It is very glad to inform that all of our services are no longer confined to the Bengali people. Our service fulfills the needs of the beginners, raising the confidence of all religions, people, and nations irrespective of nationality in different countries of the world. That's why we started providing services in English version along with Bengal as well as for all. Besides, we have increased the quality of services and other facilities. We hope that we can play an appropriate role in fulfilling your dreams.
Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

.

.

Financial problems (অর্থ ও বানিজ্য)


আর্থিক সংকট মোচনঃ


অত্যান্ত গোপন ও অতি প্রয়োজনীয় একটি তন্ত্র যা সংগ্রহ করা হয়েছে মিশরীয় কিতাব থেকে- 


আপনাদের যদি কারও হটাৎ করে অর্থ সংকট দেখা দেয় তবে এই প্রকৃয়ায় অবশ্যই আপনার চাহিদা পুরন হবে।

এখানে একটি কথা লক্ষনীয় যে-আপনার প্রয়োজন পুরন হবে তবে আপনি যদি মনে করেন টাকা দিয়ে আপনি বাড়ী বানাবেন বা এ্যরোপ্লেন কিনবেন তা কিন্তু হবে না। তবে আপনার হয়তো কয়েক হাজার বা লক্ষ টাকা ঋন হয়েছে বা আপনার বাসায় খাওয়ার সংকট বা আপনার বাসার অতি প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কিনতে হবে তবেই আপনি এ তন্ত্র ব্যবহার করে ১০০% সফল হতে পারবেন। যদি ভুল না করেন তবে অসফল হওয়ার সম্ভবনা 0%, সর্বচ্চ্য ৭ দিন।

আপনাকে প্রথমত আপনার এলাকায় একটি গাছের সন্ধান করতে হবে, গাছটি হলো “বহেড়া” গাছ যার পাতা প্রায় কাঠাল পাতার মত, তবে নিচের দিকে খয়ারী ভাব থাকে, ফল কিছুটা হরতকীর মত, এর ফল ঔষধীগুনে ভরপুর। ইহা ত্রিফলার একটি ফল যা সকল পুরাতন লোকে চিনে। 

এবার আপনার কাজ হলো যে কোন শনিবার সন্ধার দিকে গিয়ে গাছের কাছে দাড়ীয়ে একটি নির্দিষ্ট পাতকে লক্ষ করে কয়েকটি কথা বলতে হবে তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন পাতাটি সমস্ত কলঙ্ক মুক্ত হয়, যেমন পোকায় খাওয়া বা ছেড়া ফাটা না হয়, এবং সেদিনের মত চলে আসতে হবে।পরদিন অর্থাৎ রবিবার সুর্যদয়ের আগে আপনাকে ঐ গাছটির কাছে গিয়ে স্রদ্ধার সহিত পূর্বের কথাগুলো বলে কাঙ্খীত পাতাটি ছিড়তে হবে, এবং পিছন ফিরে না তাকিয়ে সুর্যদয়ের আগেই বাসায় পৌঁছতে হবে, বাসায় আসার পর আপনি পাতাটি কোন সুতো দিয়ে গলায় ঝুলিয়ে রাখতে পারেন নতুবা এমনিতেই পকেটে রাখতে পারেন তবে যেন তা সারাক্ষন আপনার শরিল র্স্পশ করে থাকে। বাস আপনার কাজ শেষ-সে দিন থেকে শুরু করে পরবর্তি রবিবার আসার আগেই যে কোন ভাবেই হোক তবে অবশ্যই আবিশ্বাষ্যরুপে আপনার হাতে টাকা আসবে যা আপনি কখনও কল্পনাও করতে পারবেন না।।এটা তন্ত্র এবং অত্যন্ত প্রভাবশালী তন্ত্র কোন ভাবেই বিফল হবার নয়।। এটা কোন নিছক পোষ্ট না। এটা আমার বহু পরিক্ষিত।।বিফলে আপনারা আমার মোবাইলে কল দিয়ে আমার গুষ্টি উদ্ধার করতে পারেন।। আবার মন চাইলে সাক্ষাতে দু চাটকানীও লাগাতে পারেন।।


