু পেটের ওপর ২/৩ সেকেন্ড চেপে ধরে রাখতে হবে। এভাবে কয়েক বার করলে হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।
মদ্যপান ত্যাগ

মদ্যপান ত্যাগ:- মদ্যপান করলে খাদ্যনালী ও পাকস্থলীতে জ্বালা করে। অতিরিক্ত মদ্যপানে খাদ্যনালীর পর্দার ক্ষতি হতে পারে। অনেকে আবার অনেক দ্রুত ঢক ঢক করে মদ খেয়ে ফেলেন। অতিরিক্ত মদ্যপানে হেঁচকি ওঠার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই মদ্যপান এড়ালে হেঁচকি ওঠার সমস্যা কমানো সম্ভব কিছুটা হলেও।

হেঁচকি ওঠার সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পেতে এতো সব উপায় দেয়া হলো। কিন্তু এগুলো অনুসরণ করার পরেও যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হেঁচকি ওঠা বন্ধ না হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

ঘামের দুর্গন্ধ হলে !

আশ্চর্য হলেও সত্যি যে আমাদের দেহের ঘাম আসলে গন্ধহীন।

কিন্তু ত্বকে বাস করা নানা ব্যাকটেরিয়া এই ঘামের
মধ্যে বংশবিস্তার করে ও দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।

এই সমস্যা মোকাবিলার জন্য কিছু পদক্ষেপ অবশ্যই নেওয়া যায়।

১. প্রতিদিন গোসল করা উচিত।
২. প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ারআগে ও ফিরে এসে দুবারই গোসল
করা যায়।
৩. গোসলের সময় খুব ভালো করেত্বকের নানা ভাঁজ পরিষ্কার
করতে হবে। কেননা যতক্ষণ না ব্যাকটেরিয়াগুলো ধুয়ে দূর
করতে পারছেন ততক্ষণ গন্ধ পিছু ছাড়বে না।
৪. গোসলের পর খুব ভালো করে ত্বক শুষ্ক করতে হবে। শুষ্ক
ত্বকে জীবাণুর বৃদ্ধি কম হয়।
৫. একই পোশাক কখনো না ধুয়ে ব্যবহার করবেন না।
৬. ব্যবহৃত তোয়ালে সপ্তাহেএক বা দুবার ধুয়ে ফেলুন।
৭. ওয়ার্ডরোব পরিচ্ছন্ন রাখুন ও প্রয়োজনে সুগন্ধি ব্যবহার
করুন।
৮. প্রতিদিন বা দরকার হলে দিনে দুবার মোজা পরিবর্তন করুন।
৯. জুতা পরিষ্কার রাখুন বা এতে ডিওডোরেন্ট পাউডার ব্যবহার
করুন।
১০. দুর্গন্ধের সঙ্গে খাবারেরও সম্পর্ক আছে। পেঁয়াজ, রসুন ও
অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার এই সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

টুথপেস্ট শুধু দাঁত পরিস্কার করেনা। দেখুন আপনার আর কি কি কাজে লাগে টুথপেস্ট।

শুধু কি সুন্দর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হাসি ফুটিয়ে তোলে টুথপেস্ট ? না, এর অবাক করা আরও বহুবিধ ব্যবহার আছে! জেনে নিতে পারেন এমন কয়েকটি—

আঁচড় লাগা জুতা :
জুতায় আঁচড় লাগলে কেমন লাগে? চিন্তার কিছু নেই, চামড়ার জুতায় নিশ্চিন্তে পালিশ করতে পারেন টুথপেস্ট। দাগ উঠে যাবে। অল্প একটু পেস্ট নিয়ে নরম কাপড় দিয়ে ঘষতে থাকুন। নতুনের মতো দেখাবে।

পিয়ানোর চাবি:
পিয়ানোর চাবি হাতির দাঁতের। তবে বর্তমানে প্লাস্টিক দিয়েও এটি তৈরি হয়। আর কে না জানে, টুথব্রাশ আর পেস্ট হলেই পরিষ্কার করা যায় সেই চাবি।

