Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu
It is very glad to inform that all of our services are no longer confined to the Bengali people. Our service fulfills the needs of the beginners, raising the confidence of all religions, people, and nations irrespective of nationality in different countries of the world. That's why we started providing services in English version along with Bengal as well as for all. Besides, we have increased the quality of services and other facilities. We hope that we can play an appropriate role in fulfilling your dreams. ### Spiritual problems, tantric services, awakening of natural energy, spiritual pursuit education, training of white and black magic, calling on the soul, communicating with the dead, avoiding bad eyesight.

Tuesday, July 9, 2019

মহিলা/স্ত্রী/নারী/মেয়ে বশীকরণ#লোক/পূরুষ/মানুষ্য বশীকরণ বা বাধ্য করা


আমরা আজ আমাদের সার্বজনিন কিছু ভুল নিয়ে আলোচনা করবো। সাধারনত তান্ত্রিক বিষয়ে আমরা সচারাচর যে ভুল গুলো করে থাকি-
আমরা অনেকেই জীবনের কোন এক সময় এসে আমাদের চিরচেনা খুব কাছের খুব আপন, খুব’ই গুরুত্বপূর্ণ মানুষটাকে অকারনেই হটাৎ বদলে যেতে দেখি বা অন্যের সাথে ঘনিষ্ট হতে দেখি বা নিজের কাছ থেকে দুরে সরে যেতে দেখি যা আমাদের হৃদয়কে আন্দলিত করে, কখনো কখনো হৃদয়কে ক্ষত বিক্ষত চূর্ন বিচূর্ণ করে দেয়। আমাদের বেচে থাকার অর্থ’ই শেষ করে দেয়। কোন ভাবেই তাকে ফেরাতে পারি না, তাকে বোঝাতে পারি না, তাকে পূর্বের ন্যায় ভালোবাসায় জরাতে পারি না। হটাৎ করেই যেনো চিরচেনা মানুষটা একদম অপরিচিত হয়ে যায়। এমন সময় খুব সাধারন ভাবেই আমাদরে মেধা শূন্য হয়ে যায়, এবং তাকে ফিরে পাবার জন্য ব্যকুল হয়ে উঠি, যে কোন মূল্যেই তাকে ফিরে পেতে চাই, কাছে পেতে চাই। দ্বিক-বিদ্বীক জ্ঞানশুন্য হয়ে যাই। আর এই আমাদের মাথায় আসে তান্ত্রিকদের কথা, বশিকরণের কথা, আকর্ষন, বশ করা বা বাধ্য করার কথা। তখন আমরা বন্ধু মহলে বা এলাকার কিছু চতুর মানুষদের সাথে আলাপ চারিতার মাধ্যমে জানতে চেষ্টা করি কে বা কারা এই সকল তান্ত্রিক কাজের সাথে জরিত। অনেকেই অনলাইনে বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ায় সার্চ করা শুরু করি। মনে পরে যায় পথে ঘাটে বিভিন্ন লিফলেট বা  ২৪ ঘন্টায় মুশকিল আসান সাইন বোর্ড ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে শতকরা আমরা ৯৯% ভুল করি সঠিক তান্ত্রিক চিনতে। কারন বর্তমান সময়ে আমাদের আসে পাসে যেমন হাজারো ভূইফোড় জিন হুজুর, জীন মাতা, কালি সাধকের অবির্ভাব তেমনি অনলাইনেও টোকাই শ্রেনীর নষ্টবুদ্ধির অল্প বয়ষ্ক ছেলেদের দ্বারা তৈরী ফেইসবুক বা ব্লগার তান্ত্রিকের ছরাছরি। বিশেষ করে এ্যন্ড্রোয়েড মোবাইল যারা ব্যবহার করে তারা নিশ্চয় মোবাইল এ্যাপ ও ভিডিও ডাউনলোড করতে এমন হাজারো হাইব্রিড তান্ত্রিকের এ্যড বা পেইজ দেখেই থাকবে। আমরা ইতিপূর্বেই ফেইক তান্ত্রিক পেইজ বা সাইট চেনার বেশ কয়েকটি পোষ্ট করেছি। আজ এ বিষয় আলোচনা নয়, আজকের আলোচনা যারা সত্যিকারের তান্ত্রিকের স্বরনাপন্য হয়েও ফল পেতে বিলম্ব হচ্ছে তাদের বিষয় নিয়ে।
দেখুন সর্বপ্রথম কাজ হচ্ছে আপনার সমস্যাটি নিজেই বা তান্ত্রিক মহোদয়কে দিয়ে সঠিক ভাবে বিশ্লেষন করুন। কারন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি আপনার সম্পর্কের অবনতির কারন খুজে বের করতে না পারবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি সঠিক ভাবে তার তদবীরও করতে পারবেন না। মনে রাখুন তান্ত্রিকতা এক প্রকার চিকিৎসা ব্যবস্থা যাকে আপনি আধ্যাত্মিক চিকিৎসা বা মনচিকিৎসাও বলতে পারেন। সুতারাং কোন রোগের চিকিৎসার জন্য যেমন সর্বপ্রথম বিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে সমস্যার মূল খুজে বের করতে হয়, তেমনি এই তান্ত্রিকতার ক্ষেত্রেও আপনাকে সর্বপ্রথম সমস্যার মূল খুজে বের করতে হবে। সমস্যার মূল খুজে না পেলে আপনার সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। যেমনটা প্যারাসিটামল টেবলেটে সব ধরনের জ্বর ভালো হয় না। তেমনি বশিকরণ তদবীর করলেই যে একজনকে বশিকরণ করতে পারবেন সেটা ভাবা মূর্খতা। পৃথিবীতে প্রায় ৭৩ হাজারের মত বশিকরণ মন্ত্র/দোওয়া তাবিজ রয়েছে, এই সকল কিছুই বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে সৃষ্টি। বিভিন্ন জাতের বিভিন্ন ধরনের মানুষের জন্য বিভিন্ন প্রকার তন্ত্র। একটি ছেলে বা একটি মেয়ে কেমন, তার আচরণ কেমন, তার স্বভাব কেমন, তার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, তার পূর্বশুরীরা কোন চরিত্রের/ তার বর্তমান কোন নতুন সঙ্গী রয়েছে কি না, তার জন্ম তারিখ কি, তার উপর পূর্বেকার কোন তদবীর চলমান কি না, বর্তমানে তার উপর কোন ভিন্ন ধর্মি তদবীর চলছে কি না, তার পূর্বের কোন পছন্দের মানুষ আছে কি না। ইত্যাদি নানা বিষয় অনুসন্ধান করতে হয়। আর যদি যিনি তদবীর করাতে এসেছে তার দ্বারা এই সকল কিছু অনুসন্ধান করা সম্ভব না হয় তবে অবশ্যই তান্ত্রিক মহোদয়কে দিয়ে এই বিষয়গুলো পরিষ্কার করে বের করতে হবে। তবেই একজন নারী/স্ত্রী বা পূরুষকে সহযেই বশিকরণ করা সম্ভব। নতুবা আপনার সময়, শ্রম, অর্থ সবকিছুই জলে ডুববে। আর একটি কথা আপনার তান্ত্রিক যদি আপনাকে এটি বলে যে তার কাছে জীন বা পরী আছে তার মাধ্যমে সে সবকিছুই যেনে যাবে সমস্যা নেই ২৪ ঘন্টা বা ৭ দিনে আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে সে আপনার কাছে এনে দিবে। তবে আমাদের পরামর্শ থাকবে সেই সকল তান্ত্রিক হতে শতহাত দুরে থাকুন। কারন এই শ্রেনীর ভন্ডরাই আমাদের মাঝে তান্ত্রিক সম্প্রদায়ের কলঙ্ক লেপে দিচ্ছে। একটু ভাবুন তো------ ছোট বেলায় আলিফ লায়লা দেখেছেন নিশ্চয় ??? আলাদিনের নিকট হাজার টা নয়, একটি মাত্র জীন ছিলো তাতেই সে একটি রাজ্যের মালিক ও রাজ কন্যাকে বিয়ে করে সুখি হয়। তাহলে এই জীন পালক তান্ত্রিক কেনো আপনার কাজ করে পয়সা নিচ্ছে। সেতো কোটি কোটি টাকা জীনের মাধ্যমেই আনতে পারতো বা কোথায় মাটির নিচে কোষ্টি পাথর রয়েছে তা খুজে বের করতে পারতো। নিজে ভাবুন অন্যকেও ভাবতে উৎসাহিত করুন। মনে রাখবেন তান্ত্রিকতা একটি আধ্যাত্মিক চিকিৎসা পদ্ধতী মাত্র, এরদ্বারা অনেক অসাধ্য সাধন সম্ভব তবে এমন কিছু ভাববেন না যা ভন্ডরা আপনাকে ডুবিয়ে ভাবায়।।