এখন প্রশ্ন হলো কথাগুলো কি ? কি বলবেন আপনি গাছের কাছে গিয়ে ? আমি যদি ব্লোগেও লিখে দিতাম তবেও কাজ হতো না। কারন তন্ত্র ও মন্ত্র দুটোরই একটি মজার ব্যপার হলো শুধু কিতাব দেখে পরে দু-ফুক মারলে কোন কাজ হয় না। চাই গুরু।। আর গুরুর কাছ থেকেই শিখতে হবে তন্ত্র বা মন্ত্র। আর গুরুর সন্ধান চাইলে এডমিনকে মেইল করুন।।>>


বিঃ দ্রঃ আপনি চাইলে আপনার বাসার আসে পাসেই কোন স্থানে একটি বহেড়া গাছ লাগিয়ে রাখতে পারেন।। আমি কথা দিচ্ছি আপনাকে, আপনার ভবিষ্যৎ দুর্ঘটনার জন্য বা আপনার অনাকাঙ্খীত অসময়ের জন্য, আপনার আদরের মেয়ের জন্য কোন ব্যাংকে ডিপোজিট/ফিক্স ডিপোজিট করতে হবে না।


( যে কোন ব্যাংকিং ব্যবস্থাই সুদ অবধারীত যা আপনার মন মত হালাল বললেও হালাল নয়)




>> আর একটি উপায়- আপনাকে তান্ত্রিক নিয়ম মেনে শুক্ল পক্ষের একটি সপ্তাহ চলতে হবে, এরপর যখন বৃহস্পতি বার আসবে তখন একটি নির্জন ঘরে এশার নামাজ আদায় করার পর একটি তসবি হাতে নিয়ে ঐ স্থানেই “বিসমিল্লা হির রহমানীর রাহিম, আল হামদু লিল্লাহি রাব্বুল আলামিন, আর রহমানীর রাহীম, মালেকি ইয়াও মিদ্দিন, ইয়াগ্গা কানা বুদু ওয়া ইয়াগ্গা কানাস্তাইন, ইহ্‌দিনা সিরাতল মুসতাকিম, সিরাতল্লাজিনা আন আম তা আলাই হিম, মিসলা দাউদা ওয়া সুলায়মানা ওয়া ইউসুফা আলায়হিম, গায়রিল মাগদুবী আলায়হীম, ওয়ালাদ দুয়াল্লীন।।আমিন।।” ১০০০ বার পড়বেন। এবং পড়া শেষে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়বেন তখন স্রষ্টার কাছে আপনার চাহিদার কথা বলতে বলতে ঘুমিয়ে পড়বেন।। পরবর্তি বৃহস্পতিবার আসার আগেই আপনার চাহিদা পুরন হবে ইনশাআল্লাহ।।(১০০% পরীক্ষিত) 


>> মুসলিমদের জন্য আর একটি নিয়ম - আপনাকে তান্ত্রিক নিয়ম মেনে শুক্ল পক্ষের একটি সপ্তাহ চলতে হবে, এর পর শুক্রবার একটু সকাল সকাল পাক পবিত্র হয়ে মসজিদে যেতে হবে। এমন সময় মসজিদে যাবেন যেন আপনার আগে কোন মুসুল্লি সেখানে না যায় (ঈমাম/মুয়াজ্জিন বাদে), এবার সে খানে গিয়ে মসজিদের প্রথম কাতারের ডানদিকে একবারে শেষে বসবেন এবং “ক্লিক করুন” এই দুওয়াটি পড়তে থাকবেন 200 বার। এবং পরবর্তি নামাজ সাধারন নিয়মে পড়ে শেষে একাকি স্রষ্টার কাছে আপনার প্রয়োজনীয় অর্থের জন্য ফরিয়াদ যানাবেন এবং বাসায় চলে আসবেন। ইহাতেও এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগে না।(পরীক্ষিত) 
পকেট ভর্তি রাখার জন্য তান্ত্রিক আচারে কোন রবিবারযুক্ত পূষ্যা নক্ষত্রে একটি দাঁড় কাক ( সাধারন কাকের চাইতে একটু বড় এবং সর্ম্পনটাই কালো কুচ কুচে) ধরিয়া ডান পায়ের একটি নখ উপড়ে রাখিয়া কাকটি ছেড়ে দেবে এবং নখটিকে একটি রুপার মাদুলীতে ভরে সর্বদা পকেটে রাখলে নানাদিক হইতে অর্থ আসতে শুরু করবে।ফলে পকেট সব সময় ভর্তি থাকবে।