Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu
It is very glad to inform that all of our services are no longer confined to the Bengali people. Our service fulfills the needs of the beginners, raising the confidence of all religions, people, and nations irrespective of nationality in different countries of the world. That's why we started providing services in English version along with Bengal as well as for all. Besides, we have increased the quality of services and other facilities. We hope that we can play an appropriate role in fulfilling your dreams. ### Spiritual problems, tantric services, awakening of natural energy, spiritual pursuit education, training of white and black magic, calling on the soul, communicating with the dead, avoiding bad eyesight.

Tantrism (তন্ত্র বিদ্যা)


উলুক তন্ত্র-মন্ত্র

নিচের প্রতিটি কাজেই তান্ত্রিক বিধি পালন আবশ্যক। সেই সংগে গরুর আদেশ নিতে হবে।

অদৃষ্য হওয়ার জন্য

রবিবার দিন প্যঁচার কিছু পালক আগুনে পুড়িয়ে ভষ্ম (ছাই) করতে হবে। এবার সেই ভষ্মের সাথে কুঙ্কুম ও কস্তুরী মিশিয়ে গুটিকা (ছোট বল আকৃতি) তৈরী করবে। সেই গুটিকা দ্বারা চোখে কাজল দিলে, অদৃশ্যকরণ হয়ে। এই কাজ সাবধানে করতে হয় এবং গুরুর আদেশ ছাড়া এই কাজ করতে যাওয়া উচিৎ নয়।

বশীকরণ কাজল

প্যঁচার হৃদপিন্ড ও গোরচনা, এই দুটি দ্রব্য পেষন করে গুটিকা তৈরী করবে। তারপর সেই গুটিকা দ্বারা চোখে কাজল দিয়ে যার দিকেই তাকাবে সেই তাৎক্ষনিক বশিভুত হবে।

সর্ব্ব বশীকরণ

প্যঁচার মাংস, তগর, চন্দন, কুঙ্কুম ও গোরচনা, এই সব দ্রব্যগুলি পেষন করে ছায়ায় শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই চূর্ণ যেই ব্যক্তিকে খাওয়ানো যাবে সেই ব্যক্তি সংগে সংগে বশিভুত হবে।

মোহন ও বশীকরণ

প্যঁচার মাংস, পায়রার বিষ্ঠা, কুঙ্কুম ও গৌরচনা এগুলো এক সংগে মিশিয়ে, নিজের কপালে তিলক ধারন করে যার সামনেই যাওনা কেন সংগে সংগে মোহিত হবে।

ভূমিগত অর্থাদি

প্যঁচার কলিজা (হৃদপিন্ড), শুকনো করে চূর্ণ করে নিতে হবে, তারপর সেই চূর্ণ নিজের পায়ে লেপন করলে এবং মাটিতে অল্প গর্ত করে তার মধ্যে নিজের দুটি পা রাখবে ও তিন হাত দুর পর্যন্ত চললে, মাটির নিচে থাকা যে কোন গোপন বস্তু দৃষ্টিগোচর হবে।

রাত্রিতে পঠণ

প্যঁচার মাথা, হরিতাল ও মনঃশিলা এই সব দ্রব্য পেষন করে গুটিকা তৈরী করবে। পরে এই গুটিকার দ্বারা চোখে কাজল দিলে, অন্ধকার রাত্রেও সব দেখা যায়।

সমুদ্র গমন

প্যঁচার চর্বি, তিল ও সরষের তেল এই সব দ্রব্য আগুনে পাক করে গাঢ় করে নেবে পরে সেই মিশ্রনকে তাবিজে ভরে সেই তাবিজ নিজের কোমরে বেঁধে সমুদ্রের জ্বলে চলতে শুরু করলে অনায়েসে চলতে পারা যায়।