কাপড়ের জুতা বা স্নিকার্স:
স্নিকার্সের রাবার অংশটি আরো সাদা কিংবা পরিষ্কার করতে চাইছেন? তবে ননজেল টুথপেস্ট ও পুরনো টুথব্রাশ হাতে নিন। এবার জোরে জোরে ডলতে থাকুন। শেষে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

ইস্ত্রি: পুরনো ইস্ত্রি দিয়ে কাপড় ঘষলে কালো ছোপ পড়ে যায়। সমাধান দেবে টুথপেস্ট। ননজেল টুথপেস্ট ঠাণ্ডা ইস্ত্রির নিচের অংশে লাগিয়ে ন্যাকড়া দিয়ে ভালো করে ডলা দিন, পরে আলতোভাবে ধুয়ে ফেলুন। নতুন হয়ে যাবে।

ডায়মন্ড রিং:
পুরনো টুথব্রাশে অল্প একটু পেস্ট নিয়ে ডায়মন্ড রিংয়ে ঘষে কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। জ্বলজ্বল করবে।

ফিডার:
দুধের গন্ধ যায়ই না ফিডার থেকে। ভাবনার কিছু নেই। টুথপেস্ট মুহূর্তেই সুগন্ধ এনে দেবে। একটু পেস্ট দিয়ে ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ঝাপসা গগলস:
ধুলাবালি, স্কিইং কিংবা স্কুবা ডাইভিং প্রভৃতিতে ঝাপসা হয়ে আসে গগলস। ফলে ঘটতে পারে বিপদ। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে টুথপেস্ট দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন গগলস।

বাথরুমের আয়না:
ঝাপসা আয়নার কারণে শেভ করতে গিয়ে কেটে ফেলেছেন? ননজেল টুথপেস্ট দিয়ে আয়না পরিষ্কার করে নেবেন। দেখবেন, ঘণ্টাখানেক শাওয়ার নেয়ার পরও আয়না ঝাপসা হচ্ছে না।

বেসিন:
ননজেল টুথপেস্ট দিয়ে বেসিন পরিষ্কার করুন। বেসিনে কোনো জীবাণু থাকবে না।

দেয়ালের দাগ:
শিশুরা দেয়ালে আঁকাজোকা করবেই। এ শিল্পকর্ম মুছে ফেলতে টুথপেস্টই ভরসা। ননজেল টুথপেস্ট দিয়ে ভালো করে ঘষুন। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

লিপস্টিক বা কলমের কালির দাগ:
কলমের কালিতে পকেট ভরে গেছে ? লিপস্টিকের দাগ লেগেছে কাপড়ে ? চিন্তার কিছু নেই, ননজেল টুথপেস্ট দাগের ওপর ভালোভাবে ঘষে নিন। প্রথমবারে যদি একটু কমে থাকে, তবে আরো কয়েকবার চেষ্টা করে দেখুন দাগ মিলিয়ে যাবে। মনে রাখবেন, এটা কিন্তু সবসময় কাজ করে না। এ পদ্ধতি নির্ভর করে কাপড় ও কালির ওপর।

ফার্নিচার:
জলছাপ পড়েছে ফার্নিচারে? দুধ, চা-কফি পড়েছে? এবার ননজেল টুথপেস্ট দিয়ে কাঠের ওপর নরম কাপড় দিয়ে ডলাডলি করুন। কাঠে নতুন রঙ করতে চাইলে অবশ্যই শুকিয়ে নেবেন।

ফুসকুড়ি:
ব্রণ নিয়ে অস্বস্তি আর নয়। ননজেল রঙিন টুথপেস্ট ব্রণের ওপর হালকাভাবে রাতে লাগাতে পারেন। এটা ব্রণের পানি শুকিয়ে দেয় এবং ত্বকের তেল শুষে নেয়। এ পদ্ধতি পাকা ব্রণের জন্য কার্যকর। তবে নাজুক চামড়ায় জ্বালাপোড়া হতে পারে।

হাতের দুর্গন্ধ:
মুখের দুর্গন্ধ যেমন দূর করে, তেমনি হাতেরও। তীব্র ও কটু গন্ধযুক্ত দুর্গন্ধ থেকে তাত্ক্ষণিক মুক্তি পেতে টুথপেস্ট দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। (অনুরুপ পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতেও ব্যাবহার করতে পারেন।)