Tuesday, July 2, 2019

সর্বকালের সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ সাধনা/ Trataka is the best Pursuit in the world


আমরা ইতিপূর্বে ত্রাটক সাধনা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য আমাদের ওয়েবে শেয়ার করেছি, এরপরেও আমাদের নিকট প্রতিনিয়ত রিকোয়েষ্ট আসছে ত্রাটক সর্ম্পকে জানার জন্য। আমরা বিনিত ভাবে অনুরোধ করছি, আপনারা ত্রাটক সাধনা সর্ম্পকে যা কিছু অনলাইনে আমাদের ওয়েবে রয়েছে এর বেশি কিছু জানতে চাইবেন না। কারন বর্তমানে এক সন্তানের অসংখ্য জননী তৈরী হয়েছে, এমনটাই দাবি বাংলাদেশে হচ্ছে। কারন যেখানে ত্রাটক সাধনার জন্ম ও উত্থান থার্ড আই রেডিয়েশন এবং এশিয়া মহাদেশে এর একমাত্র পরিবেশক মন্ত্রগুরু এ্যসোসিয়েশন। এরপরেও হাজারো ফেবু আইডি পেইজে দেখা যাচ্ছে ত্রাটক প্রশিক্ষণের জন্য কোর্স ছেড়েছে কতিপয় ওহি প্রাপ্ত গুরু, এবং অন্য এক শ্রেনীর দিব্যজ্ঞানি তান্ত্রিক মহাসম্রাট মহাগুরু গণ ত্রাটক সাধনার নাম পরিবর্তন করে ভিন্ন নামে যেমন মায়া সাধনা, থার্ড আই, তৃতীয় নেত্র, ইত্যাদি হৃদয়গ্রাহী চিত্তাকর্ষক নামে ত্রাটক সাধনার ফলাফলের বিকল্প শুরু করেছে যা সম্পূর্ণই ভুয়া উজভুকি বিষয়। আমরা ত্রাটক সাধনার বিষদ বিবরনী ওয়েবে প্রকাশের পর হতেই মহাজ্ঞানী গন এই সকল কনটেন্ট সামান্য পরিবর্তন পরিবর্ধন করে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রচার করছে এবং স্ব ঘোষিত মহাগুরু শিরোমনী বিভিন্ন ভারতীয় তান্ত্রিক বইয়ের নাম দিয়ে সাইট চালাচ্ছে। সেই সাথে অনেকেই মেডিটেশন ও যোগ সাধনাকেই ত্রাটক সাধনা বলে চালিয়ে দিচ্ছে বা সর্বসাধারনকে বোঝাচ্ছে। মনে রাখবেন ত্রাটক সাধনা সর্বময় ক্ষমতার উৎস। সকল কিছুর সম্ভব ত্রাটকে। অপরদিকে যোগা বা মেডিটেশন শারীরিক ও মানুষিক স্থীরতা ও চিত্তকে নির্দিষ্ট বিষয়ে নিবিষ্ট করার জন্য একটি ছক মাত্র। এই সকলের সাথে ত্রাটক সাধনার কোন প্রকার মিল বা সঙ্গতী নেই। ত্রাটক সাধনা সেই সাধনা যা দ্বারা আপনার জীবনের যে কোন ধরনের প্রয়োজন পূরন করতে পারেন। হতে পারে সেটি আপনার ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে, স্ত্রী সন্তান নিয়ে, ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে, পরিবারের বা নিজের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে, চাকুরী নিয়ে, সহায় সম্পদ নিয়ে, রাজনৈতিক ইশ্যু নিয়ে, মামলা মোকদ্দমা নিয়ে, আধ্যাত্মিক বিষয়, জীন ভুত, আত্মা, গ্রহদোষ, দুর্ঘটনা ইত্যাদি যে কোন সমস্যার সমাধান অনায়েসে নিজেই নিজের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে এটি প্রতিটি মানুষের সবচাইতে বেশি জরুরী এই কারনে যে, আপনি আপনার কোন সমস্যা নিয়ে যার কাছে যাবেন সে কতটুকু সঠিক বা আসল তা বোঝা বা খতিয়ে দেখা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। শতকরা ৯৯% তান্ত্রিক বা কবিরাজ এখন ভন্ড। এক্ষেত্রে নিজেই নিজের সমস্যা সমাধান করাই স্রেষ্ট উপায়। সুতারাং আর বিলম্ব না করে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

