Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu
It is very glad to inform that all of our services are no longer confined to the Bengali people. Our service fulfills the needs of the beginners, raising the confidence of all religions, people, and nations irrespective of nationality in different countries of the world. That's why we started providing services in English version along with Bengal as well as for all. Besides, we have increased the quality of services and other facilities. We hope that we can play an appropriate role in fulfilling your dreams. ### Spiritual problems, tantric services, awakening of natural energy, spiritual pursuit education, training of white and black magic, calling on the soul, communicating with the dead, avoiding bad eyesight.

Friday, February 7, 2014

পীর-সাধনাঃ


পীর-সাধনাঃ
মন্ত্রঃ “সৌ চক্র কী বাবড়ী লাল মোতিয়ন কা হার,
পদ্মনী পানী নীকরী লঙ্কা করে নিহার।
লঙ্কা সী কোট সমুদ্র সী’খাই,
চলো চৌকী রাম চন্দ্র কী আই।
ক্লৌন বীর চলে মস্তান বীর চলে শোকা বীর।
সওয়া হাত জমীন সোখত জল শীতল করে,
থল কো সোখন্ত করে, পবন কো সোখন্ত করে,
পানী কো সোখন্ত করে, অগ্নি কো সোখন্ত করে,
পলীতনী কী ভূত-প্রেত কো পলত করে।
অপনে বৈরী কৌ সোখন্ত করে বতাউ
পরমাত্না কা চক্র চলে ওহা নৌ মদন সোয়া করে।
নহী তো মা কা চুরা পুছ হরা করে।
শব্দ সাংচা চলো যন্ত্র ঈশ্বরী বাচা।”
মন্ত্র শেষে সাধক নিজ নাম উচ্চারন করবে।

v  বিধিঃ পীর বাবার সাধনা খুবই সরল কিন্তু দূর্লভ। সিদ্ধিলাভ করার পর পীরবাবা সাধকের সাথে সাথে থেকে তার সমস্ত কাজ করে দেয়। ইনি কয়েক মুহুর্তের মধ্যে কাজ সমাধা করে দেয়। এই সাধনার দ্বারা আপনি ভূত, প্রেত, পিশাচ, ব্রহ্ম রাক্ষস গ্রস্ত ব্যক্তিকে সুস্থ করে তান্ত্রিক হয়ে যেতে পারেন। যদিও এই সাধনার সময়টা একটু বেশি তবে এই সাধনাটি অত্যন্ত সহজ এবং কোন বাধা বিঘ্ণ ছাড়াই সমাধান হয়ে থাকে। উপরন্ত এই সাধনার যে মন্ত্র তা সাবর মন্ত্র এই মন্ত্রের ধ্যান, ন্যাস বা চৈতন্য বিধান প্রয়োজন হয় না। প্রথমত নিজের ঘরে বা এমন কোন স্থানে যেখানে জনশুন্য, স্থান নির্দিষ্ট করে আসন নির্দিষ্ট করতে হবে। যে কোন চন্দ্র মাসের প্রথম শুক্রবার শুরু করবেন। আসন পেতে বসুন এবং আসনের সামনে একটি যজ্ঞকুন্ড তৈরী করুন, সাথে রাখুন লবঙ্গ, ধুপ, দীপ, ফুল সুগন্ধি ইত্যাদি, ফুল অবশ্য প্রতিদিন নতুন ফুল আনবেন, এবার উপরক্ত মন্ত্রটি উচ্চারন করুন, প্রতি বার মন্ত্র শেষে একটি করে লৌংগধুপ এর গুলি বানিয়ে যজ্ঞকুন্ডে নিক্ষেপ করে প্রনাম করুন। একই ভাবে প্রতিবার মন্ত্র উচ্চারন শেষে যজ্ঞকুন্ডে লবঙ্গ ধুপের গুলি নিক্ষেপ করতে হবে। এভাবে ১০৮ বার করতে হবে। একই নিয়মে একই সময় নির্ধারন করে একটানা ২১ দিন চলবে। এবার শেষের দিন অর্থাৎ ২১ তম দিনে পীর বাবা সাধকের সামনে দৃষ্টিগোচর হবেন, তিনি সাধকের সাথে সাথে থেকে সাধকের সকল কাজ করে দিতে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হবেন। একটি বিষয় খুব সাবধান থাকতে হবে যে সাধনার মাঝে কোন ভাবেই কোন বিরতী চলবে না। অপবিত্র অবস্থায় সাধনা শুরু করবে না। সাধনার কথা বা সধনা চলাকালিন কোন ব্যক্তির নিকট ইহার বিষয়ে মুখ খোলা যাবে না। সাধনার কথা যদি সাধক কারও সামনে বলে ফেলে তবে সাধকের ক্ষমতা নিঃশ্বেষ হয়ে যাবে, পীর বাবা আর সাধকের নিকট আসবে না। সাধনা চলাকালীন সাধক মৌন ব্রত, এবং তান্ত্রিক বিধান মেনে চলবে।।

How will my prayer be accepted? ইসমে আজম কি?

সকল বাঙ্গালী মুসলিমদের প্রতি রইলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা আজ আমরা জানবো প্রার্থনা কবুলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা...