সর্বাধিক ব্যবহৃত কালা যাদুঃ
সর্বাধিক ব্যবহৃত কালা যাদুঃ বিষয়ে মন্ত্রগুরু এ্যাসোসিয়েশনের প্রাচীন অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহারিক নির্দেশনার আলোকে প্রস্তুত প্রবন্ধ।
সর্বাধিক ব্যবহৃত কালা যাদু-
বর্তমান সময়ের অধিকাংশ তান্ত্রিকদের সর্বাধিক ব্যবহৃত “ভূত সাধন‘‘
আমার যানামতে বর্তমান সময়ের সত্যিকার তান্ত্রিকরা সবচাইতে বেশি যে সাধনা টা করে থাকেন তা হলো ভূত সাধন-ইহা একধারনের কালা যাদু বলা চলে! কারন এই একটি মাত্র সাধন সময় ও শ্রম দুটোই অনেক কম লাগে। এবং ফলপ্রুশু এবং উপকারী।
নিচে এই সাধনার মূল নিয়ম আমি বলে দিচ্ছি তবে সাধনা করতে গেলে অবশ্যই গুরুর আদেশ ও সাহায্য নিতে হবে।।
সাধনাঃ- কোন মুসলমান মৃত্যুমুখে পতিত হইলে (অত্ত্বহত্তা বা অস্বাভাবিক মৃত্যু) সেটা খুব সাবধানে নজরে রাখবেন- এরপর ঐ চন্দ্রমাসের আমাবস্যা রাত্রের 12-1 টার সময় ঐ কবর থেকে কাফনের কাপরটা আনতে হবে। ভয়ের কোন কারন নেই কারন পৃথিবীতে একমাত্র কবরস্থান সম্পূর্ন নিরাপদ সেখানে কিছু থাকে না। এবার তখনি ঐ কাপরটি ভালো ভাবে ধুইয়ে কাল রঙ্গের কালী দিয়ে রং করিবে এবং ঐ রাত্রিতেই শুকিয়ে নিবে। এবং ঐ দিনই সেই কাপর দিয়ে একটি হাত বিহিন আলখাল্লা তৈরী করবে। সমস্ত কাজটির জন্য সময় 24 ঘন্টা। এবার আলখল্লাটি এবং একটি ছুরি সহ যত্নের সহিত একটি তালাবদ্ধ বাক্সে রাখিয়া দিবে। এরপর যখন ভূত হাজির করিবার প্রয়োজন মনে করিবে তখন একটি ফাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্য ঘরে ধুপ-আগরবাতী গোলাপজল লোবান ইত্যাদি দিয়ে সুগন্ধিত করে ঐ আলখাল্লা নিজে পরিধান করিলেই চারজন ভূত হাজির হইবে কোন মন্ত্র প্রয়োজন পরিবে না। এই ভূত সাধনার দ্বারা সাধক বর্তমান সময়ের অনেক কাজই করিয়ে নিতে পারিবে-অতিত ভবিষ্যত যানিতে পারিবে। এবং অনেক অসাধ্য সাধন করিতে পারিবে।।
ব্যবহার বিধি
- গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, প্রতীক ও অনুশীলনের উদ্দেশ্য আগে বুঝে নিন।
- শারীরিক বা মানসিক অস্বস্তি তৈরি হলে অনুশীলন বন্ধ করুন।
- কোনো আচারকে ভয়, জবরদস্তি বা প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহার করবেন না।
- শারীরিক বা মানসিক অস্বস্তি তৈরি হলে অনুশীলন বন্ধ করুন।
- কোনো আচারকে ভয়, জবরদস্তি বা প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহার করবেন না।