Friday, June 21, 2019

some of the guidelines to be followed by Charming, ‍spell & amulets # আমলে তাবিজাতের অবশ্য পালনীয় বিষয়



সুপ্রিয় ভিজিটর, আপনাদের সকলের জ্ঞ্যতার্থে জানানো হচ্ছে যে আপনারা আমাদের ফেইসবুক পেইজে বা প্রোফাইলে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন, আমাদের অনেক সন্মানীত ক্লাইন্ট প্রতিনিয়ত জানাচ্ছে যে তেনাদের সমস্যার সময় যখন আমাদের কমেন্ট করেছিলো তার কিছু পরেই অন্য কেউ তান্ত্রিক মুখষধারী তার প্রোফাইল থেকে কাজ করে দেওয়ার জন্য তেনাকে খুব ভালো এবং মোহিত করা প্রপোজাল দেয় এবং স্বভাবতই তিনি তা এক্সসেপ্ট করেন এবং পরবর্তীতে কাজ তো দুরের কথা বিভিন্ন ভবে হয়রানীর স্বিকার হয়েছেন। কিছু কিছু ক্লাইন্ট ব্লাক মেইলিং এর স্বিকারও হয়েছেন। যে কোন প্রতিষ্ঠানেই ক্লাইন্টের প্রাইভেসি সর্বাগ্রে, যে কোন মূল্যেই তা ক্ষুন্ন হতে দেওয়া যায় না। আপনারা ফেইসবুকে, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, পিন্টারেসে কমেন্ট করে নিজের প্রাইভেসি নষ্ট করবেন না। যে কোন তান্ত্রিক কাজ বা দোওয়া তাবিজের কাজ সম্পূর্ণরুপে আধ্যাত্বিক বিধি অনুসরন করে। আপনাদের নিকট অনুরোধ থাকবে আমাদের পেইছে ও পোষ্টে লাইক দেওয়ার জন্য এতেই আপনার মত হাজারো অসহায় সমস্যা সঙ্কুল মানুষের নিকট আমাদের প্রপোজাল চলে যাবে। আপনার যে কোন সমস্যা আমাদের জানাতে মেইল করুন, অথবা মোবাইল করুন। আপনি যে কোন সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধানের জন্য আমাদের স্যেসাল মিডিয়ায় টেক্স করে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন, তবে কথা বলার জন্য অবশ্যই শুধুমাত্র মোবাইল নাম্বারে কল করুন, কেননা স্যোসাল মিডিয়ায় একই সংগে একাধিক ব্যক্তি টেক্স করে, আর যখন একজনার কল রিসিফ করা হয় অন্যদের সমস্যা তৈরী হয়। বিধায় আমাদের কোন স্যোসাল মিডিয়ায় কল এ্যলাউ নয়, আপনি যে কোন বিষয় টেক্স করতে পারেন।


আপনি আপনার সমস্যা লিখার সময় প্রথমে আপনার পূর্ণ নাম, পিতা মাতার নাম, জন্ম তারিখ ( অবশ্যই যদি সঠিক জন্ম তারিখ জানা থাকে তবেই দিবেন, ভুল বা সার্টিফিকেটে দেওয়া জন্ম তারিখ কোন ভাবেই দিবেন না।), জন্ম স্থান, অর্থাং আপনি যে স্থানে জন্ম গ্রহন করেছেন সেই স্থানের থানা ও জেলার নাম। আপনার বর্তমান পেশা, আপনার মোবাইল নাম্বার( জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য) আপনার ছবি (প্রয়োজনে ফেইস রিডিং করার জন্য), আপনি যে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন তার বিস্তারিত লিখবেন। যদি আপনার সমস্যার সাথে থার্ডপার্সন কোন ব্যক্তি বা নারী থাকে তবে অবশ্যই সেই নারী বা ব্যক্তির ছবি নাম, পিতা/মাতার নাম, জন্ম স্থান ইত্যাদি তথ্য দিবেন। সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনি আপনার বা আপনার পরিবারের কোন ব্যক্তির অর্থাৎ আপনার রক্তের সর্ম্পকের কাহারো তদবীর করাতে পারবেন, কিন্তু আপনার পরিচিত বা বন্ধু/বান্ধবীর তদবীর করাতে পারবেন না। আপনি তাদের পরামর্শ দিতে পারেন যে এখানে বা ওখানে কাজ ভালো করে গিয়ে করাতে পারো, কিন্তু সাথে থেকে কাজ বা তদবীর নিলে তা কখনই ফলপ্রশু হবে না। ১০০% ফেইলর। মূল কথা তদবীর যিনি করছেন তিনি এবং তদবীর কারক ব্যতিত তৃতীয় পক্ষ কেহই তদবীর বিষয়ক কোন প্রকার তথ্য জানতে পারবে না। তবেই আপনার কাজটি সুচারু রুপে সম্পন্য হবে। তদবীরের হাদিয় সর্ম্পকে প্রথমেই কাহারো নিকট হতে ধারনা নিবেন, কেননা তদবীর কারকের সহিত হাদিয়া নিয়ে কোন প্রকার বার্গেনিং/দরদাম করা চলবে না। যদি সেটা করেন তবেও কাজের সমুহ ক্ষতি। যদি আপনি তদবীরের হাদিয়া নিজের রোজগারকৃত অর্থ হতে দেন তবেই সবচাইতে ভালো, সমস্যা হলে কাহারো নিকট সুদ বিহীন কর্য নিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু কোন ভাবেই অসৎ উপায়ে অর্জনকৃত অর্থ, সমিতি বা ব্যাংক লোনকৃত অর্থ, সুদের উপর নেয়া অর্থ কখনই তদবীরের হাদিয় হিসেবে দিবেন না, এতে আপনার তদবীরের কোন প্রকার ফল’ই আপনি পাবেন না। কাজের ফলাফল নিয়ে অযথা শঙ্কা বা অস্তিরতা মনে আনবেন না। বেশি বেশি দান সদগা ও স্বীয় স্রষ্টার নিকট কাজের ফলাফলের জন্য প্রার্থনা করুন। তবে অবশ্যই আপনি সফলকাম হবেন।





