পদ্মিনী সাধনা: অর্থ, পাঠপদ্ধতি ও সতর্কতা
পদ্মিনী সাধনা: অর্থ, পাঠপদ্ধতি ও সতর্কতা বিষয়ে মন্ত্রগুরু এ্যাসোসিয়েশনের প্রাচীন অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহারিক নির্দেশনার আলোকে প্রস্তুত প্রবন্ধ।
পদ্মিনী সাধনঃ
পদ্ধতিঃ- সাধক নির্জনে আপন গৃহে অথবা শিবমন্দিরে বসিয়া এই সাধনা করিবেন। পূর্বোক্ত প্রকারে রক্তচন্দন দ্বারা অষ্টদল পদ্ম অঙ্কন করিয়া তন্মধ্যে “ও হ্রীং আগচ্ছ পদ্মিনী স্বাহা” মন্ত্রটি লিখিয়া পূর্ববৎ পূজাবিধি পূর্বক আচমন, মাষভক্তবলি, আসনশুদ্ধি প্রভৃতি করিয়া “ওঁ হ্রীং পদ্মিনী আগচ্ছ স্বাহা” মন্ত্রে প্রাণায়াম্ এবং “হ্রীং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নমঃ।” ইত্যাদি মন্ত্রে করাঙ্গন্যাস পূর্বক দেবীর ধ্যান করিবেন।
ধ্যান- পদ্মাসনাং শ্যামবর্ণাং পীনোক্ত্যঙ্গপেয়োধরাম্।
কোমলাঙ্গীং স্মেরমুখীং রক্তোৎপলদলেক্ষণাম্।।
উক্তরুপে ধ্যান করিয়া যন্ত্রমধ্যে দেবীর ষোড়শোপচারে পূজা করিয়া নিম্ন জপমন্ত্র অষ্টোত্তর সহস্রবার (১০০৮) একমাস যাবৎ জপ করিবেন। একমাস পরে মাসের শেষ হইলে পূর্ণিমার দিন পুনরায় দেবীর উপরোক্ত প্রকারে ষোড়শোপচারে পূজা দেবীর দর্শন না পাওয়া পর্যন্ত জপ মন্ত্রটি জপ করিবেন।
জপমন্ত্র- “ওঁ হ্রীং আগচ্চ পদ্মিনী স্বাহা।”
উপরোক্ত মন্ত্র জপ করিতে করিতে রাত্রি তৃতীয় প্রহরে দেবী প্রসন্না হইয়া সাধককে দর্শন দান করেন। তখন সাধক দেবীকে পত্নী রুপে কামনা করিয়া গন্ধ, পুষ্প, মাল্য ইত্যাদি দ্বারা ধ্যান পূর্বক পূজা করিবেন।
ইহাতে দেবী প্রসন্না হইয়া সাধককে নানারুপ উৎকৃষ্ট খাদ্যদ্রব্য এবং ধনৈশ্বর্য্য দিয়া স্বামীর ন্যায় প্রতিপালন করেন এবং প্রতি রাত্রি কালে সাধকের সহিত সম্ভোগ সুখ উপভোগ করেন। সাধক কখনও পদ্মিনী ব্যতীত অন্য কোন নারীতে আশক্ত হইবেন না। তাহা হইলে সাধকের জীবন সংশয় হইবে।
ব্যবহার বিধি
- পাঠের আগে পরিবেশ শান্ত রাখুন এবং মনোযোগ স্থির করুন।
- উচ্চারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে যাচাই করুন।
- ফলাফলের দাবি নয়, নিয়মিততা ও আত্মশুদ্ধিকে গুরুত্ব দিন।
- উচ্চারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে যাচাই করুন।
- ফলাফলের দাবি নয়, নিয়মিততা ও আত্মশুদ্ধিকে গুরুত্ব দিন।