কালা যাদু (ভূত সাধনা): তান্ত্রিক প্রেক্ষাপট, অনুশীলন ও সতর্কতা
কালা যাদু (ভূত সাধনা): তান্ত্রিক প্রেক্ষাপট, অনুশীলন ও সতর্কতা বিষয়ে মন্ত্রগুরু এ্যাসোসিয়েশনের প্রাচীন অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহারিক নির্দেশনার আলোকে প্রস্তুত প্রবন্ধ।
কালা যাদু (ভূত সাধনা)
এর পূর্বে আমি একটি ভূত সাধনার নিয়ম বলেছিলাম, আজ আর একটি ভূত সাধনার নিয়ম বলছি, আসলে এগুলো কালাযাদুর আওতাভুক্ত! এগুলো করা সমাজে নিশিদ্ধ, কারন দুমর্তি লোকেরা এর দ্বারা অনেক ক্ষতি সাধন করে থাকে। কিন্তু একটি কথা অনন্ত কাল থেকেই চলিত, আর তা হলো খারাপের উপরেই ভালোর স্থান।। আপনারা এর মাধ্যমে সমাজ তথা দশ ও দেশের উপকার করবেন, এই ভয়ানক আদি রহস্যময় সাধনাগুলো মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করবেন এই উদ্দেশ্য নিয়েই পোষ্ট করলামঃ প্রথমে খেয়াল রাখতে হবে সঠিক সময় জ্ঞ্যান। দেখুন কোথাও অপ্রাপ্ত বয়স্ক পূত্র সন্তান কারও মারা গেছে কি ? এরপর আমাবস্যার রাত ১২ টার দিকে কবরস্থানে গিয়ে মৃত সন্তানকে তুলে দুধ দিয়ে একটি বড় পাত্রের মধ্যে গোসল করিয়ে, উহার লিঙ্গটা কাটিয়া লইয়া আসিবে। এবং সেই পাত্রে গোসল করানো দুধ দ্বারা দই তৈরী করিবে এবং সেখান থেকে ঘি তৈরী করিবে। এবার সেই লিঙ্গটি কার্পাস তুলায় জরাইয়া ঘৃত দ্বারা জ্বালাইবে। তখন সেই মৃত পূত্র ভূত হইয়া সম্মুখে উপস্থিত হইবে, ভয় পাইলে চলিবে না। আপন গুরু মন্ত্র জপ করতে হবে। ভূত আপনাকে বলিবে কি চাও, উত্তরে সাধক বলিবে তুমি সর্বদা আমার সাথে থাক এবং যখনই তোমাকে ডাকিব তখনই যেন আস তেমন কিছু আমাকে দেও, এবং আমি যখন যা বলিব তখনই তাই করিবে।। এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে তাকে বিদায় দিবে।। পরবর্তিতে আপনার কাজ অনুসারে তাকে ডাকিবে। তবে একা নির্জন গৃহ ছাড়া তাকে ডাকিবে না।।
ব্যবহার বিধি
- গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, প্রতীক ও অনুশীলনের উদ্দেশ্য আগে বুঝে নিন।
- শারীরিক বা মানসিক অস্বস্তি তৈরি হলে অনুশীলন বন্ধ করুন।
- কোনো আচারকে ভয়, জবরদস্তি বা প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহার করবেন না।
- শারীরিক বা মানসিক অস্বস্তি তৈরি হলে অনুশীলন বন্ধ করুন।
- কোনো আচারকে ভয়, জবরদস্তি বা প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহার করবেন না।