Monday, June 17, 2019

Get Back Your Love # হারানো প্রেম ভালোবাসা ফিরে পাওয়ার তদবীর

সত্যিকারের ভালোবাসা কখনোই নষ্ট হয় না !!!

আমরা মানুষ্য জাত প্রায়শই একটি ভুল করি, আর তা হলো যখন যা আমাদের নাগালে থাকে তখন তার গুরুত্ব আমরা দেই না, বা তার মর্ম বুঝি না। যখন সেটা হারিয়ে যায় তখন সেটার গুরুত্ব বুঝতে পারি। যে কোন রিলেশনের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে থাকে, আমরা যখন একজনের সাথে রিলেশনে থাকি তখন তাকে অবহেলা করি, তার সন্মান করি না, বা তাকে তার প্রাপ্য মর্জাদা দিতে চাই না। আমাদের মানুষিক চেতনা বলে যাই করি না কেনো সে তো আর ছেড়ে যাবে না। কিন্তু যখন ছেড়ে চলে যায় তখন আমরা কপাল চাপড়ে মরি। আমরা অনেকেই আমাদের ভালোবাসার মানুষটির সাথে দির্ঘ্যদিন সর্ম্পক্য রাখলেও তাকে মনে প্রানে ভালোবাসলেও কেউ কেউ ভালোবাসি কথাটা মুখে বলি না, ভাবনা টা এমন যে সে তো জানেই আমি তাকে ভালোবাসি। কিন্তু মশায় ভালোবাসার মানুষটির কাছে আপনার আবেগের প্রকাশটা অবশ্যই জরুরী। কারন হতে পারে সে তার ভাবনায় ভিন্ন কিছুর ছবি আকঁছে।

আজকের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে যে সকল প্রেমিক পূরুষগন দির্ঘ্যদিন বা একটি নির্দিষ্ট সময় একজনের সাথে সর্ম্পকে থাকার পর তাকে হারিয়ে ফেলেছে। বা প্রেমীকা তাকে ছেড়ে চলে গেছে। বা তার সাথে ব্রেকআপ করেছে। বা অন্য কারো হাত ধরে চলে গেছে। বা তার সাথে প্রতারনা করেছে। তাদের জন্য। 
আমরা বলতে চাই মেয়ে মানুষকে আপনি যতটা সহজ সরল অবলা মনে করেন সে কিন্তু সেটা নয়, মনে রাখবেন তার জন্যই এই পৃথিবীর সৃষ্টি তার দ্বারাই সৌন্দর্যের সৃষ্টি তার কারনেই আপনার সুখ, তার কারনেই আপনার জন্ম। আর আজ যদি আপনি হারানোর যন্ত্রনা অনুভব করছেন সেটিও তার’ই কারনে। যাই হোক মেয়েরা মোটেও ছেলে খেলার বস্তু নয়। সেও স্রষ্টার সৃষ্টি মানুষ আপনার মাঝে যে সকল ভাবাবেগ কাজ করে ঠিক তেমনটি তার মাঝেও কাজ করে। সকল সময় মেয়েদের সন্মান দিয়ে তাদের ভালোবেসে আগলে রাখাই আমাদের কর্তব্য। কথায় বলে মেয়েরা হয় ভালোবাসে নতুবা ঘৃনা করে এর মাঝা মাঝি কোন বিষয় তাদের মাঝে নেই। আর সে কারনেই সে যদি আপনাকে ভালোবেসে থাকে তবে তার চাইতে বড় পাওয়া আর কিছুই জগতে আপনার কাছে থাকবে না। আর যদি একবার ঘৃনা করে তবে তার চাইতে বড় শত্রুও আপনি জগতে খুজে পাবেনা না। এই পৃথিবীর ইতিহাস বলে জগতে যতগুলো বড় বড় মানুষ্য সৃষ্ট প্রলয়ঙ্করী ধ্বংসযোগ্য সংগঠিত হয়েছে তার পিছনে অবশ্যই একটি মেয়ের গল্প রয়েছে। নারী জাতি বড়ই মায়াময় ও বিভৎস। 

আপনি যদি আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে হারিয়ে থাকেন আর তাকে পুনরায় ফিরে পেতে চান তবে কয়েকটি বিষয় আপনার নিজের মনকে জিজ্ঞেস করে সঠিক টা জেনে নিতে হবে। আর তা হচ্ছে আপনি যে নারীকে ফিরে পেতে চান তাকে কি সত্যি আপনি মন প্রান দিয়ে ভালোবাসেন না  কি সেখানে আপনার কোন স্বার্থ জরিত???

তন্ত্র, মন্ত্র, যন্ত্র, দোওয়া, তাবিজ, কবচ, পানি পড়া, ব্লাক ম্যাজিক, হোয়াইট ম্যাজিক, হিপনো টাইজ, মেসমেরিজম, জাদু, টোনা, বান ইত্যাদি যাই করেন না কেনো। তদবীরের পূর্বেই তদবীর কারকের নিকট জেনে নিন তিনি কি করতে যাচ্ছেন।