উচ্চাটন

প্যঁচার হাড় দিয়ে কিলক তৈরী করবে ও নিম্ন লিখিত মন্ত্রের দ্বারা 51 বার অভিমন্ত্রিত করে যার ঘরে পুঁতে রাখবে তারেই উচ্চাটন হবে। অভিমন্ত্রিত করার পূর্বে মন্ত্রকে সিদ্ধ করে নিতে হবে।
মন্ত্রঃ “ ওঁ দহ দহ হন হন স্বাহা”

অদৃশ্যকরণ ও ভূমিগত অর্থাদি দর্শণ

প্যঁচার মাথা, সৌবীরাঞ্জন, অন্তর্ধুম ও প্যঁচার নালী এই সব দ্রব্য চুর্ন করে ওর সংগে গোরচনা মিশিয়ে নিবে। পরে পূষ্যানক্ষত্রযুক্ত চতুর্থিতে নিম্নলিখিত মন্ত্র দ্বারা সেই চূর্ণ অভিমন্ত্রিত করে চোখে কাজল দিলে মাটিতে পুতে রাখা ধন সম্পদ দেখা যাবে। এই সাধনায় অবশ্যই গুরুর সংগ লাগবে।
মন্ত্রঃ ওঁ নমো মহা যক্ষিণ অমৃতং কুরু কুরু স্বাহা।।
মন্ত্র অভিমন্ত্রিত করার আগে মন্তকে অবশ্যই সিদ্ধ করে নিতে হবে।

জ্বর নাশন

উলুক কল্পে নিম্ন লিখিত তিন প্রকার প্রয়োগের দ্বারা জ্বর নিবারিত হয় বলে উল্লেক্ষ আছেঃ-
01)প্যঁচার ঠোট, যষ্ঠিমধু, হরিতাল ও কাকমাচি এই দ্রব্যগুলো নিয়ে চূর্ন করে রোগীর চোখে কাজলের মত দিলে জ্বর নাশ হয়।
02)প্যঁচার ল্যাজকে তাবিজে ভরে রোগীর হাতে বেধে দিলে জ্বর থাকে না।
03)প্যঁচার পা নিয়ে কালো সুতোয় জড়িয়ে রোগীর বাঁ দিকের কানে বেধেঁ দিলে জ্বর ছেড়ে যাবে।

শক্র বিজয়

মন্ত্রঃ ওঁ নমো পক্ষীরাজায় লক্ষ্ণী বাহনায় মে শক্রং বশং কুরু কুরু স্বাহা।”
প্যঁচার পিঠের 15টি পালককে উপরোক্ত মন্ত্র 2108 ( দুই হাজার একশত আট) বার অভিমন্ত্রিত করে তাবিজে ভরে বাহুতে ধারন করলে শত্রুর উপর বিজয় লাভ করবে।

প্যাঁচা ও কাক

প্যাঁচা এবং কাক এই দুটি পরস্পর পরম শত্রু। প্যাঁচার এক নাম কাকারী।
প্যাঁচার বিষ্ঠা ও কাকের বিষ্ঠা একত্রে মিশিয়ে, গোলাপ জ্বল মিশিয়ে চন্দনের মত প্রলেপ তৈরী করবে।তারপর তার তিলক কপালে লাগিয়ে যে রমনীর সামনে গিয়ে দ্বারাবে সে দেখলেই বশিভুত হবে।

সম্মোহন

প্যাঁচার পাখা ও কাকের পাখা নিয়ে চন্দন কাঠের আগুনে পুড়িয়ে ভষ্ম তৈরী করবে। এই ভষ্ম যার মাথায় তার অলক্ষ্যে ছিটিয়ে দিবে সেই বশিভুত হবে।

উদ্বিগ্নতা কারক

প্যাঁচার ঠোট ও কাকের ঠোট এই দুটিকে বাবলা কাঠের আগুনে পুড়িয়ে ভষ্ম করতে হবে। এই ভষ্মকে যে স্ত্রীলোকের উপর ছড়িয়ে দেবি সেই পাগল হয়ে উঠবে।

