বশিকরণ

বশীকরন তন্ত্র: প্রচলিত ধারণা, নৈতিকতা ও সতর্কতা

বশীকরন তন্ত্র: প্রচলিত ধারণা, নৈতিকতা ও সতর্কতা বিষয়ে মন্ত্রগুরু এ্যাসোসিয়েশনের প্রাচীন অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহারিক নির্দেশনার আলোকে প্রস্তুত প্রবন্ধ।

বশীকরন তন্ত্র: প্রচলিত ধারণা, নৈতিকতা ও সতর্কতা
বশীকরন তন্ত্রঃ
১. এটি সাধারনত স্বামী ‍বশীকরনের জন্য করা হয়। প্রক্রিয়াট একটু অদ্ভত। সত্যতা সম্পর্কে কোন ও সিদ্ধ তান্ত্রিকের সাথে কথা বলে নেবেন। এক্ষেত্রে স্ত্রী কোন ও মঙ্গলবারে, (জ্যৈষ্ঠ মাসের মঙ্গলবার হলে ভাল হয়) তার বা পায়ের জুতোর ওজনের সমান আটা নিয়ে চারটে রুটি তৈরি করবে এবং সেই রুটিতে ঐ জুতো বারি মেরে স্বামীকে খেতে দেবে। অস্বীকার করার উপায় নেই পদ্ধতিটা বড় অমানবিক।
২. এটি করা হয় প্রেমিকাকে প্রেমিকের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য বা অভিমানী প্রেমিকাকে কাছে টানার জন্য। শনিবার রাতে একটি ধনুক ও সাতটি তীর নিয়ে কোনও নদীর ধারে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। এরপর তীর-ধনুক হাতে নিয়ে- ইনশাআল্লাহ কুল শমী কদীর’ এই মন্ত্রটি ৪০ বার আওড়াতে হবে। এবারে একবার করে মন্ত্র ও একটি করে তীর নদীতে ছুড়তে হবে, পরপর সাতটি তীর ছুড়ে সোজা বাড়ি ফিরে আসতে হবে। তান্ত্রিকেরা বলেন এতে নাকি সাত দিনে অভিমানী প্রেমিকা তার প্রেমিকের কাছে ফিরে আসে।

ব্যবহার বিধি

- অন্যের স্বাধীন ইচ্ছা বা সম্মতির বিরুদ্ধে কোনো প্রয়োগ করবেন না।
- সম্পর্কে প্রতারণা, জোরজবরদস্তি বা ক্ষতিকর উদ্দেশ্য এড়িয়ে চলুন।
- নিজেকে উন্নত করা, আত্মবিশ্বাস ও সম্পর্কের সততা—এসবকে অগ্রাধিকার দিন।