যে কোন বশিকরণ তদবীরের পূর্বে তদবীর কারককে এই বিষয়টি অবশ্যই অবহিত করবেন। কারন ভালোবাসার মানুষটিকে আকর্ষন করার জন্য তদবীর আর একটি নারীকে স্বার্থের জন্য আকর্ষন করার তদবীর কখনই এক নয়। আর এই ভুলটির জন্যই অনেক ক্ষেত্রেই অনেকে তান্ত্রিকের দারস্ত হয়েও হতাষ হয়ে ফিরে এসেছে। মনে রাখবেন বর্তমান সমাজে ও ভার্চুয়াল জগতে তান্ত্রিকদের এতটাই ছড়াছড়ি যে আপনি নিজেই দিশে হারা হয়ে যাবেন এই সিদ্ধান্ত নিতে যে কে রিয়েল আর কে ফেইক। আমরা বাংলাদেশের তান্ত্রিক জরিপে যা পেয়েছি তাতে শতকরা ৯৯% ফেইক। উপরন্ত এই ফেইক তান্ত্রিকদের মাঝে অধিকাংশই কম বয়ষ্ক ও অশিক্ষিত। ভার্চুায়াল জগতে যে সকল হাইব্রিট তান্ত্রিক পেইজ প্রতিনিয়ত তৈরী হচ্ছে এবং ঝরে যাচ্ছে এর মাঝে ৯৯% এমন রয়েছে যারা কি না কম্পিউটার অপারেটর মাত্র। আর এই অপারেটরা এই বিষয় ভালোভাবেই জ্ঞান রাখে কি ভাবে একজন সাধারন মানুষকে কনভেন্স করতে হয়। পাবলিক কোন ধরনের তান্ত্রিকতায় বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে। কেমন অফার তারা চায়। কি ধরনের কথায় তাদের কনভেন্স করা সম্ভব। ইত্যাদি।

সাধারন ভিজিটরদের এই সকল ফেইক তান্ত্রিক চেনার জন্য আমরা ইতিপূর্বের বেশ কয়েকটি পেইজে কিছু অনলাইন এ্যনালাইসিস থিউরি প্রদান করেছিলাম আপনারা চাইলে পূর্বের পোষ্টগুলো দেখে আসতে পারেন। তবে সাধারন ভাবে কয়েকটি কথা মাথায় রাখবেন- প্রথমত যে সকল স্যোসাল মিডিয়ায় প্রচারিত চাকচিক্য তান্ত্রিক বিজ্ঞাপন দেখবেন তা এড়িয়ে চলুন। কারন চকচক করলেই শোনা হয় না। বর্তমান সময় ফেইসবুক পেইজের লাইক টাকা দিয়ে কেনা যায়। আর বেশি লাইককৃত পেইজ মানেই সেটা সঠিক সেটা ভাবা বড় রকমের ভুল। দ্বিতীয়ত যে সকল তান্ত্রিক পেইজের সাথে ওয়েব এ্যড্রেস নেই সেটি ১০০ ভাগ নিশ্চিত ফেইক। ওয়েব এ্যড্রেসে প্রদানকৃত মোবাইল নাম্বার ও স্যোসাল মিডিয়ায় প্রচারকৃত মোবাইল নাম্বার এক না হলে এড়িয়ে যান। যে সকল ওয়েব সাইট দু এক বছরের মধ্যে তৈরীকৃত সেগুলো নিশ্চিত ফেইক ওয়েব সাইট। যেখানে দেখবেন ৩ ঘন্টায় বা ২৪ ঘন্টায় কাজের ফলাফল সেটা তো অনেক বড় ভাবনার বিষয়। কারন দেখুন নারী হোক বা পূরুষ সে একজন মানুষ আর একজন মানুষের মন কখনই কোন পানি পড়া বা তাবিজ করে এতো তারা তারি পরিবর্তন করা যায় না, যেটা আমরা বিভিন্ন নাটক বা গল্পে পড়ে থাকি। মানুষের মন পরিবর্তন হতে অবশ্যই সময় লাগবে। অনলাইনে কোন কাজ দেওয়ার পূর্বে ভেবে রাখুন, আপনি যাকে বশ করতে আগ্রহী তার সঠিক জন্ম তারিখ, নাম, বাবা মায়ের নাম, ছবি ইত্যাদি আপনার কাছে আছে কি না। যে তান্ত্রিকের নিকট হতে সার্ভিস নিচ্ছেন সে কোন ধর্মের তান্ত্রিক আপনি কোন ধর্মের সেবা গ্রহন কারি সেটিও বড় বিষয়। কোন তান্ত্রিক যদি তাবিজ, কবচ, পানি পড়া, চিনি পড়া ইত্যাদি আপনাকে দেয় তবেও ধরে নিন আপনার কাজ হবে না। কারন এই সকল উপকরনে বর্তমান সময়ে কাউকে বশ করা হয়েছে এমন বাস্তব নজির বিরল। হ্যা আপনি হয়তো লোক মুখেই শুনে থাকবেন অমুকের হয়েছে অমুকের হয়েছে। কিন্তু প্র্যাকটিক্যাল কাউকে খুজে পাবেনা না। তান্ত্রিক কাজ নেওয়ার পূর্বে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আপনার জানা দরকার সেটি হচ্ছে । যার জন্যেই তদবীর করুন না কেনো একমাত্র তান্ত্রিক এবং আপনি ছাড়া অন্য কেউ যেনো এ বিষয় কিছু জানতে না পারে। নতুবা কাজের ফল আপনার জন্য নয়।..........

Monday, June 3, 2019

How will my prayer be accepted? ইসমে আজম কি?


সকল বাঙ্গালী মুসলিমদের প্রতি রইলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা

আজ আমরা জানবো প্রার্থনা কবুলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আমরা অধিকাংশ বাঙ্গালী জন্মগত ভাবেই ধর্মভিরু, ধর্ম বিষয়টি আমাদের নিকট অনেক
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আর তারই রেশ ধরে সমাজের আলেম সমাজ আমাদের ছোট্ট থেকেই
স্রষ্টাকে ভয় করার, স্রষ্টাকে খুশি রাখার বিষয়টি নিয়ে নানা বিধ প্রবচন দিয়ে থাকে। কিন্তু
মজার বিষয় অধিকাংশ আলেম নিজেরাই স্রষ্টা বিষয় হয়তো জ্ঞ্যাত নন।