শত্রু উচ্চাটন

প্যাঁচার বাঁ দিকের ঠ্যাং ও কাকের ডানদিকের ঠ্যাং নিয়ে দুটিকে লাল কাপড়ে 
এক সংগে জড়িয়ে তার উপর কালো সুতোদিয়ে বেধে পরে সেই পুটলি শত্রুর ঘরে ফেলে দিলে শত্রুর উচ্চাটন হয়।

শত্রু পরাস্ত

প্যাঁচার পাঁজরার হাড় ও কাকের পাঁজরার হাড় এই দুটি জিনিস নিয়ে এক সংগে লাল কাপরে জড়িয়ে কালো সুতার দ্বারা ভাল ভাবে বেধে তারপর সেটি কোনও প্রকারে ঘুমোবার সময় শত্রুর বালিশের নিচে রেখে দিলে শত্রু পরাস্ত হবে অর্থাৎ শত্রু তোমার কাছে মাথা নত করবে।

বিদ্বেষণ

প্যাঁচার জীভ ও কাকের জীভ এই দুটি একত্রে মিলিয়ে চন্দন কাঠের আগুনে পুড়িয়ে ভষ্ম করে নেবে। এই ভষ্ম যদি দুই ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে দেয়া যায় বা তাদের গায়ে ছিটিয়ে দেয় যায় তবে তাদের দুই জনের মধ্যে শত্রুতার সৃষ্টি হবে।

সম্মান প্রাপ্তি

প্যাঁচার বুকের ও কাকের বুকের পালক দুটিকে এক সংগে মিশিয়ে তাবিজে ভরে তা বাহুতে ধারন করতে হবে এতে সেই ব্যক্তি যেখানে যাবে সেখানেই সন্মান প্রাপ্ত হবে।

পকেট খালি না থাকা

প্যাঁচার ঘাড়ের হাড় ও কাকের ঘাড়ের হাড় এই দুটি বস্তু তাবিজে ভরে সর্বদা সংগে রাখবে বা পকেটে রাখবে তাহলে পকেট কখনও খালি হবে না।

পরীক্ষায় সফলতা

প্যাঁচার ডিম ও কাকের ডিম দুটিকেই নেবে। তারপর ছাগলের দুধের সঙ্গে মিশিয়ে গাঢ় প্রলেপ তৈরী করবে। সেই প্রলেপ দ্বারা নিজের কপালে তিলক ধারন করে ইন্টারভিউ বা পরিক্ষা দিতে গেলে সেখানে সফলতা লাভ করবে।

বিবাদে জয়লাভ

প্যাঁচার মাথার পাখা ও কাকের মাথার পাখা এই দুটি নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে নিতে হবে। পরে সেই ভষ্ম দ্বারা নিজের কপালে তিলক ধারন করে মামলা মোকদ্দমা সকল ক্ষেত্রে জয় লাভ করবে।

চাকরী

প্যাঁচার ল্যাজের পালক ও কাকের ল্যাজের পালক নিয়ে দুটোকে আম কাঠের আগুনে পুড়িয়ে ছাই করবে। এবার সেই ছাই দ্বারা কপালে তিলক কেটে চাকরির জন্য কারও কাছে গেলে তা হয়ে যায়।

অধিকারীর দয়ার জন্য

প্যাঁচার চোখ ও কাকের বিষ্ঠা দুই বস্তুকে গঙ্গাজলে পেষন করে প্রলেপ তৈরী করে তা 21 দিন পর্যন্ত কপালে তিলক কাটলে যে কোন মালিক বা বস তার অনুগামি হবে।

লটারী বা জুয়াতে জয় লাভ

কাকের পাখা ও প্যাঁচার পাখা এই দুটি বস্তু লাল কাপড়ে জড়িয়ে বাহুতে বেধে লটারী বা জুয়া খেললে তাতে জয়লাভ করবে।

How will my prayer be accepted? ইসমে আজম কি?

সকল বাঙ্গালী মুসলিমদের প্রতি রইলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা আজ আমরা জানবো প্রার্থনা কবুলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা...