Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu
It is very glad to inform that all of our services are no longer confined to the Bengali people. Our service fulfills the needs of the beginners, raising the confidence of all religions, people, and nations irrespective of nationality in different countries of the world. That's why we started providing services in English version along with Bengal as well as for all. Besides, we have increased the quality of services and other facilities. We hope that we can play an appropriate role in fulfilling your dreams. ### Spiritual problems, tantric services, awakening of natural energy, spiritual pursuit education, training of white and black magic, calling on the soul, communicating with the dead, avoiding bad eyesight.

.

.

Monday, February 17, 2014

জ্বীন হাজির করাঃ


মন্ত্রগুরু

জ্বীন হাজির করাঃ
۷۸٦
۸
۱۱
۱٤
۱
۱۳
۲
۷
۱۲
۳
۱٦
۹
٦
۱۰
۵
٤
۱۵



দোওয়াঃ  বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আ’যামতু আ’লাকুম ইয়া মা’শারাল জিন্নি ওয়াল ইনসি রবতান রবতান, মাহলান মাহলান, নাশরান নাশরান, মাহশারান মাহশারান, বিহাক্কি সুলাইমানা পয়গামবারাইনি দাউদা আ’লাইহিমাস সালামা। হাজির শাও হাজির শাও হাজির শাও।।

বিধিঃ জ্বীন হাযির করা ও উহাকে বাধ্যগত করা বেশ কঠিন কাজ। এই কাজে সফলতা লাভ করিলে অনেক উপকার পাওয়া যায় ঠিক তেমনি সফল হইতে না পারিলে বিপদের সম্মুখিন হইতে হয়। কোন কোন সময় সাধকের জীবন নিয়ে সংসয় দেখা দেয়। সুতারাং অতি সাহিসী ব্যক্তিগণ ব্যতীত ভীরু লোকদের পক্ষে এই সাধনা করা ঠিক হইবে না।

জ্বীন হাযির করিবার ইচ্ছা করিলে যে কোন চন্দ্র মাসের প্রথম সপ্তাহে সাধনা শুরু করিতে হইবে। একটি নির্দিষ্ট স্থান ঠিক করিয়া গভির রজনীতে লোকজন নিদ্রামগ্ন হওয়ার পরে সাধনা শুরু করিবে। যেহেতু লোকজনের কথাবর্তার মধ্যে আমলের একাগ্রতা ভঙ্গ হইয়া থাকে।

সাধনা শুরু করিবার পূর্বে স্থানটিকে ধুপ-লোবান জ্বালাইয়া এবং নিজে কোন ভালো আতর-সুগন্ধি লাগাইয়া সুবাসিত করিয়া লইবে। তারপর জায়নামাযের উপর পশ্চিম মুখী হইয়া বসিয়া প্রথমে ১১ বার যে কোন দরুদ শরিফ পাঠ করিবে এবং উপরক্ত দোওয়াটি ১১০০ (এগার শত) বার পাঠ করিবে পূনঃ  ১১ বার দরুদ শরীফ পাঠ করিবে। আমলের মধ্যে সময় নষ্ট করা যাইবেনা শোয়া বা উঠা ত্যাগ করিবে এক বৈঠকে সমস্তটাই শেষ করিবার চেষ্টা করিবে। আর আমলের সময় অবশ্যই তান্ত্রিক আচার পালন করিবে। এবং দোওয়াটির শেষে “হাজির শাও” কথাটি বলিবার সময় অবশ্যই হাতে তালি দিবে।।

এরপর উপরক্ত নকশাটি একটুকরো সাদা কাপড়ে জাফরান ও গোলাপজল দ্বারা লিখিয়া একটি মাটির চেরাগে সলিতা বানাইয়া সুগন্ধি তৈল দ্বারা জ্বালাইবে। নকশাটি সাধনা শুরুর পূর্বেই কাপড়ে লিখিয়া রাখিতে পারিবে।।

বিঃদ্রঃ সাধনার পূর্বে অবশ্যই কোন ভালো গুরুর অনুমতি গ্রহন করবে।।

বশীকরণ বা আকর্ষন তন্ত্র

আজ আমরা অত্যন্ত দুঃস্প্রাপ্য কার্যক্ষম একটি বশিকরণ তন্ত্র নিয়ে আপনাদের সাথে হাজির হয়েছি, সাধারন যে সকল মানুষ একট্র গ্রাম সাইটে বসবাস করে...