একটি বিষয় ভাবুনতো আপনার বাবা মা যারা আপনাকে জন্ম দিয়েছেন, তাদের কে কি আপনি শুধু ভয়’ই পাবেন? সকল সময় তাদের আপনি খুশি করে চলার চিন্তাই করবেন? আর তেনাকে খুশি করার জন্যই সারা জীবন বির্সজন দিবেন?
যে মহান স্রষ্টা মহামহিম দয়াময় রাব্বুল  আলামিন আমাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি নিশ্চয় আমাদের শুধু তার এবাদৎ বন্দেগি করে সারা জীবন পার করতে দুনিয়াতে প্রেরন করেন নি? তাই যদি হতো তবে তো আমাদের মানুষ না বানিয়ে ফেরেস্তা বানাতে পারতো, যাদের পাপ করার কিছু নাই, চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই, দুক্ষ/কষ্ট/সুখ বলে কিছু নেই। আমাদের তো সবকিছুই রয়েছে তাহলে কেনো আমরা শুধু স্রষ্টার গুনগান করেই জীবন পার করবো? আর যারা গুনগান করেই জীবন চালায় তাদের ডাকে কি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সাড়া দেয়?? তারা স্রষ্টার নিকট যা চায় তাই কি পায়? তাদের দুঃক্ষ, কষ্ট কি স্রষ্টা সব দুর করে দেয়??? যদি দেয় তবে তো মিটেই গেলো আমরা সবাই তার গুনগান শুরু করি, আর যদি না দেয় তবে কেনো দেয় না।
এই প্রশ্নের উত্তরে অনেক আলেম সজোরে বলে উঠবে স্রষ্টা আমাদের পরিক্ষার মধ্যে রেখেছে দুনিয়াতে কিছু দিবে না যা দিবে পরকালে দিবে !!! 
হাউ ফানি
তবে তাকে দুনিয়াতে পাঠালো কেনো??? মানে
আপনার বাবা/মা অর্থাৎ কোন বাবা মাই কি তার কোন এক সন্তান কে বেশি ভালোবাসলে কঠিন শিতের রাত্রে গলাপানিতে ডুবে থাকতে বলবে, বা সেটা দেখে বাবা মা খুশি হবে???



বাস্তবতা সত্যি ভিন্ন- এটা সত্যি স্রষ্টা আমাদের পৃথিবীতে প্রেরন করেছে পরিক্ষা করার জন্য, তবে আমরা যে পরিক্ষার কথা বলে থাকি বা ভেবে থাকি সেটা পরিক্ষা নয়, সেটা সাস্তি। স্রষ্টা পরিক্ষা করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিভিন্ন মাধ্যমে। হতে পারে সেটা কোন অসুখ, কষ্ট, লাঞ্চনা, দুঃক্ষ। তবে কখনই সেটা সকল সময়ের জন্য নয়, যে অসুখ, কষ্ট, লাঞ্চনা, দুঃক্ষ অনন্ত তা পরিক্ষা নয়, সাস্তি, স্রষ্টার প্রকোপ। আমরা এ বিষয় ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে আপনাদের সাথে অন্য কোন পোষ্টে বিস্তর আলোচনা করবো। এখানে স্রষ্টা কি ভাবে আমাদের প্রার্থনা কবুল করবে সে বিষয় আলোচনা করি।


প্রথমেই আসি কি ধরনের প্রার্থনা স্রষ্টা কি ভাবে কবুল করে- যে বিষয়টি আপনার ব্যক্তিগত আপনার পরিবার পরিজনের জন্য, আপনার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সে সকল পার্থনা অবশ্যই আপনাকে ব্যক্তিগত ভাবেই গোপনে স্রষ্টার নিকট জানাতে হবে, আপনি সকলের সামনে, সকলকে নিয়ে আপনার ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য স্রষ্টার নিকট পার্থনা করে ফল পাবেন বলে আশা করা যায় না। তাকে ডাকতে হবে তার সাথে একাত্ব হতে হবে আর সে কারনে অবশ্যই তার সাথে আপনার সম্মোধন জানতে হবে (ইসলামী শরিয়ায় যাকে বলা হয় ইসমে আজম)। হ্যা আপনার পরিবারে যেমন ২০ জন সদস্য থাকতে পারে কিন্তু সকলের সাথে সকলের সম্মোধন একনয়, সর্ম্পক্য এক নয়, যেমন আপনি আপনার বাবাকে ভাই বলে ডাকলে তিনি সারা দিবেন না, বরং আপনার কপালে এর জন্য দুর্ভোগ রয়েছে, বোন কে মা বা বউ বলতে পারবেনা, তেমনি কোন একজন মহাপূরুষের বলে যাওয়া ইসমে আজম আপনার জন্য প্রযোজ্য নয়, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ১০০১ টি নাম, প্রচলিত ৯৯টি নাম এর মধ্যোহতে যে কোনটি ধরে তাকে ডাকতে হতে পারে বা এমনও হতে পারে সম্পূর্ণ ভিন্ন নামে আপনাকে সম্মোধন করতে হবে, কিন্তু সেটা কি? সেটি কি ভাবে আপনি জানবেন? কোথায় পাবেন? হ্যা সে নিয়মটিও স্রষ্টা জানিয়ে দিয়েছে। আপনি আপনার সম্মোধন অনুসারে আপনার প্রয়োজনে স্রষ্টাকে সে ভাবে ডাকলে অবশ্যই ১০০% স্রষ্টা আপনার ডাকে সাড়া দিবে আপনার আকাঙ্খা পূর্ণ করবে। পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মিশর সহ বিভিন্ন দেশে অসংখ্য ইসলামী স্কলার রয়েছে যারা আপনাকে আপনার স্বীয় স্রষ্টার ইসমে আজম বের করে দিতে পারে বা দিবে। আপনাকে অবশ্যই নিয়মানুসারে স্রষ্টাকে সে ভাবেই ডাকতে হবে, তার নিকট চাইতে হবে। স্রষ্টা বহুবার বলেছে ওহে বান্দা তোমরা আমার নিকট চাও আমরা দিবো। কিন্তু যদি বাবাকে বলি নানা আমার কিছু টাকা লাগবে দিন, তবে কি আমি টাকাটা পাবো, না কি অন্য কিছু পাবো? আমাদের অধিকাংশ আলেম সমাজ এ বিষয় অজ্ঞ যে কারনেই তারা কিছু উদ্ভট ব্যাখা দিয়ে থাকে যে এটা এখন পাবেন না, পরকালে পাবেন, স্রষ্টা পরিক্ষা নিচ্ছে। ইত্যাদি। 
আপনি সমাজের বা একটি এলাকার বা একটি অঞ্চলের জন্য একা কখনো দোওয়া করতে যাবেন না, কারন সেখানে আপনার একার দোওয়া কার্যকর কখনই হবে না। এ বিষয় বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তীতে করা হবে।
স্রষ্টাকে রাজি খুশি করানোর জন্য নিয়মিত স্রষ্টাকে সঠিক ভাবে স্বরন করাই যথেষ্ট, স্রষ্টা কখন’ই কাহারো উপর জুলুম চাপিয়ে দেন না, আর আপনি যদি একবার স্রষ্টাকে ডাকার কোড পেয়ে যান, একবার যদি আপনার ইসমে আজম পেয়ে যান, স্রষ্টার সাথে আপনার সর্ম্পকের নাম পেয়ে যান তবে অবশ্যই আপনার আর কোন কিছুর’ই প্রয়োজন থাকবে না, মহান রাব্বুল আলামিন আপনার সমস্ত আশা আকাঙ্খা পূর্ণ করবেন’ই। তবে এরমানে এই নয় যে আপনি সারাজীবন সুখের সাগরে ভাসবেন! আপনি আপনার সকল কর্মফল তো ইহোজগতেই পাবেন, আপনি আপনার চলমান জীবনে আপনার জানা/অজানায় যখন যে ভুল ত্রুটি করবেন তার সাস্তি আপনাকে অবশ্যই ভোগ করতে হবে। যেমনটা স্বাভাবিক ভাবেই হয়ে থাকে। আপনি কষ্টে থেকে স্রষ্টাকে খুশি করবেন সেটা আপনার ভুল ভাবনা। হ্যা তবে মনে রাখবেন স্রষ্টাকে ডাকার জন্য অবশ্যই আপনার নিজেস্ব কোড বা সম্মোধন বা সর্ম্পক্য রয়েছে কিন্তু স্রষ্টাকে নাখোশ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু বিষয় গন্ডিভুত নেই। আপনি যদি স্রষ্টার সৃষ্টিকুলের কোন কিছুকেই আঘাত করেন, কষ্টদেন, কষ্টের কারন হন, তবে স্রষ্টা অবশ্যই আপনার প্রতি নাখোশ হবেন, আর এর ফল আপনাকে আখিরাতে নয়, ইহোজগতেই ভোগ করতে হবে। আর সেটা যে কোন ভাবেই হোক না কেনো।


সরাংশঃ আপনি যদি আপনার সাথে স্রষ্টার সর্ম্পক/ইসমে আজম/সম্মোধন জানতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের সাথে রয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের খ্যাতমান ইসলামী স্কলার যেনারা আপনাকে আপনার সাথে স্রষ্টার সর্ম্পকের নাম বের করে দিবে।


ভাবুনতো= পবিত্র মাহে রমজানের ৩০টি রোজা রেখে আপনি স্রষ্টার জন্য কি করলেন, স্রষ্টা আপনার জন্য কি করলো??? অবশ্যই ভালোবাসা একতরফা হয় না, ভালোবাসা সেটাই যেটা উভয় পক্ষে থাকে সমান সমান। আপনি যদি মনে করেন স্রষ্টা এই যে আলো বাতাস জীবন ইত্যাদি দিয়েছে এটাই তো অনেক তবে আপনার মাথায় সত্যি অনেক জ্ঞান !!! আরে ভাই এই সমস্ত কিছু তো একটা কুকুর বা শুকরের জন্যেও সমান বা একজন নাস্তিকের জন্যেও সমান বরাদ্দ, তাহলে আপনার স্পেশালিটি কি থাকলো???? জানতে চায়নি কখনো মন? যদি স্রষ্টাকে ভালোবাসতে চান, তবে এমন ভাবে ভালোবাসুন যাতে স্রষ্টাও আপনাকে সমান ভাবে ভালোবাসে। একতরফা প্রেমের কোন মূল্য নেই। বহু পূর্বের একটি বাঙ্গালী শ্লোক রয়েছে “ডাকার মত ডাকলে খোদা কেমনে শোনে না” সেটা এই বাঙ্গালী কেনো আজও বুঝলো না??? আসুন আমরা সকলেই স্রষ্টাকে ভালোবাসি, এবং সেই সাথে স্রষ্টার নিকট হতে আমাদের ভালোবাসার নিজ নিজ প্রাপ্য উপঢৌকন বুঝে নেই।।

Monday, April 22, 2019

বশীকরণ বা আকর্ষন তন্ত্র


আজ আমরা অত্যন্ত দুঃস্প্রাপ্য কার্যক্ষম একটি বশিকরণ তন্ত্র নিয়ে আপনাদের সাথে হাজির হয়েছি, সাধারন যে সকল মানুষ একট্র গ্রাম সাইটে বসবাস করে তাদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক ও সহজ এই বশিকরন পদ্ধতী। যে কেউ এই পদ্ধতী ব্যবহার করে তার হারানো প্রেমীক/প্রেমীকাকে বা ভালোবাসার মানুষটিকে কাছে পেতে পারে।

প্রয়োজনীয় সামগ্রীঃ

একটি ব্যাঙ্গ (নর/মাদি)

কিছুটা সিদুঁর

পঞ্চরস

দিনঃ শনি বা মঙ্গল বার

সময়ঃ সন্ধার একটু আগে (সুর্য ডুবার পূর্বে)

দিকঃ আকাঙ্খীত ব্যক্তির বাড়ীর দিকে মুখ।

মন্ত্রঃ নিষ্প্রয়োজন

বিধিঃ প্রথমে বর্ষাকালে একটু সাবধানে বৃষ্টিরদিনে বাড়ীর আসে পাসে খুজে দেখুন জলাশয়ে যে একটু বড় সাইজের বেঙ পাওয়া যায় সেই সাধারন বেঙ্গের কথাই বলা হচ্ছে, মূল সমস্যাটি হচ্ছে বেঙ চিনতে পারা অর্থাৎ আপনি যদি পূরুষ হয়ে থাকেন আর কোন মেয়েকে কনভেন্স করতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে স্ত্রী বেঙ জোগার করতে হবে, তেমনি ভাবে আপনি যদি মেয়ে মানুষ হয়ে থাকেন আর কোন পুরুষকে কনভেন্স করতে চান তবে অবশ্যই কোন পুরুষ বেঙ জোগার করতে হবে। নিচে বেঙ চেনার একটি সরল নিয়ম দেওয়া হলো, সেই সাথে পঞ্চমল জোগারের সহজ পদ্ধতী। অন্যান্ন কাজের নিয়ম দু ক্ষেত্রেই একই। 

যেমন প্রথমত আপনি একটি শনি বা মঙ্গলবার বেঙ জোগার করবেন, এরপর সেটিকে কোন সুরক্ষিত স্থানে জীবিত আটকে রাখতে হবে, পরবর্তী কাজের জন্য। এরপর আপনাকে নিজের শরীরের পঞ্চরস জোগার করতে হবে, যেমন ১) চোখের পানি, ২) নাকের পানি. ৩) মুখের লালা বা থুতু, ৪) বির্য নারীদের ক্ষেত্রে কামরস বা মুত্র ব্যবহার হতে পারে, ৫) নিজ শরীরের রক্ত। এই সকল কিছু অতি সামান্য পরিমানে এক সংগে একটি চামুচ বা কাচের পাত্রে নিতে হবে। যেমন সকল কিছু ১ ফোটা করে হলেই যথেষ্ট। এবার ঠিক সন্ধার সময় কোন নির্জন ঘরে বসে বেঙটিকে সামনে নিয়ে বসুন এবং আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তির কথা ভাবুন এবং বেঙ্গটিকে মুখের সামনে নিয়ে তাকে তিনবার বলুন আমি অমুক (নিজের নাম ও নিজের বাবার নাম), অমুকের (প্রেমিকার নাম ও তার মায়ের নাম) জন্য পাগল, তাকে আমি ভালোবাসি, আমি তাকে পেতে চাই। এবার সেই বেঙ্গের মুখ সাবধানে ফাক করে আপনার নিকট রক্ষিত পঞ্চমল ঢেলেদিন এবং তার মাথায় একটু সিদুঁর লাগিয়ে দিন। এবং তাকে নিয়ে গিয়ে আপনার প্রেয়শীর বাড়ীতে চুপিসারে ছেড়ে দিয়ে আসুন, অবশ্যই সেদিন রাত্রেই ছেড়ে দিয়ে আসবেন। কয়েকদিন অপেক্ষ করুন আপনার প্রেয়শী অবশ্যই আপনার জন্য ব্যকুল হয়ে আপনার সাথে যোগাযোগ করবেন। এর ব্যতিক্রম হবেই না।

বিঃদ্রঃ কাজের পূর্বে গুরুদক্ষিণা প্রদান করে গুরুর অনুমতি নিয়ে নিবেন, নতুবা সবকিছুই বৃথা হতে পারে।


পুরুষ ও স্ত্রী ব্যাঙ কি করে চিনবেনঃ পুরুষ ব্যাঙ চেনার উপায়: » নীচের চোয়ালের দুধারে দুটি কাল বর্ণের স্বর থলি আছে। » নীচের চোয়ালের সামনে দু’হাতের মাঝখানের জায়গা হলুদ রংয়ের থাকে। » গায়ের পর্দা সাধারনভাবে ছোট হয় এবং আঙ্গুল মোটা হয়। » গায়ের কব্জী বেশ মোটা হয়। » প্রজনন ঋতুতে উজ্জল বর্ণ ধারন করে। » সামনের পায়ের পেছন দিকে চাপ দিলে মুখ থেকে শব্দ করতে থাকে। » আকারে বড় ও ওজন বেশী হয়। স্ত্রী ব্যাঙ চেনার উপায়: » স্বর থলি নেই। » সব ঋতুতেই চোয়ালের সামনে দু’হাতের মাঝখানের জায়গার রং হালকা ধুসর থাকে। » গায়ের পর্দা বড় দেখায় এবং আঙ্গুল সরু হয়। » পায়ের কব্জী বেশ সরু হয়। » প্রজনন ঋতুতে পেট ফুলে থাকে। » সামনের পায়ের পেছন দিকে চাপ দিলে কোনরকম শব্দ করতে পারে না বরং পেট ফুলে উঠে এবং কিছু ক্ষেত্রে মলমুত্র ত্যাগ করে। » আকারে ছোট ও ওজন কম হয়। 

পঞ্চমল জোগারঃ প্রথমত আপনি আপনার প্রেয়শীর কোন বিশেষ কথা ভাবুন তাহলেই হয়তো চোখে পানি আসতে পারে, নতুবা আপনি তাকে ভাবতে ভাবতে এক নাগারে আকাসের দিকে তাকিয়ে থাকুন দেখুন চোখে পানি চলে আসবে, সেখান হতে এক ফোটা সংগ্রহ করুন। চোখে পানি আসলে সাধারন ভাবে নাকেও পানি চলে আসে তবে নাকে পানি না আসলে ঝাঝালো কোন কিছুর একটু গন্ধ নিন, নাকে পানি চলে আসবে। এমনি ভাবে টক খাবার যেমন তেতুল বা কাঁচা আমের কথা ভাবতে ভাবতে জিভ বের করে নিচু মাথা হয়ে থাকুন টপটপ করে পানি পরতে থাকবে। যারা হস্তমিথুন করে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে বির্য বা কামরস বের করা খুব কঠিন কিছু নয়, যারা করেন না তারা একদিন চেষ্টা করুন আপনার প্রিয় ব্যক্তিকে ভেবে তাহলেই কাজ হয়ে যাবে। নিজের ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুলের ডগায় সুই বা কোন কাটা দিয়ে একটু আলতো ভাবে ফুটো করলেই রক্ত পেয়ে যাবেন। 

মহিলা/স্ত্রী/নারী/মেয়ে বশীকরণ#লোক/পূরুষ/মানুষ্য বশীকরণ বা বাধ্য করা

আমরা আজ আমাদের সার্বজনিন কিছু ভুল নিয়ে আলোচনা করবো। সাধারনত তান্ত্রিক বিষয়ে আমরা সচারাচর যে ভুল গুলো করে থাকি- আমরা অনেকেই জীবনের কোন...